বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > 'মার খাওয়ার ভয়ে আমফানের পর বেরোতে পারেননি', এবার দক্ষিণ কলকাতায় তৃণমূলে 'ক্ষোভ'
জুঁই বিশ্বাস। (ছবি সৌজন্য ফেসবুক)
জুঁই বিশ্বাস। (ছবি সৌজন্য ফেসবুক)

'মার খাওয়ার ভয়ে আমফানের পর বেরোতে পারেননি', এবার দক্ষিণ কলকাতায় তৃণমূলে 'ক্ষোভ'

  • ‘বিদ্রোহ’-এর আঁচ কি এবার দক্ষিণ কলকাতায়?

‘বিদ্রোহ’-এর আঁচ কি এবার দক্ষিণ কলকাতায়? দলের এক শ্রেণির নেতাদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের বিদায়ী কাউন্সিলর জুঁই বিশ্বাস। দাবি করলেন, অনেক নেতাই ভোটের সময় আসেন। তারপর আর খোঁজ পাওয়া যায় না।

তৃণমূলের প্রতিষ্ঠা দিবসে একটি ভাইরাল ভিডিয়োয় (সত্যতা যাচাই করেনি ‘হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা’) কলকাতা পুরনিগমের ৮১ নম্বর ওয়ার্ডের বিদায়ী কাউন্সিলর তথা কো-অর্ডিনেটরকে বলতে শোনা যায়, দলের কর্মীদের জন্য জিতে মন্ত্রী হয়েছেন। তাঁরা ছাড়া সেই নেতা-মন্ত্রী ‘জিরো’। জুঁইয়ের কথায়, 'কোথায় ছিলে? আমফানের পর তো বাড়ি থেকে বেরোতে পারেননি মার খাওয়ার ভয়ে। যে কারেন্ট নেই, গেলে লোক মারবে। লজ্জা করে না নোংরা রাজনীতি করতে? ২০২১ সালে আমি পরিষ্কারভাবে বলে দিয়ে যাচ্ছি, আমি কারও জন্য ভোট চাইতে বেরব না। যে নেতা ভোটের আগে আসেন, ভোটের আগে ছ'মাস-এক বছর পাওয়া যায়, আর ভোট চলে গেলে যে কর্মীরা তাঁকে জিতিয়েছেন, তাঁদের সঙ্গে দেখার করার একটুও প্রয়োজন বোধ করেন না। ভোট আসলে আমার সঙ্গে বোঝাপড়া করতে চলে আসেন।' 

এমনিতেই যত বিধানসভা ভোট এগিয়ে আসছে, তত তৃণমূলের অন্দরে ‘বেসুরো’ নেতানেত্রীর সংখ্যা বাড়ছে। কেউ কেউ ইতিমধ্যে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো অনেকের ‘বিদ্রোহ’-এ এখনও লাগাম টানা যায়নি। তার মধ্যে জুঁইয়ের মতো হেভিওয়েট প্রার্থীর ‘ক্ষোভ’-এ তৃণমূলের উদ্বেগ আরও বৃদ্ধি পাবে বলে ধারণা রাজনৈতিক ধারণা। 

সেই ভিডিয়োয় জুঁইকে বলতে শোনা যায়, ‘অনেক সহ্য করে বললাম। কখনও মুখ খুলিনি (দলের বিরুদ্ধে)। কখনও দেখবেন না, দলের বিরুদ্ধে কোনও কথা আমি প্রকাশ্যে বলি না। আর আজ যাঁরা গালিগালাজ করছেন, তাঁরাও তো বিশ্বাস পরিবারের থেকে সুযোগ-সুবিধা নিয়েছেন। আপনি যে বাড়িতে থাকেন, সেই বাড়িটা হত না, যদি না সেই সময় অরূপ বিশ্বাস না থাকতেন। আমরা জানি, ভিতরে ভিতরে কার সঙ্গে কী সেটিং আছেন। সব হিসেব বুঝে নেব। আর তো চার থেকে পাঁচ মাস। তারপর কোথাও থাকবেন, ঠিক করে নেবেন।’

বন্ধ করুন