বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > জরুরি বৈঠক ডাকলেন তৃণমূল সুপ্রিমো, নয়া ভবনেই তলব শীর্ষ নেতৃত্বকে
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। (ছবি সৌজন্যে পিটিআই)
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। (ছবি সৌজন্যে পিটিআই)

জরুরি বৈঠক ডাকলেন তৃণমূল সুপ্রিমো, নয়া ভবনেই তলব শীর্ষ নেতৃত্বকে

  • বাছাই করা নেতৃত্বকে এই বৈঠকে আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে। তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য কমিটির সদস্যদের পাশাপাশি মন্ত্রী–সাংসদদের এই বৈঠকে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে। বিভিন্ন জেলার সভাপতি ও চেয়ারম্যানের মধ্যে অনেকেই এই বৈঠকে আমন্ত্রিত। তাই বৈঠক বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।

মেট্রোপলিটন বাইপাসে তৃণমূল কংগ্রেসের নতুন ভবন তৈরি হয়েছে। অক্ষয় তৃতীয়ার দিন এই ভবনটির উদ্বোধন হবে বলে খবর। এই প্রেক্ষাপটে দলের প্রথম বৈঠক ডাকলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আগামী ৫ মে বিকেল ৪টের সময় ওই বৈঠক ডাকা হয়েছে। এই প্রথম বৈঠকে দলনেত্রী বিধায়ক–সাংসদদের ডাকা হয়েছে। আর জেলা সভাপতিদের কযেকজনকে ডাকা হয়েছে।

ঠিক কী হতে চলেছে?‌ তৃণমূল কংগ্রেস সূত্রে খবর, বাছাই করা নেতৃত্বকে এই বৈঠকে আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে। তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য কমিটির সদস্যদের পাশাপাশি মন্ত্রী–সাংসদদের এই বৈঠকে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে। বিভিন্ন জেলার সভাপতি ও চেয়ারম্যানের মধ্যে অনেকেই এই বৈঠকে আমন্ত্রিত। তাই বৈঠক বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।

কেন এই বৈঠক ডাকা হচ্ছে?‌ দলীয় সূত্রে খবর, ৫ মে থেকে টানা একমাস দলের লাগাতার কর্মসূচি শুরু হবে। এবারের কর্মসূচি হবে গ্রামমুখী। নেতাদের গ্রামে যেতে হবে, খাটিয়া পেতে বসতে হবে, মানুষের সঙ্গে কথা বলতে হবে। ৫ মে তৃণমূল নেত্রী সাংগঠনিক দিক থেকে একাধিক বার্তা দিতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে। গ্রাম–শহরের একেবারে বুথ স্তর থেকে সংগঠনকে শক্তিশালী করতে তৃণমূল নেত্রীর দিকনির্দেশিকা দিকেই তাকিয়ে রয়েছেন দলের কর্মীরা।

সূত্রের খবর, এই বৈঠকে মূলত আলোচনা হবে রাজ্যের পঞ্চায়েত নির্বাচন এবং ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচন নিয়ে। তাই সেখানে গ্রাম–শহরের সংগঠনকে মজবুত রাখার কৌশল বাতলে দেবেন তিনি। আবার বিধায়ক–সাংসদ–মন্ত্রীদের কেমন ভূমিকা নিতে হবে তাও এখানে বলে দেওয়া হবে। জেলা সভাপতি থেকে চেয়ারম্যান সকলের দায়িত্ব স্পষ্ট করে দেওয়া হবে।

বন্ধ করুন