বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > ‘‌আপনি তো সব ঘেঁটে দিয়ে চলে গেলেন’‌, ভোটারের মুখ থেকে শুনলেন সব্যসাচী
সব্যসাচী দত্ত।
সব্যসাচী দত্ত।

‘‌আপনি তো সব ঘেঁটে দিয়ে চলে গেলেন’‌, ভোটারের মুখ থেকে শুনলেন সব্যসাচী

  • রবিবাসরীয় দুপুরে ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে প্রচারে বেরিয়েছিলেন সব্যসাচী দত্ত।

বিজেপিতে গিয়েছিলেন একুশের নির্বাচনের আগে। তৃণমূল কংগ্রেসে ফিরে এলেন একুশের নির্বাচনের ফলাফলের পর। এবার বিধাননগর পুরসভার নির্বাচনে তিনি টিকিটও পেয়েছেন। করছেন প্রচারও। হ্যাঁ, তিনি সব্যসাচী দত্ত। আর এই প্রচারপর্বেই তাঁকে পড়তে হল ভোটারের প্রশ্নের ইয়র্কারে। আর তাতেই বেসামাল হয়ে পড়লেন একদা বিধাননগর পুরসভার মেয়র। রবিবাসরীয় দুপুরে ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে প্রচারে বেরিয়েছিলেন সব্যসাচী দত্ত। সেখানেই এক ভোটার তাঁকে দেখে বলেন, ‘‌কী করলেন দাদা, আপনি তো সব ঘেঁটে দিয়ে চলে গেলেন।’‌

আচমকা এমন ইয়র্কার লেন্থে বল আসবে ভাবতে পারেননি সব্যসাচী। আবার ভোটার এখন ভগবান। তাই বেশি কিছু বলা যাচ্ছে না। তাই সমস্তটাই হজম করতে হল তাঁকে। এদিন তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হয়, বিজেপি ত্যাগের আসল কারণ কী?‌ উত্তরে সব্যসাচী দত্ত বলেন, ‘‌দূর থেকে চাঁদ দেখতে সবারই ভালো লাগে। আমি প্রচার সেইভাবে করি না। এখানে ব্লক অ্যাসোসিয়েশনের লোকেরাই মূল উদ্যোগী। অবাঙালি ভোট এখানে বড় ফ্যাক্টর। বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি ভালো লিড পেয়েছিল। তখন বিজেপিতে আর এখন তৃণমূল কংগ্রেসে। তাই মানুষকে একটু বোঝাতে হচ্ছে। কেউ কেউ ক্ষোভের সুরে বলছেন।’‌

উল্লেখ্য, বিধাননগর পুরসভার নির্বাচনে নজরকাড়া ওয়ার্ড ৩১ নম্বর। কারণ, এখানে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে সব্যসাচী দত্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ২০১৫ সালে সব্যসাচী বিধাননগর পুরসভার মেয়র ছিলেন। আর ৩১ নম্বর ওয়ার্ড তাঁর খাসতালুক। তাই এবার ছুটির দিনে মেজাজে বেরিয়ে পড়েছিলেন প্রচারে। কিন্তু সেখানেই তাঁকে শুনতে হল এমন কথা। যদিও সব্যসাচী তা নিয়েছেন স্পোর্টিংলি।

গত ৮ অক্টোবর রাজ্য বিধানসভায় মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ঘরে গিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন সব্যসাচী দত্ত। বিজেপিকে সেফ হোম হিসাবে গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু তারপর সেখানে মোহভঙ্গ হতেই তিনি ফিরে আসেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শপথের দিনই পুরনো দলে ফেরেন সব্যসাচী দত্ত। দমকলমন্ত্রী সুজিত বসুর সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক চর্চিত বিষয়। তারপরও টিকিট পেয়েছেন সব্যসাচী।

বন্ধ করুন