বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > Unparliamentary: ‘‌আমাকে সাসপেন্ড করুন’‌, অসংসদীয় শব্দের নির্দেশিকা নিয়ে তোপ ডেরেকের

Unparliamentary: ‘‌আমাকে সাসপেন্ড করুন’‌, অসংসদীয় শব্দের নির্দেশিকা নিয়ে তোপ ডেরেকের

ডেরেক ও’ ব্রায়েন (PTI)

ঘুরিয়ে সাংসদদের মুখে ‘লাগাম পরানো’। আর এই উদ্যোগের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন রাজ্যসভার তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন। যদিও আগামী ১৮ জুলাই থেকে শুরু হচ্ছে সংসদের বাদল অধিবেশন। তার আগে একপ্রকার সাংসদদের মুখে ‘লাগাম’ টানল মোদী সরকার বলে মনে করা হচ্ছে।

সংসদে শাসক–বিরোধী বিতণ্ডায় একে–অপরকে নানা ভাষায় আক্রমণ করেই থাকেন। এবার সেই সব শব্দকে অসংসদীয় আখ্যা দিতে উদ্যোগী হয়েছে নরেন্দ্র মোদীর সরকার। অর্থাৎ ঘুরিয়ে সাংসদদের মুখে ‘লাগাম পরানো’। আর এই উদ্যোগের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন রাজ্যসভার তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন। যদিও আগামী ১৮ জুলাই থেকে শুরু হচ্ছে সংসদের বাদল অধিবেশন। তার আগে একপ্রকার সাংসদদের মুখে ‘লাগাম’ টানল মোদী সরকার বলে মনে করা হচ্ছে।

ঠিক কী বক্তব্য ডেরেকের?‌ লোকসভা সচিবালয়ের বুধবার ‘অসংসদীয় শব্দ’ সংক্রান্ত নির্দেশিকা জারি করেছে। আর তাকে চ্যালেঞ্জ করে বৃহস্পতিবার ডেরেক ও’‌ব্রায়েন সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন, বেশ কিছু ‘মৌলিক’ শব্দ এবং শব্দবন্ধকে ‘অংসসদীয়’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। আর সেটার দীর্ঘ তালিকা নির্দেশিকা হিসাবে জারি করা হয়েছে। এটা তিনি মানবেন না।

ঠিক কী লিখেছেন ডেরেক ও’‌ব্রায়েন?‌ এদিন টুইটারে ডেরেক লিখেছেন, ‘আগামী কয়েকদিনের মধ্যে বাদল অধিবেশন শুরু হবে। সাংসদদের উপর জারি করা হল তামাশার নির্দেশিকা। এখন সংসদে বক্তৃতা দেওয়ার সময় আমাদের এই মৌলিক শব্দগুলি ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না। আমি লজ্জিত। ‘অপব্যবহার’, ‘বিশ্বাসঘাতকতা’, ‘দুর্নীতিগ্রস্ত’, ‘ভণ্ডামি’, ‘অযোগ্য’— আমি এই সব শব্দ ব্যবহার করব। আমাকে সাসপেন্ড করুন। গণতন্ত্রের জন্য লড়াই চালিয়ে যাব।’

কী কী শব্দ ব্যবহার করা যাবে না?‌ লোকসভা এবং রাজ্যসভা অধিবেশন চলাকালীন অনেকগুলি শব্দের প্রয়োগের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। প্রকাশিত ‘অংসসদীয় শব্দের’ তালিকায় রয়েছে, ‘লজ্জাজনক’, ‘অপব্যবহার’, ‘বিশ্বাসঘাতকতা’, ‘নাটক’, ‘দুর্নীতিগ্রস্ত’, ‘অযোগ্য’ ‘ভণ্ডামি’, ‘নৈরাজ্যবাদী’, ‘শকুনি’, ‘স্বৈরাচারী’, ‘খলিস্তানি’, ‘বিনাশপুরুষ’, ‘জয়চাঁদ’ (পৃথ্বীরাজ চৌহানের বিরুদ্ধে মহম্মদ ঘোরিকে মদত দেওয়া কনৌজের রাজা), ‘তানাশাহি’ শব্দের প্রয়োগও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। একইসঙ্গে নিষিদ্ধ করা হয়েছে, ‘জুমলাবাজি’, ‘কোভিড স্প্রেডার’, ‘খুন সে ক্ষেতি’, ‘স্নুপগেট’–এর মতো শব্দ।

বন্ধ করুন