বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > Vice President Election: ভোটদানে বিরত থাকুন, উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে শিশির–দিব্যেন্দুকে চিঠি তৃণমূলের
শিশির অধিকারী এবং দিব্যেন্দু অধিকারী। ছবি সৌজন্য–এএনআই।

Vice President Election: ভোটদানে বিরত থাকুন, উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে শিশির–দিব্যেন্দুকে চিঠি তৃণমূলের

  • আজীবন কংগ্রেসি রাজনীতি করেছেন। এখন বয়স ৮০ বছর। মার্গারেটের জন্ম কর্ণাটকের ম্যাঙ্গালোরে। সিলিকন ভ্যালির মাউন্ট কার্মেল কলেজের স্নাতক এবং সরকারি ল’ কলেজের আইন ডিগ্রি রয়েছে তাঁর। ১৯৬৯ সালে রাজনীতির ময়দানে পা রাখেন মার্গারেট। ১৯৭৫–৭৭ পর্যন্ত ছিলেন কংগ্রেসের সর্বভারতীয় যুগ্ম সম্পাদক।

আজ, শনিবার শুরু হচ্ছে উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচন। আর নির্বাচনের ঠিক আগের রাতে চিঠি পাঠিয়ে দুই সাংসদকে এই নির্বাচনে ভোটদান থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। সাংসদ শিশির অধিকারী এবং দিব্যেন্দু অধিকারীর রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। যদিও বাবা শিশির আগেই জানিয়েছিলেন তিনি ভোট দিচ্ছেন না। আর দিব্যেন্দুর বক্তব্য ছিল, এখনও তিনি কিছু ঠিক করেননি। তবে ক্রস ভোটিংয়ের সম্ভাবনার দিকে তাকিয়ে শুভেন্দু অধিকারীর বাবা এবং ভাইকে চিঠি পাঠিয়ে সতর্ক করল তৃণমূল কংগ্রেস। কারণ এখনও তাঁরা তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ।

কাদের মধ্যে এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা?‌ উপরাষ্ট্রপতি হিসেবে বেঙ্কাইয়া নাইডুর মেয়াদ শেষ হচ্ছে। তাই নয়া উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রয়োজন হয়ে পড়েছে। নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন এনডিএ পক্ষের প্রার্থী জগদীপ ধনখড় এবং অবিজেপি জোট প্রার্থী মার্গারেট আলভা। এখানে তৃণমূল কংগ্রেস কোনও পক্ষ নেয়নি। বরং নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখেছেন। আর দলের এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে দুই সাংসদকে চিঠি দেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর।

ঠিক কী বলেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়?‌ এই বিষয়ে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘‌শেষ মুহূর্তে মার্গারেট আলভার নাম বিরোধীপক্ষের প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়। যে দলের ৩৫ জন সাংসদ রয়েছে, সেই দলের সঙ্গে সঠিকভাবে আলোচনা না করেই সিদ্ধান্ত হয়েছে।’‌ তাই প্রতিবাদে সর্বসম্মতিক্রমে উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রক্রিয়ায় অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় তৃণমূল কংগ্রেস। দলের নির্দেশ মেনে উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দানে বিরত থাকুন বলে শিশির–দিব্যেন্দু অধিকারীকে চিঠি লিখে জানালেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়।

কেমন প্রার্থী মার্গারেট আলভা?‌ আজীবন কংগ্রেসি রাজনীতি করেছেন। এখন বয়স ৮০ বছর। মার্গারেটের জন্ম কর্ণাটকের ম্যাঙ্গালোরে। সিলিকন ভ্যালির মাউন্ট কার্মেল কলেজের স্নাতক এবং সরকারি ল’ কলেজের আইন ডিগ্রি রয়েছে তাঁর। ১৯৬৯ সালে রাজনীতির ময়দানে পা রাখেন মার্গারেট। ১৯৭৫–৭৭ পর্যন্ত ছিলেন কংগ্রেসের সর্বভারতীয় যুগ্ম সম্পাদক। ১৯৭৮–৮০ পর্যন্ত সামলেছেন কর্ণাটক প্রদেশ কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব। ১৯৭৪ সালে প্রথমবার রাজ্যসভার সাংসদ হন মার্গারেট আলভা। পরবর্তীকালে একাধিকবার সেখানে পুনর্নির্বাচিত হন। ২০০৪ সালে উত্তরা কান্নাডা লোকসভা আসনের সাংসদ নির্বাচিত হন। রাজীব গান্ধীর জমানায় ছিলেন মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী।

আর জগদীপ ধনখড় কেমন প্রার্থী?‌ রাজনীতিতে তাঁর উত্থান উল্কার গতিতে। ১৯৮৯ সালে সংসদীয় রাজনীতিতে পা রাখেন জগদীপ ধনখড়। জনতা দলের হয়ে রাজস্থানের ঝুনঝুনি থেকে সাংসদ হন তিনি। তার পরের বছরই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবং সংসদীয় কমিটির সদস্য। ১৯৯৩–৯৮ পর্যন্ত ছিলেন বিধায়ক। কিষানগড় থেকে জিতে রাজস্থান বিধানসভায় গিয়েছিলেন ধনখড়। পরে আসেন বিজেপিতে। ২০১৯ সালের ৩০ জুলাই বাংলার রাজ্যপাল। তারপর ২০২২ সালে উপরাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী।

বন্ধ করুন