বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > খোদ মুখ্যমন্ত্রীর ওয়ার্ডে তৃণমূলের নির্দল প্রার্থী, বালিগঞ্জেও মিলল একই ছবি
তৃণমূল। (ছবি সৌজন্য পিটিআই)
তৃণমূল। (ছবি সৌজন্য পিটিআই)

খোদ মুখ্যমন্ত্রীর ওয়ার্ডে তৃণমূলের নির্দল প্রার্থী, বালিগঞ্জেও মিলল একই ছবি

  • আসন্ন কলকাতা পুরসভার নির্বাচনে নির্দল প্রার্থী হয়েই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তিনি।

পুরসভা নির্বাচনের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ হওয়ার পর কংগ্রেস–বিজেপির অন্দরে ঝামেলা শুরু হলেও তখনও তৃণমূল কংগ্রেসে তেমন কোনও পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়নি। ধরে নেওয়া হয়েছিল ঘাসফুল শিবিরের যে সাফল্য এসেছে তাতে বিদ্রোহ কেউ করবেন না। কিন্তু সময় যত গড়াতে শুরু করল ততই বেআব্রু হয়ে পড়ল ছবিটা।

বুধবার দেখা গেল, সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের বোন তনিমা চট্টোপাধ্যায় জোড়াফুলের টিকিট বাতিল হতেই রীতিমতো বিদ্রোহী হয়ে উঠলেন তিনি। আসন্ন কলকাতা পুরসভার নির্বাচনে নির্দল প্রার্থী হয়েই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তিনি। আর তাই দাদা সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের ছবি হাতে নিয়েই মনোনয়নপত্র পেশ করলেন তনিমা চট্টোপাধ্যায়। তাঁকে টিকিট দিয়েও ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

তনিমা চট্টোপাধ্যায়ের বদলে ওই ওয়ার্ডে তৃণমূল কংগ্রেস বিদায়ী কাউন্সিলর সুদর্শনা মুখোপাধ্যায়কে প্রার্থী করেছে। এই বিষয়ে তনিমা চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘‌দাদাকে প্রণাম করে আশীর্বাদ চেয়েছি। আমি জয়ের বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী।’‌ এই পরিস্থিতিতে আবার দেখা গেল, টিকিট না পেয়ে খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওয়ার্ডে নির্দল প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিলেন বিদায়ী কো–অর্ডিনেটর রতন মালাকার। এখানে মুখ্যমন্ত্রীর ঘরের ওয়ার্ডে প্রার্থী করা হয়েছে ভ্রাতৃবধূ কাজরী বন্দ্যোপাধ্যায়কে।

তবে এই বিষয়ে সরাসরি কিছু না বললেও নির্দল প্রার্থী হয়ে দাঁড়ানো নিয়ে রতন মালাকার বলেন, ‘‌আমি স্বেচ্ছায় নির্দল প্রার্থী হয়েছি। কারও বিরুদ্ধে আমার কিছু বলার নেই।’‌ উল্লেখ্য, ২০০০ সালে ৭১ নম্বর ওয়ার্ডে প্রথমবার তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হন রতন মালাকার। ২০০৫, ২০১০ এবং ২০১৫ সালে মুখ্যমন্ত্রীর ঘরের ওয়ার্ড থেকেই কাউন্সিলর হয়েছেন তিনি। এবারই তাঁকে ছেঁটে পেলা হল। তাই নির্দল প্রার্থী সেই রতন।

বন্ধ করুন