বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > পুরসভা নির্বাচনের প্রচারে রাখা যাবে না অপরিচিতদের, ফরমান জারি করল তৃণমূল
তৃণমূল কংগ্রেস। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য এএনআই)

পুরসভা নির্বাচনের প্রচারে রাখা যাবে না অপরিচিতদের, ফরমান জারি করল তৃণমূল

  • গত ২৬ নভেম্বর তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হয়েছিল। সেখানে ৮৯ জন বিদায়ী কো–অর্ডিনেটরকে টিকিট দিয়েছে ঘাসফুল শিবির। আর নতুন প্রার্থী ৫৫ জন।

আগামী ১৯ ডিসেম্বর কলকাতা পুরসভার নির্বাচন। তাই প্রচার এখন মধ্যগগনে। হাতে সময় বলতে আর পাঁচদিন। অর্থাৎ ১৭ ডিসেম্বর প্রচারের শেষদিন। এই অবস্থায় তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে নতুন প্রার্থীদের ফরমান জারি করা হল। সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে ‘অপরিচিত’ কাউকে প্রচারে নেওয়া যাবে না। গত ২৬ নভেম্বর তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হয়েছিল। সেখানে ৮৯ জন বিদায়ী কো–অর্ডিনেটরকে টিকিট দিয়েছে ঘাসফুল শিবির। আর নতুন প্রার্থী ৫৫ জন।

এই নতুন প্রার্থীদের উদ্দেশ্যে এমন ফরমান জারি হয়েছে। কেন এই ফরমান জারি হল?‌ দলীয় সূত্রে খবর, বেশ কয়েকজন নতুন প্রার্থী প্রচারে আত্মীয়–স্বজন, বন্ধুবান্ধব এবং দলের অপরিচিতদের নিয়ে যাচ্ছেন। যা নজরে এসেছে দলের শীর্ষনেতাদের। এমনকী কয়েকটি অভিযোগও নাকি জমা পড়েছে। তারপরই তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সী কলকাতা জেলার দুই সভাপতিকে দিয়ে নতুন প্রার্থীদের কাছে নির্দেশ পাঠিয়ে দিয়েছেন। সেখানে স্পষ্ট করে উল্লেখ করা হয়েছে, কোনও ‘অপরিচিত’ মুখকে প্রচারে, মিছিলে, পথসভায় যেন দেখা না যায়।

সম্প্রতি পুরসভা নির্বাচন নিয়ে প্রার্থীদের সঙ্গে দক্ষিণ কলকাতার মহারাষ্ট্র নিবাস হলে বৈঠক করেন রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সী। সেখানে কিছু নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু লিখিত যে অভিযোগ তাঁর কাছে জমা পড়েছে সেটা হল, এই অপরিচিতদের মধ্যে এমন কিছু মানুষ থাকছেন যাঁদের ভাবমূর্তি সমাজের বুকে ভালো নয়। ফলে দলের বদনাম হচ্ছে।

আগামী ১৯ ডিসেম্বর কলকাতা পুরসভার নির্বাচন। তাই প্রচার এখন মধ্যগগনে। হাতে সময় বলতে আর পাঁচদিন। অর্থাৎ ১৭ ডিসেম্বর প্রচারের শেষদিন। এই অবস্থায় তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে নতুন প্রার্থীদের ফরমান জারি করা হল। সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে ‘অপরিচিত’ কাউকে প্রচারে নেওয়া যাবে না। গত ২৬ নভেম্বর তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হয়েছিল। সেখানে ৮৯ জন বিদায়ী কো–অর্ডিনেটরকে টিকিট দিয়েছে ঘাসফুল শিবির। আর নতুন প্রার্থী ৫৫ জন।

এই নতুন প্রার্থীদের উদ্দেশ্যে এমন ফরমান জারি হয়েছে। কেন এই ফরমান জারি হল?‌ দলীয় সূত্রে খবর, বেশ কয়েকজন নতুন প্রার্থী প্রচারে আত্মীয়–স্বজন, বন্ধুবান্ধব এবং দলের অপরিচিতদের নিয়ে যাচ্ছেন। যা নজরে এসেছে দলের শীর্ষনেতাদের। এমনকী কয়েকটি অভিযোগও নাকি জমা পড়েছে। তারপরই তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সী কলকাতা জেলার দুই সভাপতিকে দিয়ে নতুন প্রার্থীদের কাছে নির্দেশ পাঠিয়ে দিয়েছেন। সেখানে স্পষ্ট করে উল্লেখ করা হয়েছে, কোনও ‘অপরিচিত’ মুখকে প্রচারে, মিছিলে, পথসভায় যেন দেখা না যায়।

সম্প্রতি পুরসভা নির্বাচন নিয়ে প্রার্থীদের সঙ্গে দক্ষিণ কলকাতার মহারাষ্ট্র নিবাস হলে বৈঠক করেন রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সী। সেখানে কিছু নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু লিখিত যে অভিযোগ তাঁর কাছে জমা পড়েছে সেটা হল, এই অপরিচিতদের মধ্যে এমন কিছু মানুষ থাকছেন যাঁদের ভাবমূর্তি সমাজের বুকে ভালো নয়। ফলে দলের বদনাম হচ্ছে।|#+|

তৃণমূল কংগ্রেস সূত্রে খবর, এই পুরসভা নির্বাচনে এমন ব্যক্তিদের হদিশ মিলেছে। যাঁরা সেই ছবি সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে ব্যবহার করেছেন। সেইসব নথি জমা পড়ে রাজ্য সভাপতির কাছে। এই ছবি ব্যবহার করে অনেকে ফায়দা তুলতে পারেন। সেই পথ আটকাতেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। এই অপরিচিতদের জন্য প্রার্থীরা সমস্যায় পড়তে পারেন। এমন অনেকে থাকছেন যাঁদের প্রার্থীরাও চেনেন না। তাই আর অপরিচিত কাউকে প্রচারে রাখা যাবে না বলেই নির্দেশ জারি হল।

এই বিষয়ে উত্তর কলকাতা জেলা তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি তাপস রায় এবং দক্ষিণ কলকাতা জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি দেবাশিস কুমার বলেছেন, ‘নির্বাচনের সময় প্রার্থীদের অপরিচিত লোকেদের সঙ্গে কথা বলা বা মেলামেশার খুব বেশি প্রয়োজন নেই। প্রচার–পর্বে তো নয়ই। প্রয়োজন যদি থাকে তাহলে তা নির্বাচনের পর দেখা যাবে।’

বন্ধ করুন