বাড়ি > বাংলার মুখ > কলকাতা > পাখির চোখ বিধানসভা ভোটে, কলকাতা পুর এলাকায় ওয়ার্ড সভাপতি বাছল তৃণমূল
তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (ফাইল ছবি, সৌজন্য পিটিআই)
তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (ফাইল ছবি, সৌজন্য পিটিআই)

পাখির চোখ বিধানসভা ভোটে, কলকাতা পুর এলাকায় ওয়ার্ড সভাপতি বাছল তৃণমূল

  • আগামী বছর বিধানসভা ভোটের প্রস্তুতি পর্বে ওয়ার্ড সভাপতিরা দলের সাংগঠনিক কাজকর্ম সামলাবেন।

আগামী বছর বিধানসভা ভোটের কথা মাথায় রেখে রাজ্য ও জেলাস্তরের সংগঠনে একাধিক রদবদল হয়েছে। এবার কলকাতা পুরনিগম এলাকার ওয়ার্ড সভাপতিদের বেছে দিল তৃণমূল কংগ্রেস। রবিবার তাঁদের নামে অনুমোদন দিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

কলকাতা পুরবোর্ডের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় পুরসভার বিদায়ী কাউন্সিলররা কো-অর্ডিনেটররা হিসেবে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। আর বিধানসভা ভোটের প্রস্তুতির বিষয়টি বিবেচনা করে সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড সভাপতিদের উপরেই দলের সাংগনিক দায়ভার ন্যস্ত করছে তৃণমূল। ফলে আসন্ন 'ফাইনালে' ওয়ার্ড সভাপতিদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে। তবে এখনও কয়েকটি ওয়ার্ডে সভাপতিদের নামে তৃণমূল সুপ্রিমো চূড়ান্ত অনুমোদন দেননি বলে দলীয় সূত্রে খবর।

এমনিতেই আগামী বছরের ভোটের জন্য দলের সংগঠনে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন করেছে ঘাসফুল শিবির। বিশেষত নীচুতলার সংগঠনে আরও জোর দেওয়া হচ্ছে। সেজন্য জেলা থেকে ইতিমধ্যে প্রস্তাব এসেছে। তা খতিয়ে দেখছে রাজ্য নেতৃত্ব। তৃণমূল সূত্রে খবর, বিধায়ক, সাংসদের মতো দলের জনপ্রতিনিধিদের মত নেওয়ার পাশাপাশি দলীয় কর্মীদের মতামতও বিবেচনা করা হচ্ছে।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, সুপ্রিমোর হুঁশিয়ারি সত্ত্বেও রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে তৃণমূলের 'গোষ্ঠীকোন্দল'-এর খবর এসেছে। তা নিয়ে বারেবারে অস্বস্তিতে পড়তে হয়েছে দলকে। যা বিধানসভা ভোটের আগে তৃণমূলের কাছে বড়সড় মাথাব্যথার কারণ হতে পারে। সেজন্য 'গোষ্ঠীকোন্দল'-এ রাশ টানতে নীচুতলার সংগঠনের ক্ষেত্রে বাড়তি জোর দেওয়া হতে পারে বলে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মত।

বন্ধ করুন