বাড়ি > বাংলার মুখ > কলকাতা > ‘মানুষ কেনা যায়, কিন্তু আদর্শ কেনা যায় না’, পিকের চ্যালাকে বললেন দেবেশ দাস
বাঁ দিকে প্রশান্ত কিশোর। ডান দিকে দেবেশ দাস। ফাইল ছবি
বাঁ দিকে প্রশান্ত কিশোর। ডান দিকে দেবেশ দাস। ফাইল ছবি

‘মানুষ কেনা যায়, কিন্তু আদর্শ কেনা যায় না’, পিকের চ্যালাকে বললেন দেবেশ দাস

  • বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের মন্ত্রিসভায় তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ছিলেন পেশায় ইঞ্জিনিয়ার দেবেশ দাস। সিপিআইএমের অন্যতম তফশিলি মুখ তিনি। তাঁর জমানাতেই মাথা তুলে দাঁড়াতে শুরু করেছিল সেক্টর ফাইভের বহুতলগুলি।

তৃণমূলে ‘স্বচ্ছ মুখ’ আনতে বাম নেতাদের দোরে দোরে ঘুরছেন পিকের সংস্থা IPAC-এর কর্মীরা। ছোট বড় বাম নেতাদের নানা প্রস্তাব দিচ্ছেন তাঁরা। এখনো পর্যন্ত খালি হাতেই ফিরতে হয়েছে তাঁদের। একের পর এক বাম নেতা জানিয়ে দিয়েছেন, আদর্শের সঙ্গে আপোস করে রাজনীতি করার থেকে না করা ভাল। এবার একই কথা শুনতে হল রাজ্যের প্রাক্তন তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রী দেবেশ দাসের কাছ থেকে। যাঁর জমানায় পথ চলা শুরু করেছিল বিধাননগর সেক্টর ফাইভের তথ্য প্রযুক্তি তালুক। 

দেবেশবাবু জানিয়েছেন, সম্প্রতি পিকের সংস্থা IPAC-এর তরফে তাঁর কাছে এক ব্যক্তি ফোন করেন। ফোনে তাঁকে তৃণমূলে যোগদানের প্রস্তাব দেন। জানান, তৃণমূলে তাঁর মতো স্বচ্ছ মানুষ প্রয়োজন। তাই আপনার সঙ্গে একবার দেখা করতে চাই। কিন্তু প্রস্তাব শুনেই পত্রপাঠ তা খারিজ করেন দেবেশবাবু। সঙ্গে জানান, ‘পয়সা দিয়ে মানুষ কেনা যায়, আদর্শ কেনা যায় না।’ তাই দেখা করে কোনও লাভ নেই।

বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের মন্ত্রিসভায় তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ছিলেন পেশায় ইঞ্জিনিয়ার দেবেশ দাস। সিপিআইএমের অন্যতম তফশিলি মুখ তিনি। তাঁর জমানাতেই মাথা তুলে দাঁড়াতে শুরু করেছিল সেক্টর ফাইভের বহুতলগুলি। তৈরি হয়েছিল হাজার হাজার কর্মসংস্থান। বামেদের বিদায়ের পর ২০১৫ সালে বনগাঁ উপনির্বাচনে তাঁকে প্রার্থী করেছিল বামেরা। কিন্তু সেই নির্বাচনে তৃণমূলপ্রার্থী মমতাবালা ঠাকুরের কাছে পরাজয় হয় তাঁর। 

দিন কয়েক ধরেই বিভিন্ন বাম নেতাদের কাছে ফোন করছেন পিকের সংস্থার কর্মীরা। তৃণমূলে যোগদান করলে নানা সুযোগ সুবিধা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন তাঁরা। তবে এখনো পর্যন্ত এমন কোনও বাম নেতার তৃণমূলে যোগদানের খবর নেই।

 

বন্ধ করুন