বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > রাজ্য নির্বাচন কমিশনারের পদক্ষেপ নিয়ে প্রশ্ন তুললেন দিলীপ
ইকোপার্কে দিলীপ ঘোষ 
ইকোপার্কে দিলীপ ঘোষ 

রাজ্য নির্বাচন কমিশনারের পদক্ষেপ নিয়ে প্রশ্ন তুললেন দিলীপ

তিনি জানান, ‘‌পার্টির পুরনো লোক দল ছাড়েনি। বিজেপিতে ২০১৯ সাল পর্যন্ত লড়াই করে ১৮টি আসন জিতিয়েছিলেন, সেই কর্মীরা এখনও আছেন।

মঙ্গলবার ইকো পার্কে প্রাতঃভ্রমণে এসে এমনই অভিযোগ করলেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। উল্লেখ্য, গত সোমবারই রাজ্য নির্বাচন কমিশনের তরফে ৪টি পুরনিগমে ভোটের কথা ঘোষণা করা হয়। তাঁর দাবি,‌ রাজ্য নির্বাচন কমিশনার তৃণমূলের হয়ে কাজ করছেন।

ইতিমধ্যে বিধাননগর, চন্দননগর, আসানসোল ও শিলিগুড়িতে নির্বাচনী আচারণবিধি চালু হয়ে গিয়েছে। ভোটের প্রচার শুরু হয়ে গিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের এভাবে বেছে বেছে এক একটি জায়গায় ভোট করানো নিয়ে প্রশ্ন তুললেন রাজ্যের প্রাক্তন বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ। এই প্রসঙ্গে তিনি জানান, ‘‌রাজ্যের ১১৮–১২০টি পুরসভায় নির্বাচ বাকি রয়েছে। কেন এক একটি পুরসভা করে নির্বাচন করানো হচ্ছে?‌ কেন রাজ্যের বাকি মানুষদের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে না?‌ আসলে রাজ্য নির্বাচন কমিশনার সম্পূর্ণ তৃণমূলের হয়ে কাজ করছেন। তৃণমূল যখন বলে দেবে ভোট করাতে তখন তিনি ভোট করাবেন। যেভাবে কলকাতায় গণতন্ত্র আদৌ আছে বলে মানুষ বিশ্বাস করে না।’‌


রাজ্যপালের সঙ্গে রাজ্য সরকারের সংঘাত নিয়েও মুখ খোলেন দিলীপ। এই প্রসঙ্গে তিনি জানান, ‘‌পশ্চিমবঙ্গের একটা ট্র্যাডিশন রয়েছে। কাউকে না পেলে রাজ্যপালের বিরুদ্ধে লড়াই করা হয়। আর কোনও লড়াই বাকি নেই। হয় কেন্দ্রের বিরুদ্ধে নয়ত কেন্দ্রের প্রতিনিধি রাজ্যপালের বিরুদ্ধে লড়াই করতে হবে। এখানেই লড়াইটা সীমিত হয়ে গিয়েছে।’‌ হাওড়ার বিলটি রাজ্যপালের কাছে বিবেচনাধীন থাকা নিয়ে নিশ্চয়ই কারণ রয়েছে বলে মনে করেন রাজ্যের প্রাক্তন বিজেপি সভাপতি। তবে হাওড়ার ভোট পিছিয়ে যাওয়া নিয়ে তৃণমূলকেই কাঠগড়ায় তুলেছেন তিনি। তাঁর মতে, ‘‌তৃণমূল তখনই ভোট করবে, যখন ভোট লুঠ করে জিততে পারবে। বিরোধী শূন্য করার প্ল্যানিংটা হয়ত পুরোপুরি ঠিক হয়নি।’‌

সম্প্রতি জলপাইগুড়িতে বিজেপি শিবিরে ভাঙন ধরেছে। ভাঙন ধরলেও বিষয়টিকে গুরুত্ব দিতে নারাজ দিলীপ ঘোষ। এই প্রসঙ্গে তিনি জানান, ‘‌পার্টির পুরনো লোক দল ছাড়েনি। বিজেপিতে ২০১৯ সাল পর্যন্ত লড়াই করে ১৮টি আসন জিতিয়েছিলেন, সেই কর্মীরা এখনও আছেন। পরে অনেকে এসেছিলেন, তাঁরা চাপ নিতে পারছেন না। তাঁরা এমএলএ হোক বা অন্য কেউ। তাঁরা দল ছাড়তে বাধ্য হচ্ছেন।’‌ পাশাপাশি মিশনারিজ অফ চ্যারিটি ইস্যুতে রাজনীতি করা নিয়ে সরব হলেন দিলীপবাবু। এই প্রসঙ্গে তিনি জানান, ‘‌মুখ্যমন্ত্রী নিজের পদমর্যাদার খেয়াল রাখছেন না। এই বিষয়ে রাজনীতি করছেন। কোন কথাটা বলতে হয়, কোনটা বলতে হয় না, সেটা বোঝেনই নয়। এই বিষয়ে রাজনীতি করার কোনও মানেই হয় না।’‌

বন্ধ করুন