বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > চা–বিক্রি করছেন মদন মিত্র!‌ কালো জামা–কালো টুপি পরে ১৫ লাখি চায়ে চুমুক
ভবানীপুর এলাকায় চা–বিক্রি করলেন কামারহাটির তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক মদন মিত্র।
ভবানীপুর এলাকায় চা–বিক্রি করলেন কামারহাটির তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক মদন মিত্র।

চা–বিক্রি করছেন মদন মিত্র!‌ কালো জামা–কালো টুপি পরে ১৫ লাখি চায়ে চুমুক

  • এক কাপ চায়ের দাম ১৫ লক্ষ টাকা!‌ কালো পাঞ্জাবি, কালো টুপি পরে অনুগামীদের সঙ্গে নিয়ে ভবানীপুর এলাকায় চা–বিক্রি করলেন কামারহাটির তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক মদন মিত্র।

কালো টাকা বিদেশ থেকে উদ্ধার করে দেশের প্রতিটি নাগরিকের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠানো হবে ১৫ লক্ষ টাকা। এটা ছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রতিশ্রুতি। কিন্তু দ্বিতীয় ক্ষমতা দখল করলেও সেই টাকা কেউ পাননি। এবার তারই অভিনব প্রতিবাদে নামলেন তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক মদন মিত্র। রবিবাসরীয় দুপুরে চা বিক্রেতা হিসাবে মদন মিত্র দেখা গেল! এক কাপ চায়ের দাম ১৫ লক্ষ টাকা!‌ কালো পাঞ্জাবি, কালো টুপি পরে অনুগামীদের সঙ্গে নিয়ে ভবানীপুর এলাকায় চা–বিক্রি করলেন কামারহাটির তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক মদন মিত্র।

পেট্রোল–ডিজেল–গ্যাস–সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় মূল্যবৃদ্ধি হয়েছে। তার জেরে নাভিশ্বাস উঠেছে আমজনতার। আর এই পরিস্থিতির জন্য কেন্দ্রকে দায়ী করছে তৃণমূল কংগ্রেস। তারই প্রতিবাদ করতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে খোঁচা দিলেন তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক। এদিন মদন মিত্রের স্লোগান ছিল, ‘‌এক কাপ চায়ের দাম ১৫ লক্ষ টাকা। এমন চা আমেরিকার প্রেসিডেন্টও খাওয়াতে পারেননি। যা এখন মোদীজি আমাদের খাওয়াচ্ছেন।’‌ এখন প্রশ্ন, এক কাপ চায়ের দাম ১৫ লক্ষ টাকা কেন বললেন মদন মিত্র?

রবিবার ভবানীপুরের রাস্তায় অনুগামীদের নিয়ে জমায়েত করেছিলেন মদন মিত্র। মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদেই এই জমায়েত। সবাই প্রধানমন্ত্রীর মুখোশ পরেছিলেন। আর মদন মিত্র বিক্রি করছিলেন চা। যার প্রতি কাপের দাম ১৫ লক্ষ টাকা। কারণ এমনই প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তৎকালীন বিজেপির প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী নরেন্দ্র মোদী। এদিন সেই বিষয়গুলি তুলে ধরলেন মদন মিত্র।

এই চা–বিক্রি করতে করতেই এদিন কামারহাটির বিধায়ক বলেন, ‘‌ত্রিপুরায় ক্ষমতায় আসবে তৃণমূল কংগ্রেস। ওখানে পালিত হবে বিজয় দিবস।’‌ বাবুল সুপ্রিয় রাজনীতি থেকে সরে যেতে চেয়ে ফেসবুক পোস্ট করেছেন। এই বিষয়ে জিঞ্জাসা করা হলে মদন মিত্র বলেন, ‘‌এত তাড়াতাড়ি আলবিদা কেন? এত সুন্দর আকাশ আছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্ব আছে। এক মাঠে খেলবেন না, অন্য মাঠে খেলবেন। আমিও তো মাঝে প্র্যাকটিসে ছিলাম না। তাতে কী?’‌ অর্থাৎ ঘুরিয়ে বাবুল সু্প্রিয়কে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার আহ্বান করলেন তিনি বলে মনে করছেন রাজনৈতিক কুশীলবরা।

বন্ধ করুন