বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > কোভিড মোকাবিলায় সাহায্যের হাত বাড়াল প্রেসিডেন্সির পড়ুয়ারা
উপাচার্যের ঘরের সামনে বসে প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা
উপাচার্যের ঘরের সামনে বসে প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা

কোভিড মোকাবিলায় সাহায্যের হাত বাড়াল প্রেসিডেন্সির পড়ুয়ারা

  • জানা গিয়েছে, ১৫৬ জন পড়ুয়া মিলে এই হেল্প ডেক্সটি তৈরি করেছে।

কোভিড চিকিৎসায় এবার সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিল প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা।‌কোভিড সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য সরবরাহের জন্য হেল্প ডেক্স তৈরি করেছে তাঁরা।ইতিমধ্যে এই হেল্প ডেক্স ব্যবহার করে উপকৃত হয়েছেন অনেকেই।ব্যাপক সাড়া মিলেছে।এই সংকটময় পরিস্থিতিতে অনেকেরই পড়ুয়াদের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন।

জানা গিয়েছে, ১৫৬ জন পড়ুয়া মিলে এই হেল্প ডেক্সটি তৈরি করেছে।এই হেল্প ডেক্সের মাধ্যমে হাসপাতালে বেড সংখ্যা, অক্সিজেন সিলিন্ডার, অ্যাম্বুলেন্স, প্লাজমা ও রক্তদান শিবির, ওষুধ, কোয়ারেন্টাইন সেন্টার সহ যাবতীয় তথ্য পাওয়া যায়।কোভিড হেল্পডেক্স বাই প্রেসিডেন্সি নামে ফেসবুক পেজে একটি পেজ রয়েছে যার মাধ্যমে এই সব যাবতীয় তথ্য পাওয়া যাচ্ছে।প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ইউনিয়নের মাথা থেকেই এই ধরনের পেজ তৈরির পরিকল্পনা আসে।বিশ্ববিদ্যালয়ের এক পড়ুয়া জানান, শুধু হেল্প ডেক্স তৈরিই নয়, স্থানীয়দের সঙ্গে নিয়ে মাস্ক, স্যানিটাইজার, বই বিতরণেরও ব্যবস্থা করা হয়েছে।

এই হেল্প ডেক্স ব্যবহারকারী ডোমজুড়ের বাসিন্দা সুমন ঘোষ জানান, ‘‌আমার মায়ের দেহে অক্সিজেনের মাত্রা কমে গিয়েছিল। ৮৭–তে নেমে এসেছিল।তখন আমাকে এই হেল্প ডেক্স খুব সাহায্য করেছে।যদি মা এখনও শারীরিক দিক থেকে দুর্বল, তবুও ওই কঠিন পরিস্থিতিতে অক্সিজেনের জোগান যে দেওয়া গিয়েছে, সেটাই বড় কথা।যারা এই হেল্প ডেক্স তৈরি করেছে, তাদের কাছে আমি খুবই কৃতজ্ঞ।’‌ একই অভিজ্ঞতা খড়দহের বাসিন্দা শ্রেয়াস ঘোষালের।নিজের অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে খড়দহের এই ছেলেটি জানান,‘‌করোনা আতঙ্ক এতটাই আমার এক আত্মীয়কে গ্রাস করেছিল যে সে কাশির সিরাপ বেশি পরিমাণে খেয়ে ফেলেছিলাম।ফলে সুগারের মাত্রা বেশি হয়ে গিয়েছিল।হাসপাতালে ভর্তি করার দরকার হয়ে পড়েছিল।আমাকে হেল্প ডেক্সের কথা বলা হয়।হেল্প ডেক্সের সহযোগিতায় আমার আত্মীয়কে গত রবিবার হাসপাতালে ভর্তি করি।এখন সে অনেকটাই সুস্থ।

বন্ধ করুন