বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > যোগী রাজ্যে সংগঠন বাড়ানোর লক্ষ্যে তৃণমূল, ত্রিপুরাতেও লড়াই নিয়ে আলোচনা :সূত্র
যোগী রাজ্যে সংগঠন বাড়ানোর লক্ষ্যে তৃণমূল, ত্রিপুরাতেও লড়াই নিয়ে আলোচনা :সূত্র। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য পিটিআই)
যোগী রাজ্যে সংগঠন বাড়ানোর লক্ষ্যে তৃণমূল, ত্রিপুরাতেও লড়াই নিয়ে আলোচনা :সূত্র। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য পিটিআই)

যোগী রাজ্যে সংগঠন বাড়ানোর লক্ষ্যে তৃণমূল, ত্রিপুরাতেও লড়াই নিয়ে আলোচনা :সূত্র

সেক্ষেত্রে যাঁরা এখন মন্ত্রী আছেন, তাঁরা যদি জেলা সভাপতির পদে থাকেন, সেই পদে তাঁরা আর থাকতে পারবেন না বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে।

‌২০২৪ সালের লোকসভা ভোটকে সামনে রেখে সংগঠনে বড়সড় রদবদল করতে চলেছে তৃণমূল। ইতিমধ্যে একুশে জুলাইয়ের শহিদ দিবসের অনুষ্ঠান যাতে রাজ্যের বাইরে দেশের অন্যত্র পালিত হয়, সেই উদ্যোগ নিয়েছে ঘাসফুল শিবির। এবার দেশ জুড়ে সংগঠনকে যাতে ছড়িয়ে দেওয়া সেই লক্ষ্যেই নামছে তৃণমূল। পাশাপাশি এক ব্যক্তি এক পদ নীতিকে কার্যকর করতে চলেছে তৃণমূল নেতৃত্ব। সেই কারণেই সাংগঠনিক স্তরে দলের খোলনলচে বদল হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।|

আগামী লোকসভা ভোটে লড়াইয়ের ময়দানে নামার আগে উত্তরপ্রদেশ, ত্রিপুরায় ভোটে লড়ার ব্যাপারে আলোচনা শুরু হয়েছে দলের মধ্যে। উত্তরপ্রদেশের বরেলি, মোরাদাবাদ, আলিগড়, আগ্রা, গোরখপুর, আজমগড়, বারাণসী, মির্জাপুর, এলাহাবাদে তৃণমূলের কার্যালয় চালু হয়েছে। এই সব জায়গায় দল যাতে ভালো ফল করে, সেই লক্ষ্যেই দলের খোলনলচে এবার বদলাতে চাইছে তৃণমূল। এক্ষেত্রে দলের সব শাখা সংগঠনকে প্রয়োজনীয় নির্দেশ খুব তাড়াতাড়ি দলীয় নেতৃত্বের তরফে দেওয়া হবে জানা গিয়েছে। দলীয় সূত্রে খবর, যোগীর রাজ্যে কানপুর, বারাণসী-সহ আরও বহু জায়গায় অনেক প্রবাসী বাঙালি রয়েছেন। সেই সব বাঙালিদের এককাট্টা করতে ও তাঁদের সমস্যার কথা তুলে ধরতে আন্দোলনে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছে তৃণমূল নেতৃত্ব। সেই সঙ্গে প্রশাসনের উপরে চাপ সৃষ্টির কৌশল নেওয়া হয়েছে দলের তরফে। আগামী বছরের গোড়ার দিকে উত্তরপ্রদেশে বিধানসভার ভোট। তাই ওই রাজ্যে এখন থেকে দলের প্রসার ঘটানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ক্রমশ বিজেপি শাসিত অন্য রাজ্যেও সংগঠন গড়ে তোলা হবে বলে দলীয় সূত্রে খবর।

আগামী লোকসভা ভোটে লড়াইয়ের ময়দানে নামার আগে উত্তরপ্রদেশ, ত্রিপুরায় ভোটে লড়ার ব্যাপারে আলোচনা শুরু হয়েছে দলের মধ্যে। উত্তরপ্রদেশের বরেলি, মোরাদাবাদ, আলিগড়, আগ্রা, গোরখপুর, আজমগড়, বারাণসী, মির্জাপুর, এলাহাবাদে তৃণমূলের কার্যালয় চালু হয়েছে। এই সব জায়গায় দল যাতে ভালো ফল করে, সেই লক্ষ্যেই দলের খোলনলচে এবার বদলাতে চাইছে তৃণমূল। এক্ষেত্রে দলের সব শাখা সংগঠনকে প্রয়োজনীয় নির্দেশ খুব তাড়াতাড়ি দলীয় নেতৃত্বের তরফে দেওয়া হবে জানা গিয়েছে। দলীয় সূত্রে খবর, যোগীর রাজ্যে কানপুর, বারাণসী-সহ আরও বহু জায়গায় অনেক প্রবাসী বাঙালি রয়েছেন। সেই সব বাঙালিদের এককাট্টা করতে ও তাঁদের সমস্যার কথা তুলে ধরতে আন্দোলনে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছে তৃণমূল নেতৃত্ব। সেই সঙ্গে প্রশাসনের উপরে চাপ সৃষ্টির কৌশল নেওয়া হয়েছে দলের তরফে। আগামী বছরের গোড়ার দিকে উত্তরপ্রদেশে বিধানসভার ভোট। তাই ওই রাজ্যে এখন থেকে দলের প্রসার ঘটানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ক্রমশ বিজেপি শাসিত অন্য রাজ্যেও সংগঠন গড়ে তোলা হবে বলে দলীয় সূত্রে খবর।|#+|

এদিকে তৃণমূলে এক ব্যক্তি, এক পদ নীতিকেও পুরোদমে কার্যকর করা হবে বলে জানা গিয়েছে। এই কারণে দলীয় স্তরে বড়সড় রদবদল করা হবে জানা গিয়েছে। সেক্ষেত্রে যাঁরা এখন মন্ত্রী আছেন, তাঁরা যদি জেলা সভাপতির পদে থাকেন, সেই পদে তাঁরা আর থাকতে পারবেন না বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে। পাশাপাশি যাঁরা ভোটের সময়ে দলের ভিতরে থেকেও বিভিন্ন চক্রান্ত করেছেন বলে অভিযোগ, তাঁদের নিয়েও সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে। একজনকে অপসারণ করে অন্যজন দায়িত্বে এলে স্বাভাবিকভাবেই দলের মধ্যে ক্ষোভ বিক্ষোভ তৈরি হতে পারে। এই বিষয়টিকেও দলীয় নেতৃত্ব মাথায় রাখছে। সেক্ষেত্রে অপসারিত ব্যক্তি যদি যোগ্য হন, সেক্ষেত্রে সেই ব্যক্তি যাতে নিজেকে বঞ্চিত না মনে করেন, সেই বিষয়টিও মাথায় রাখা হচ্ছে।

থায় রাখা হচ্ছে।

বন্ধ করুন