বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের তালিকা কাটছাঁটে কেন্দ্রকে একযোগে নিশানা বাম ও তৃণমূলের
প্রতীকি ছবি
প্রতীকি ছবি

অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের তালিকা কাটছাঁটে কেন্দ্রকে একযোগে নিশানা বাম ও তৃণমূলের

  • পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় বাম পরিষদীয় দলনেতা সুজন চক্রবর্তী বলেন, ‘অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের তালিকা থেকে এই পণ্যগুলিকে বাদ দেওয়ায় এর দাম ও যোগানের কোনও দায়িত্ব আর সরকারের ওপর রইল না। এর ফলে সাধারণ মানুষের বিপদ বাড়বে।

অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের তালিকা থেকে আলু, পেঁয়াজ, ডাল-সহ একাধিক নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীকে বাদ দেওয়ায় মোদী সরকারের বিরুদ্ধে একযোগে সরব হল তৃণমূল ও সিপিএম। মঙ্গলবার রাজ্যসভায় পাশ হয়েছে এই বিল। বাম ও তৃণমূলের দাবি, এর ফলে মানুষের ন্যায্য মূলে খাবার পাওয়ার অধিকার ক্ষুণ্ণ হতে চলেছে। 

কৃষি বিল পাশের প্রতিবাদে মঙ্গলবার কলকাতায় গান্ধীমূর্তির পাদদেশে বিক্ষোভে সামিল হয় তৃণমূল মহিলা কংগ্রেস। সেখানেই দলের নেত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বলেন, ‘কেন্দ্রীয় সরকারের সমস্ত পদক্ষেপ জনবিরোধী, দেশের মানুষের বিরোধী। এই বিল পাশ হওয়ায় আলু, পেঁয়াজ, ডাল, তৈলবীজের বাজারের ওপর সরকার নিয়ন্ত্রণ তুলে দিল। অথচ এই জিনিসগুলি মানুষের রোজ লাগে। সেগুলির নিয়ন্ত্রণ সরাসরি বাজারের হাতে চলে গেল।‘ 

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় বাম পরিষদীয় দলনেতা সুজন চক্রবর্তী বলেন,  ‘অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের তালিকা থেকে এই পণ্যগুলিকে বাদ দেওয়ায় এর দাম ও যোগানের কোনও দায়িত্ব আর সরকারের ওপর রইল না। এর ফলে সাধারণ মানুষের বিপদ বাড়বে। বিজেপির সহযোগী দলগুলিও এতে আপত্তি করছে। রাজ্যসভায় ওরা সংখ্যাগরিষ্ঠ না হলেও গায়ের জোরে বিল পাশ করানো হচ্ছে। বিজেপির নীতি হল আদানি, আম্বানিরাই সব ক্ষেত্রে ব্যবসা করবে। তাদের কথা মতো চলতে হবে। বিজেপির এই নীতির ফলে মানুষের খাদ্যের অধিকার ও কৃষকের অধিকারকে পদদলিত করা হচ্ছে।‘

যদিও কেন্দ্রের দাবি, কোনও জিনিসকে অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের তালিকা থেকে বাদ দিলেও যে কোনও সময় তা সংযোজিত করা যায়। চলতি মরশুমে বর্ষা ভাল হয়েছে। তাই কৃষিপণ্যের যোগানে টান পড়ার সম্ভাবনা নেই। উলটে এই সব পণ্যকে তালিকাভুক্ত রাখলে মজুতদারি বাড়তে পারে।

 

বন্ধ করুন