বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > বাবু মাস্টারের গ্রেফতারির পর একে অপরের বিরুদ্ধে আক্রমণে তৃণমূল ও বিজেপি
বাবু মাস্টারকে আদালতে পেশ করছে পুলিশ।
বাবু মাস্টারকে আদালতে পেশ করছে পুলিশ।

বাবু মাস্টারের গ্রেফতারির পর একে অপরের বিরুদ্ধে আক্রমণে তৃণমূল ও বিজেপি

  • তবে গত ২৭ অক্টোবর হঠাৎই বিজেপি ছাড়ার ঘোষণা করেন বাবু মাস্টার। এর পর তিনি বলেন, ‘বিজেপিতে যোগদান করা ভুল হয়েছিল।

গ্রেফতারির পর কুখ্যাত দুষ্কৃতী বাবু মাস্টার ওরফে ফিরোজ কামাল গাজির দায় নিয়ে চাপানউতোর শুরু হল বিজেপি ও তৃণমূলের মধ্যে। বিজেপির দাবি, দলে নেওয়া হলেও আগেই বিজেপি ছেড়েছেন তিনি। তৃণমূলের দাবি, দুষ্কৃতীদের দলে কোনও জায়গা নেই।

২০২১ এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন বাবু মাস্টার। ফেব্রুয়ারিতে যখন ভোটপ্রচার চরমে তখন বসিরহাটে আক্রান্ত হন বাবু মাস্টার। বোমা বন্দুক নিয়ে তাঁর ওপর দুষ্কৃতীরা হামলা চালায় বলে অভিযোগ। এর পর বাবু মাস্টারকে ওয়াই শ্রেণির নিরাপত্তা দেয় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র দফতর। হামলার প্রায় ১ মাস পর বাড়ি ফেরেন তিনি।

তবে গত ২৭ অক্টোবর হঠাৎই বিজেপি ছাড়ার ঘোষণা করেন বাবু মাস্টার। এর পর তিনি বলেন, ‘বিজেপিতে যোগদান করা ভুল হয়েছিল। বিজেপিতে প্রথম থেকেই মানিয়ে নিতে পারছিলাম না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যাই সারা ভারতের নেত্রী। তবে তৃণমূল তাঁকে দলে নেয়নি।’

শুক্রবার রাতে বিধাননগরে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনের সামনে বাবু মাস্টারকে অস্ত্রসহ গ্রেফতার করে পুলিশ। তার কাছে উদ্ধার হয়েছে আগ্নেয়াস্ত্র ও কার্তুজ। বাবু মাস্টারের ২ সঙ্গীকেও গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এই ঘটনার পর বাবু মাস্টারের দায় নিয়ে চাপানউতোর শুরু হয়েছে তৃণমূল ও বিজেপি।

শনিবার সকালে বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘বাবু মাস্টারকে দলে নেওয়া হয়েছিল একথা ঠিক। তবে উনি দলে টিকতে পারেননি। এই ধরণের মানুষ আমাদের দলে টিকতে পারেন না।’

গ্রেফতারির পর কুখ্যাত দুষ্কৃতী বাবু মাস্টার ওরফে ফিরোজ কামাল গাজির দায় নিয়ে চাপানউতোর শুরু হল বিজেপি ও তৃণমূলের মধ্যে। বিজেপির দাবি, দলে নেওয়া হলেও আগেই বিজেপি ছেড়েছেন তিনি। তৃণমূলের দাবি, দুষ্কৃতীদের দলে কোনও জায়গা নেই।

২০২১ এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন বাবু মাস্টার। ফেব্রুয়ারিতে যখন ভোটপ্রচার চরমে তখন বসিরহাটে আক্রান্ত হন বাবু মাস্টার। বোমা বন্দুক নিয়ে তাঁর ওপর দুষ্কৃতীরা হামলা চালায় বলে অভিযোগ। এর পর বাবু মাস্টারকে ওয়াই শ্রেণির নিরাপত্তা দেয় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র দফতর। হামলার প্রায় ১ মাস পর বাড়ি ফেরেন তিনি।

তবে গত ২৭ অক্টোবর হঠাৎই বিজেপি ছাড়ার ঘোষণা করেন বাবু মাস্টার। এর পর তিনি বলেন, ‘বিজেপিতে যোগদান করা ভুল হয়েছিল। বিজেপিতে প্রথম থেকেই মানিয়ে নিতে পারছিলাম না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যাই সারা ভারতের নেত্রী। তবে তৃণমূল তাঁকে দলে নেয়নি।’

শুক্রবার রাতে বিধাননগরে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনের সামনে বাবু মাস্টারকে অস্ত্রসহ গ্রেফতার করে পুলিশ। তার কাছে উদ্ধার হয়েছে আগ্নেয়াস্ত্র ও কার্তুজ। বাবু মাস্টারের ২ সঙ্গীকেও গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এই ঘটনার পর বাবু মাস্টারের দায় নিয়ে চাপানউতোর শুরু হয়েছে তৃণমূল ও বিজেপি।

শনিবার সকালে বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘বাবু মাস্টারকে দলে নেওয়া হয়েছিল একথা ঠিক। তবে উনি দলে টিকতে পারেননি। এই ধরণের মানুষ আমাদের দলে টিকতে পারেন না।’

|#+|

পালটা তৃণমূলের বারাসত সাংগঠনিক জেলার সভাপতি জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক বলেন, ‘বাবু মাস্টারকে তৃণমূল আগেই বহিষ্কার করেছিল। এই ধরণের দুষ্কৃতীদের তৃণমূলে জায়গা নেই। বিজেপিই ওকে দলে নিয়ে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা দিয়েছিল।’

আপাতত বাবু মাস্টারকে হেফাজতে নিয়ে অস্ত্র নিয়ে ঘুরে বেড়ানোর কারণ জানার চেষ্টায় রয়েছেন তদন্তকারীরা।

 

বন্ধ করুন