বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > KMC New building: পুরসভার নয়া ভবনের রঙ নীল-সাদার বদলে হল লালচে, দ্রুত সরানো হবে একাধিক বিভাগ

KMC New building: পুরসভার নয়া ভবনের রঙ নীল-সাদার বদলে হল লালচে, দ্রুত সরানো হবে একাধিক বিভাগ

পুরসভার নয়া ভবনের রঙ নীল-সাদার বদলে হল লালচে, দ্রুত সরানো হবে একাধিক বিভাগ

যে নয়া ভবনটি তৈরি হয়েছে নিউ মার্কেটের চ্যাপলিন স্কোয়ারের সেই জায়গাটি হেরিটেজ এলাকার মধ্যে পড়ে। তাই নিয়ম মেনে এই বাড়ির রঙ লালচে করা হয়েছে। আর বর্ডার করা হয়েছে হলুদ রঙের। চ্যাপলিন স্কোয়ারে নবনির্মিত এই ভবনটি হল চার তলার। 

চ্যাপলিন সিনেমা হল ভেঙে সেখানে তৈরি হয়েছে কলকাতা পুরসভার নতুন ভবন। কয়েক দিনের মধ্যেই পৌরসভার একাধিক বিভাগ স্থানান্তর করা হবে এই নয়া ভবনে। এর জন্য জোর তৎপরতা চলছে কলকাতা পুরসভায়। তবে নতুন যে ভবনে রঙ করা হয়েছে তা নীল-সাদা নয়, তার পরিবর্তে করা হয়েছে লালচে রঙের। এই অবস্থায় কেন ভবনটির রঙ নীল-সাদা হল না? তাই নিয়ে বিভিন্ন মহলে উঠেছে প্রশ্ন। 

আরও পড়ুন: ‘‌শহরে পানীয় জলের সংকট মেটাতে কাজ করছি’‌, আগামী ২৫ বছরের পরিকল্পনায় মেয়র‌

পুরসভা সূত্রে জানা যাচ্ছে, যে নয়া ভবনটি তৈরি হয়েছে নিউ মার্কেটের চ্যাপলিন স্কোয়ারের সেই জায়গাটি হেরিটেজ এলাকার মধ্যে পড়ে। তাই নিয়ম মেনে এই বাড়ির রঙ লালচে করা হয়েছে। আর বর্ডার করা হয়েছে হলুদ রঙের। চ্যাপলিন স্কোয়ারে নবনির্মিত এই ভবনটি হল চার তলার। গোটা ভবনটির রঙ লালচে হলেও শুধুমাত্র লোহার রেলিং এবং গেটের রং নীল-সাদা করা হয়েছে। 

এ বিষয়ে পুরসভার হেরিটেজ বিভাগের এক আধিকারিক জানান, যেহেতু ওই এলাকাটি ঐতিহ্যপূর্ণ তাই অন্যান্য সরকারি ভবনের মতো নতুন ভবনের রঙ নীল-সাদা করা যায়নি। হেরিটেজ নিয়ম মেনেই এই ভবনের রঙ লালচে ও হলুদ করা হয়েছে। যদিও পুরসভার অনেকেই ভেবেছিলেন যে নয়া ভবনটির রঙ অন্যান্য সরকারি ভবনের মতোই নীল- সাদা করা হবে।হেরিটেজ বিভাগের আধিকারিক জানান, হেরিটেজ আইন অনুযায়ী কাজ করা হয়েছে। সেই অনুযায়ী পুরসভার নয়া ভবনের রঙ রাখা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, দেশের সবচেয়ে পুরনো সিনেমা হল গুলির মধ্যে অন্যতম ছিল চ্যাপলিন সিনেমা হল। তবে সময়ের সঙ্গেসঙ্গে সেই সিনেমা হল বন্ধ হয়ে যায়। পরে পুরসভায় বিভিন্ন দফতরের জন্য জায়গা কম থাকায় ওই থিয়েটার ভেঙে সেখানে বহুতল নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছিল। তবে ২০১৬ ভবনটির নির্মাণ কাজ আটকে যায়। খরচ বৃদ্ধির কারণে আগের ওই নিমার্ণে যুক্ত ঠিকাদারের সঙ্গে চুক্তি বাতিল করেছিল পুরসভা। পরে অন্য একটি সংস্থাকে কাজের বরাত দেওয়া হয়। সেই কাজ প্রায় শেষ। জানা গিয়েছে, পুরসভার মূল ভবনে একাধিক বিভাগের অফিস রয়েছে। তারমধ্যে এই ভবনে স্বাস্থ্য, অর্থ ও পানীয় জল সরবরাহ-সহ বেশ কয়েকটি বিভাগ স্থানান্তরিত করা হতে পারে। এছাড়াও, সম্পত্তি কর, জন্ম ও মৃত্যু শংসাপত্র দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগের কিছুটা অংশও স্থানান্তরিত করা হতে পারে।

বাংলার মুখ খবর

Latest News

‘‌এটা বাংলা-দেশের অস্তিত্ব রক্ষার সভা’‌, প্রস্তুতি দেখে ধর্মতলায় বার্তা মমতার বাংলাদেশে মহিলা T20 WC-এর নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন, পরিস্থিতিতে চোখ রাখছে ICC হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে পরিচালক অনিন্দিতা সর্বাধিকারী, হল অস্ত্রোপচার আগামিকাল কেমন কাটবে আপনার? ভাগ্য থাকবে কি পাশে? জানুন ২১ জুলাইয়ের রাশিফল NEET-র প্রশ্নফাঁসের ‘অলরাউন্ডার’, সেই ইঞ্জিনিয়ারকে ধরল CBI, জালে ২ MBBS পড়ুয়াও 'বাংলা ছাড়া যাব কোথায়...' মুম্বইয়ে কাজ নিয়ে যা বললেন টোটা শ্লীলতাহানির অভিযোগ ভুয়ো, অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির রিপোর্ট প্রকাশ করে দাবি রাজভবনের Champions Trophy 2025-এ কোনও হাইব্রিড মডেল হবে না…ভারতকে সতর্ক করলেন মহসিন নাকভি 'মেয়েকে ছেড়ে থাকার কষ্ট,বলে বোঝাতে পারব না'! মন খারাপ অলিম্পিয়ান দীপিকা কুমারীর দুর্গাপুর বিমানবন্দরে বিনিয়োগ করছে জেএসডব্লিউ গ্রুপ, পরিকাঠামো গড়ে তুলতে উদ্যোগ

Copyright © 2024 HT Digital Streams Limited. All RightsReserved.