বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > সরকারি হাসপাতালে প্রসূতিদের থ্যালাসেমিয়া পরীক্ষা করতেই হবে,কত সপ্তাহে এই Test?
প্রসূতিদের থ্যালাসেমিয়া পরীক্ষা বাধ্যতামূলক হচ্ছে এই রাজ্যে। (প্রতীকী ছবি)
প্রসূতিদের থ্যালাসেমিয়া পরীক্ষা বাধ্যতামূলক হচ্ছে এই রাজ্যে। (প্রতীকী ছবি)

সরকারি হাসপাতালে প্রসূতিদের থ্যালাসেমিয়া পরীক্ষা করতেই হবে,কত সপ্তাহে এই Test?

  • যাঁদের বাড়িতে থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত রোগী আছে তাঁরাই বোঝেন কষ্টের বিষয়টি। আর কোনও পরিবারকেই যাতে এই সমস্যার মধ্যে পড়তে না হন সেটাই নিশ্চিত করতে চাইছে সরকার। সেকারণে সরকারি হাসপাতালে ভর্তি সমস্ত প্রসূতিদের থ্যালাসেমিয়া পরীক্ষা করা হবে। 

বড় সিদ্ধান্ত নিল স্বাস্থ্য দফতর। মূলত রাজ্য থেকে থ্যালাসেমিয়া রোগ নির্মূল করতে বড় পদক্ষেপ। রাজ্যের সমস্ত সরকারি হাসপাতাল ও মেডিক্যাল কলেজে প্রত্যেক প্রসূতির থ্যালাসেমিয়া পরীক্ষা করাতেই হবে। পাশাপাশি রাজ্যের বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতাল ও নার্সিংহোমে যে প্রসূতিরা ভর্তি রয়েছেন তাঁদেরও থ্যালাসেমিয়া টেস্ট করানোর আবেদন করা হয়েছে। 

এক্ষেত্রে সেখানে ভর্তি প্রসূতিরা যদি সরকারি জায়গায় এই টেস্ট করাতে চান তবে তারও ব্যবস্থা করা হবে। তবে গর্ভাবস্থায় প্রথম ১৬ সপ্তাহের মধ্যে এই টেস্ট করাতে হবে। থ্যালাসেমিয়া কন্ট্রোল ইউনিটের মাধ্যমেও এই পরীক্ষা করানো হবে। এখানেই প্রশ্ন যদি ওই পরীক্ষায় প্রসূতি থ্যালাসেমিয়া রোগের বাহক হিসাবে জানা যায় তবে কী হবে?

স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে খবর, যদি কোনও প্রসূতি থ্যালাসেমিয়ার বাহক বলে জানা যায় তবে তাঁর স্বামীরও পরীক্ষা করা হবে। দুজনই থ্যালাসেমিয়ার বাহক হলে গর্ভস্থ ভ্রুণেরও এই পরীক্ষা করানো হবে। সেক্ষেত্রে তারও থ্যালাসেমিয়ার বিষয়টি প্রমাণিত হলে ওই দম্পতির কাউন্সেলিং করানো হবে। এরপর গর্ভপাতের ব্যাপারে তাঁদের বোঝানো হবে। মূলত আগামী প্রজন্মের কেউ যাতে থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত না হয় সেকারণেই এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এনিয়ে কর্মশালাও অনুষ্ঠিত হয়েছে স্বাস্থ্য়ভবনে। 

চিকিৎসকদের একাংশের মতে, এই রাজ্যেই অন্তত ১০-১৫ শতাংশ মানুষ থ্যালাসেমিয়ার বাহক। রাজ্যে প্রায় ১৮ হাজার থ্যালাসেমিয়া আক্রান্তকে রক্ত দিতে হয় নিয়মিত। সেক্ষেত্রে এটা অত্যন্ত কষ্টসাধ্য ও ব্যয় সাপেক্ষ। সেক্ষেত্রে নতুন করে কোনও বাড়িতে যাতে থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত কেউ না জন্মায় সেটাই নিশ্চিত করতে চাইছে সরকার। 

বন্ধ করুন