বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > বাসেই হৃদরোগে আক্রান্ত, গ্রিন করিডোর করে হাসপাতালে বাস ঢোকাল ট্র্যাফিক পুলিশ

বাসেই হৃদরোগে আক্রান্ত, গ্রিন করিডোর করে হাসপাতালে বাস ঢোকাল ট্র্যাফিক পুলিশ

বাসেই হৃদরোগে আক্রান্ত, গ্রিন করিডোর করে হাসপাতালে বাস ঢোকাল ট্র্যাফিক পুলিশ। (ছবি সৌজন্যে ফেসবুক কলকাতা ট্র্যাফিক পুলিশ।)

গ্রিন করিডোর করে মাত্র পাঁচ মিনিটের মধ্যে শোভাবাজার থেকে আরজি কর হাসপাতালে পৌঁছাল যাত্রীবোঝাই বাস।  

গ্রিন করিডোর করে মাত্র পাঁচ মিনিটের মধ্যে শোভাবাজার থেকে আরজি কর হাসপাতালে পৌঁছাল যাত্রীবোঝাই বাস। বাস কন্ডাক্টর এবং ট্র্যাফিক সার্জেন্টের তৎপরতায় এভাবেই প্রাণে বাঁচলেন এক বৃদ্ধ। শুক্রবার এমনই ঘটনার সাক্ষী থাকল কলকাতা। অসুস্থ ওই প্রবীণ নাগরিকের নাম সমীর পোদ্দার (৬৪)।

কী ঘটেছিল?

শুক্রবার সন্ধ্যায় বিবাদী বাগ- শ্যামবাজার রুটের বাসে বাড়ি ফিরছিলেন দমদম বেদিয়াপাড়ার বাসিন্দা পেশায় জীবনবিমা এজেন্ট সমীরণ। বাসে ওঠার কিছুক্ষণ পরে অসুস্থ হয়ে পড়েন ওই ব্যক্তি। তিনি হাঁপাতে শুরু করেন। বিষয়টি নজরে আসে বাস কন্ডাক্টরের। অবস্থা খারাপ বুঝে দেরি না করে জোড়াবাগানে আসার পরে কন্ডাক্টরের কথায় বাস থামিয়ে দেন চালক। এরপর সেখানে একজন ট্র্যাফিক সার্জেন্টকে দেখে তার কাছে ছুটে যান কন্ডাক্টর।

পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে কোনও রকম সময় অপচয় না করে ওই ট্র্যাফিক সার্জেন্ট সরাসরি লালবাজার কন্ট্রোল রুমের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। যতটা তাড়াতাড়ি সম্ভব গ্রিন করিডোর করে দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন। লালবাজারের পক্ষ থেকে এরপর আরজি কর হাসপাতাল পর্যন্ত শ্যামবাজার এবং জোড়াবাগান ট্র্যাফিক গার্ডের সিগন্যাল সবুজ করে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। এরপরেই যাত্রী-সহ বাসটিকে এসকর্ট করে সরাসরি আরজি কর হাসপাতালে নিয়ে যান ওই ট্র্যাফিক সার্জেন্ট। ঘটনার গুরুত্ব বুঝে বৃদ্ধার তড়িঘড়ি চিকিৎসা শুরু করে দেন চিকিৎসকরা।

চিকিৎসকরা জানান, সেরিব্রাল অ্যাটাকের কারণে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। তবে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই হাসপাতালে নিয়ে আসার ফলে তাঁকে প্রাণে বাঁচানো সম্ভব হয়েছে। আর একটু দেরি হলে তাঁর জীবনহানিরও আশঙ্কা ছিল বলে জানান চিকিৎসকরা। বর্তমানে সুস্থ রয়েছেন ওই বৃদ্ধ। সুস্থ হওয়ার পর তিনি পরিবারের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করেন। চিকিৎসকরা তাঁর সিটি স্ক্যান করার পরামর্শ দিয়েছেন। 

বন্ধ করুন