বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > তৃণমূলের জেলা সভাপতির পদে ব্যাপক রদবদল, কাদের নাম কাটা গেল?
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফাইল ছবি। (PTI)

তৃণমূলের জেলা সভাপতির পদে ব্যাপক রদবদল, কাদের নাম কাটা গেল?

  • সোমবার নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেন, বুধবার হবে মন্ত্রিসভায় রদবদল। রদবদলে ৫ – ৬ জন নতুন মুখ দেখা যেতে পারে বলে জানিয়েছেন তিনি। আবার বেশ কয়েকজনকে দলের কাজে ফেরানো হবে বলে স্পষ্ট করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।

রাজ্য মন্ত্রিসভায় রদবদল ঘোষণার পরই তৃণমূলের সাংগঠনিক জেলার সভাপতি ও চেয়ারম্যান পদে ব্যাপক রদবদল। সোমবার দুপুরে তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে প্রকাশিত তালিকায় দেখা যাচ্ছে, একাধিক জেলায় সভাপতি ও চেয়ারম্যান পদে ঘটেছে রদবদল। যা থেকে মন্ত্রিসভায় নতুন মুখ কারা হতে পারে তা নিয়ে জল্পনা আরও জোরদার হয়েছে।

সোমবার নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেন, বুধবার হবে মন্ত্রিসভায় রদবদল। রদবদলে ৫ – ৬ জন নতুন মুখ দেখা যেতে পারে বলে জানিয়েছেন তিনি। আবার বেশ কয়েকজনকে দলের কাজে ফেরানো হবে বলে স্পষ্ট করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। এর পরই তৃণমূলের নতুন সাংগঠনিক জেলা সভাপতি ও চেয়ারম্যানের তালিকা থেকে বাদ গিয়েছে কোচবিহারের পার্থপ্রতিম রায়ের নাম। সেখানে কোচবিহারের জেলা সভাপতি হয়েছেন অভিজিৎ দেব ভৌমিক। একই ভাবে বনগাঁ সাংগঠনিক জেলার সভাপতির পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে গোপাল শেঠকে। তার জায়গায় সভাপতি হচ্ছেন বিজেপি থেকে তৃণমূলে যোগদানকারী বিধায়ক বিশ্বজিৎ দাস।

ওদিকে পূর্ব মেদিনীপুরের জেলা সভাপতি করা হয়েছে সৌমেন মহাপাত্রকে। ফলে মন্ত্রিসভা থেকে তাঁর নাম কাটা যেতে চলেছে বলে মনে করা হচ্ছে। বারাসত সাংগঠনিক জেলার সভাপতি করা হয়েছে কাকলি ঘোষ দোস্তিদারকে। এছাড়া দমদম বারাকপুর সাংগঠনিক জেলার সভাপতির পদ থেকে সরেছেন পার্থ ভৌমিক। তাঁর কপালেও মন্ত্রিত্বের শিকে ছিঁড়তে পারে বলে মনে করছেন অনেকে। তবে সেখানে কোনও সভাপতি এখনো ঘোষণা করেনি তৃণমূল নেতৃত্ব।

রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের গ্রেফতারির ধাক্কা সামলাতে একযোগে মন্ত্রিসভা ও দলে রদবদল করা ছাড়া উপায় ছিল না। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে আপাতত জেলায় নজর মমতার। তাই কলকাতায় সংগঠনে কোনও রদবদল হয়নি।

 

বন্ধ করুন