বাড়ি > বাংলার মুখ > কলকাতা > GST নিয়ে কেন্দ্রের অবস্থান এককেন্দ্রিক শাসনব্যবস্থার পদধ্বণী: অমিত মিত্র
অমিত মিত্র। ফাইল ছবি
অমিত মিত্র। ফাইল ছবি

GST নিয়ে কেন্দ্রের অবস্থান এককেন্দ্রিক শাসনব্যবস্থার পদধ্বণী: অমিত মিত্র

  • অমিতবাবু বলেন, ‘ভগবানের নাম করে এককেন্দ্রিক শাসনব্যবস্থা প্রণয়নের চেষ্টা চলছে। যা কখনওই গ্রহণযোগ্য নয়।’ তিনি বলেন, বিজেপিশাসিত রাজ্যসহ ১৫টি বড় রাজ্য কেন্দ্রের এই প্রস্তাবের বিরোধিতা করেছে।

করোনা পরিস্থিতিতে জিএসটি ঘাটতি পূরণের জন্য রাজ্যগুলিকে ঋণ নিতে বলায় কেন্দ্রীয় সরকারের তুমুল সমালোচনা করলেন পশ্চিমবঙ্গের অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র। রবিবার এক ভার্চুয়াল সাংবাদিক বৈঠকে তিনি বলেন, এভাবে রাজ্যের আর্থিক স্বাস্থ্যের ক্ষতি করার পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর ক্ষতি করছে কেন্দ্রীয় সরকার। 

গত ২৭ অগাস্ট জিএসটি কাউন্সিলের ৪১তম বৈঠকে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ বলেছিলেন, করোনার জন্য অর্থনৈতিক মন্দা ‘ভগবানের মার’ (অ্যাক্ট অফ গড)। এদিন রাজ্যের অর্থমন্ত্রীকে নন্দন নিলেকানির এক বক্তব্যকে হাতিয়ার করে কটাক্ষ করে বলেন এটা ‘প্রতারকের মার’ (অ্যাক্ট অফ ফ্রড)।

অমিতবাবু বলেন, ‘ভগবানের নাম করে এককেন্দ্রিক শাসনব্যবস্থা প্রণয়নের চেষ্টা চলছে। যা কখনওই গ্রহণযোগ্য নয়।’ তিনি বলেন, বিজেপিশাসিত রাজ্যসহ ১৫টি বড় রাজ্য কেন্দ্রের এই প্রস্তাবের বিরোধিতা করেছে। তাদের দাবি, ধার করতে হলে কেন্দ্র করুক।

কেন্দ্রীয় সরকারের দাবি, GST-র ক্ষতিপূরণবাবদ রাজ্যগুলির প্রাপ্য ৩ লক্ষ কোটি টাকার মধ্যে ৬৫,০০০ কোটি টাকা লেভি বাবদ মিটিয়ে দেবে তারা। বাকি ২.৩৫ লক্ষ কোটি টাকার মধ্যে জিএসটি লাগু হওয়ায় ক্ষতির পরিমাণ ৯৭,০০০ কোটি টাকা। বাকি টাকা ক্ষতি হয়েছে করোনার কারণে। 

এই ক্ষতিপূরণ করতে রাজ্যগুলিকে ২টি রাস্তা দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। প্রথমত গোটা ২.৩৫ লক্ষ কোটি টাকাই সরাসরি ঋণ গ্রহণ। দ্বিতীয়ত, শুধুমাত্র GST বাবদ ক্ষতির অংশটুকু রিজার্ভ ব্যাঙ্কের সাহায্যে ঋণ গ্রহণের মাধ্যমে পূরণ। এই দুটি প্রস্তাবের কোনওটিতেই রাজি নয় রাজ্যগুলি। তাদের দাবি, টাকা দিতে পারছে না কেন্দ্র। ধার নিতে হলে তারা নিক। 

 

বন্ধ করুন