বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > Sukanta-Suvendu: এবার রাজ্যপালের দুয়ারে সুকান্ত–শুভেন্দু, কী নিয়ে নালিশ করতে যাচ্ছেন?‌

Sukanta-Suvendu: এবার রাজ্যপালের দুয়ারে সুকান্ত–শুভেন্দু, কী নিয়ে নালিশ করতে যাচ্ছেন?‌

শুভেন্দু অধিকারী এবং সুকান্ত মজুমদার (Saikat Paul)

শুভেন্দু অধিকারী চেয়ে ছিলেন জগদীপ ধনখড়ের মতো রোজ রাজ্যে সংঘাতের পরিবেশ তৈরি হোক। সেটা না হওয়াতেই এমন নালিশ বলে সূত্রের খবর। নভেম্বর মাসে রাজ্যপালের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে অনুপস্থিত ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্যের বিরোধী দলনেতাকে জায়গা দেওয়া হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদদের পিছনে বলে তিনি টুইট করেছিলেন। 

আজ, বুধবার রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের দুয়ারে যাচ্ছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এবং বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে একাধিক নালিশ করতে তাঁরা যাচ্ছেন বলে সূত্রের খবর। সিভি আনন্দ বোস রাজ্যপাল হওয়ার পর এই প্রথম রাজ্য বিজেপির দুই শীর্ষ নেতা একসঙ্গে সেখানে যাচ্ছেন। আজ দুপুরে রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করবেন তাঁরা বলে খবর। তবে রাজ্যপাল নিজেই এই দুই নেতাকে ডেকে পাঠিয়েছেন বলে সূত্রের খবর।

কেন হঠাৎ রাজ্যপালের ডাক?‌ সূত্রের খবর, সম্প্রতি রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের বিরুদ্ধে কেন্দ্রে নালিশ করেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। বোসের বিরুদ্ধে ফোঁস করে ওঠার খবর কানে এসেছে রাজ্যপালের। তাই তাঁকে ডাকা হয়েছে। আর সেখানে যা বলবেন তিনি সেটার সাক্ষী হিসাবে রাখা হচ্ছে সুকান্ত মজুমদার। যাতে তথ্য বিকৃত করতে না পারেন শুভেন্দু অধিকারী। প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় দুর্নীতির অভিযোগ তুলে শুভেন্দু–সুকান্তরা রাজ্য সরকারকে নিশানা করছেন। এই ইস্যুতে রাজ্যপালের সঙ্গে তাঁদের কথা হতে পারে। আবার রাজ্যের বিরুদ্ধে একাধিক নালিশ করতে পারেন এই দুই বিজেপি নেতা।

আর কী জানা যাচ্ছে?‌ বাংলায় বন্দে ভারত এক্সপ্রেসে পাথর ছোড়া হয়েছে। রাজ্যের নানা জায়গায় বোমা উদ্ধার হয়েছে। পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রাক্কালে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে নালিশ করতে পারেন সুকান্ত–শুভেন্দু। এই বিষয়ে সংবাদমাধ্যমকে সুকান্ত মজুমদার বলেন, ‘রাজ্যপালের সঙ্গে আলোচনার জন্য সময় চেয়েছিলাম। সেটা পেয়েছি। রাজ্যপালকে রাজ্যের বাস্তব পরিস্থিতি জানাব।’ যদিও রাজ্যপাল নিজেই তাঁদের ডেকেছেন বলে সূত্রের খবর।

উল্লেখ্য, রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক হচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে এমন নালিশ করেছিলেন তিনি। যদিও তাতে তেমন আমল দেননি তাঁরা। শুভেন্দু অধিকারী চেয়ে ছিলেন জগদীপ ধনখড়ের মতো রোজ রাজ্যে সংঘাতের পরিবেশ তৈরি হোক। সেটা না হওয়াতেই এমন নালিশ বলে সূত্রের খবর। নভেম্বর মাসে রাজ্যপালের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে অনুপস্থিত ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্যের বিরোধী দলনেতাকে জায়গা দেওয়া হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদদের পিছনে বলে তিনি টুইট করেছিলেন। পরে রাজ্যপালের সঙ্গে রাজভবনে একা দেখা করেন তিনি।

বন্ধ করুন