বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > প্রয়াত রামকৃষ্ণ মিশনের সহ–অধ্যক্ষ স্বামী বাগীশানন্দজি মহারাজ, আজ রাতে শেষকৃত্য
স্বামী বাগীশানন্দ। ছবি সৌজন্য–ফেসবুক।
স্বামী বাগীশানন্দ। ছবি সৌজন্য–ফেসবুক।

প্রয়াত রামকৃষ্ণ মিশনের সহ–অধ্যক্ষ স্বামী বাগীশানন্দজি মহারাজ, আজ রাতে শেষকৃত্য

  • রামকৃষ্ণ মিশন সেবা প্রতিষ্ঠানে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে প্রবীণ এই সন্ন্যাসীর জীবনাবসান হয়।

প্রয়াত রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের অন্যতম সহ–অধ্যক্ষ স্বামী বাগীশানন্দ। শুক্রবার বেশি রাতে রামকৃষ্ণ মিশন সেবা প্রতিষ্ঠানে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে প্রবীণ এই সন্ন্যাসীর জীবনাবসান হয়। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯১ বছর। শুক্রবার রাতে তাঁর দেহ নিয়ে আসা হয় কাশীপুর উদ্যানবাটিতে। শনিবার সকাল সাড়ে ৮টা পর্যন্ত এখানে দেহ শায়িত থাকবে। ভক্তরা তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে পারবেন। সকাল ৯টা নাগাদ দেহ নিয়ে যাওয়া হবে বেলুড় মঠে। সেখানে সংস্কৃতি ভবন তাঁর দেহ রাখা হবে। রাত ৮টা পর্যন্ত ভক্তরা তাঁকে শ্রদ্ধা জানাতে পারবেন। রাত ৯টা ১৫ মিনিট নাগাদ বেলুড় মঠেই সম্পন্ন হবে শেষকৃত্য।

মহারাজকে শেষশ্রদ্ধা জানাতে যাতে পারেন ভক্ত ও অনুরাগীরা, তার জন্য সব ব্যবস্থা করা হয়েছে। সকাল থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছে শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য ভক্তদের আনাগোনা। স্বামী বাগীশানন্দ মহারাজ ছিলেন রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের প্রবীণতম সহ–অধ্যক্ষ। তাঁর প্রয়াণে শোকের ছায়া নেমে এসেছে রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের অগণিত ভক্ত ও সদস্যরা।

ফেসবুক পোস্টে কেউ লিখেছেন, সবাইকে বড্ড একা করে দিলেন। এমন ছবি পোস্ট করতে হবে গুরুদেব ভাবতে পারিনি। কেউ লিখেছেন, সংবাদটা বড় কষ্টের। গুরুদেবের আত্মার শান্তি কামনা করি। মনটা ভারাক্রান্ত হয়ে গেল। ১৯৩০ সালের ১২ জানুয়ারি চট্টগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন স্বামী বাগীশানন্দ। ১৯৫৪ সালে স্বামী শঙ্করানন্দের কাছে দীক্ষা নিয়ে তিনি সারদাপীঠ কেন্দ্রে যোগ দেন। ১৯৬২ সালে স্বামী বিশুদ্ধানন্দের থেকে সন্ন্যাস গ্রহণ করেন। কয়েক বছর তিনি ইনস্টিটিউট অব কালচার, গোলপার্কের সহ–সম্পাদক পদেও ছিলেন।

বন্ধ করুন