বিধাননগরে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সদর দফতর।
বিধাননগরে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সদর দফতর।

উচ্চ মাধ্যমিকের হলে মোবাইল ফোন ধরার জন্য আলাদা নজরদারি

  • মহুয়া দাস বলেন, ‘পরীক্ষার হলে ছাত্র ও শিক্ষক উভয়ের জন্যই মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ। তার পরেও যদি কেউ মোবাইল ফোন নিয়ে সেন্টারে আসে তবে তাকে তা প্রধান শিক্ষকের কাছে জমা রাখতে হবে।’

মাধ্যমিকের মতো মোবাইল ফোনের মাধ্যমে প্রশ্নফাঁস রুখতে বিশেষ সতর্কতা নিতে চলেছে উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ। সংসদ সূত্রের খবর, এবছর উচ্চ মাধ্যমিকে পরীক্ষা চলাকালীন কারও কাছে মোবাইল ফোন রয়েছে কি না তা দেখার জন্য থাকবে বিশেষ নজরদারি। সেজন্য প্রতিটি হলে থাকবেন একজন করে শিক্ষক। একই সঙ্গে পরীক্ষাকেন্দ্রে সংবাদমাধ্যমের ঢোকায় নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে। যার ফলে সংসদের কাণ্ডজ্ঞান নিয়েই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

চলতি বছর মাধ্যমিকে অন্তত ৩টি বিষয়ের প্রশ্নপত্র পরীক্ষা শুরুর কিছুক্ষণের মধ্যেই হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে বাইরে বেরিয়ে যাওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত। উচ্চ মাধ্যমিকে তার ধারাবাহিকতা রুখতে বাড়তি নজরদারি আরোক করল উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ। সংসদের চেয়ারপার্সন মহুয়া দাস বলেন, ‘পরীক্ষার হলে ছাত্র ও শিক্ষক উভয়ের জন্যই মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ। তার পরেও যদি কেউ মোবাইল ফোন নিয়ে সেন্টারে আসে তবে তাকে তা প্রধান শিক্ষকের কাছে জমা রাখতে হবে।’ তিনি জানান, ‘পরীক্ষাকেন্দ্রে ঢোকার আগে পরীক্ষার্থীদের মুচলেকা দিতে হবে যে তাদের কাছে মোবাইল ফোন মিললে পরীক্ষা বাতিল হবে।’

এছাড়া এবার পরীক্ষাকেন্দ্রে সংবাদমাধ্যমের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে সংসদ। যাতে প্রশ্ন উঠছে, তবে কি প্রশ্নফাঁসের পিছনে সাংবাদিকদের হাত রয়েছে বলে দাবি করছে তারা? এমন কোনও সুনির্দিষ্ট প্রমাণ কি রয়েছে সংসদের হাতে? না কি নিজেদের মুখ পোড়া আসন্ন জেনে সাংবাদিকদের বাধা দেওয়ার পথে হেঁটেছে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ?


বন্ধ করুন