বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > Sukanta-Nadda Talk on Nabanna Abhijan: নবান্ন অভিযান নিয়ে রিপোর্ট দেবে রাজ্য বিজেপি, সুকান্ত–নড্ডার ফোনে কথা, কী নিয়ে?
সুকান্ত মজুমদার  (ANI)

Sukanta-Nadda Talk on Nabanna Abhijan: নবান্ন অভিযান নিয়ে রিপোর্ট দেবে রাজ্য বিজেপি, সুকান্ত–নড্ডার ফোনে কথা, কী নিয়ে?

  • মঙ্গলবার বিজেপির নবান্ন অভিযানে মিছিল শুরুর আগেই রাজ্যের বিরোধী দল নেতা শুভেন্দু অধিকারী আটক হন। তাঁকে লালবাজারে নিয়ে যায় পুলিশ। বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারকে হাওড়া থেকে আটক হন।

নবান্ন অভিযানে সাফল্য আসেনি। তার জন্য পুলিশের বাধাকে দায়ী করেছে বিজেপির রাজ্য নেতারা। কিন্তু লোকসংখ্যা এতটাই কম ছিল যে এঁটে উঠতে পারেনি। তবে তার মধ্যেই পুলিশের গাড়িতে অগ্নিসংযোগ থেকে পুলিশকে রাস্তায় ফেলে মারধর করেছে বিজেপির কর্মী–সমর্থকরা। পাল্টা কাঁদানে গ্যাস, জলকামান ছুড়ে ভেস্তে দেওয়া হয়েছে তাদের মিছিল। এবার নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে পুলিশের এই ভূমিকা নিয়ে নয়াদিল্লিকে রিপোর্ট পাঠাতে চলেছেন বিজেপির রাজ্য নেতৃত্ব।

বিষয়টি ঠিক কী ঘটেছে?‌ মঙ্গলবার বিজেপির নবান্ন অভিযানে মিছিল শুরুর আগেই রাজ্যের বিরোধী দল নেতা শুভেন্দু অধিকারী আটক হন। তাঁকে লালবাজারে নিয়ে যায় পুলিশ। বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারকে হাওড়া থেকে আটক হন। তাঁকে শিবপুর থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। সূত্রের খবর, সেখানে থাকা দুই নেতাকে ফোন করে কথা বলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নড্ডা। আর তখনই নড্ডাকে পুলিশের নিগ্রহ নিয়ে অভিযোগ করেন রাজ্যের দুই শীর্ষ বিজেপি নেতা।

তারপর ঠিক কী ঘটল?‌ এই আটক থেকে ছাড়া পাওয়ার পর বিজেপি নেতারা ঠিক করেন গোটা ঘটনার একটি রিপোর্ট তৈরি করবেন। আর তা পাঠাবেন নয়াদিল্লিতে। সেই রিপোর্ট জেপি নড্ডা এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের কাছে পাঠানো হবে। তবে সেখানে তাঁরা কি তাণ্ডব করেছেন সেটা উল্লেখ করা হবে না বলেই সূত্রের খবর। দলের অন্দরে গুঞ্জন শুরু হয়েছে, হঠাৎ দিলীপ ঘোষের নবান্ন অভিযান শেষ ঘোষণা নিয়ে। তিনি কেন হঠাৎ ঘোষণা করলেন?‌ আবার সেটা কেন শুনলেন না সুকান্ত মজুমদার?‌ এই দুই নেতার দ্বন্দ্বে ভেস্তে যাওয়া নবান্ন অভিযান নিয়ে কোনও রিপোর্ট জমা পড়বে না। কারণ সবটাই মনিটরিং করেছেন সুনীল বনসল। তিনি দু’‌জনকে ডেকে পাঠাতে পারেন বলে সূত্রের খবর।

কী বলছেন দিলীপ–কুণাল?‌ বিজেপির সর্বভারতীয় সহ–সভাপতি দিলীপ ঘোষ প্রশ্ন তুলেছেন, ‘‌রাজ্যে যখন গরু বা কয়লা পাচার হয়, তখন পুলিশ থাকে না। অথচ বিজেপির নবান্ন অভিযানের দিন এত পুলিশ কী ভাবে এল?‌ পড়শি রাজ্য থেকে কি পুলিশ নিয়ে আসা হয়েছে?’ পাল্টা তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সম্পাদক কুণাল ঘোষ বলেন, ‘এত হাঁকডাক করেও এত কম লোক! সব মিলিয়ে তো হবে মোটে ৯১৮ জন। তাই নিয়ে নাকি নবান্ন অভিযানে যাবে বিজেপি!’

বন্ধ করুন