বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > মমতার মতো কেন্দ্রকে ক্ষতিপূরণ দিতে বারণ করবো না, তবে বলবো টাকা পাঠান অ্যাকাউন্টে
দিলীপ ঘোষ। ফাইল ছবি (HT_PRINT)
দিলীপ ঘোষ। ফাইল ছবি (HT_PRINT)

মমতার মতো কেন্দ্রকে ক্ষতিপূরণ দিতে বারণ করবো না, তবে বলবো টাকা পাঠান অ্যাকাউন্টে

  • ঘূর্ণিঝড় আয়লার পর কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্য সরকারকে প্রায় ৫,৫০০ কোটি টাকা দিয়েছিল। তখন মুখ্যমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের সরকারকে বলেছিলেন, এই রাজ্য সরকারকে টাকা দেবেন না, খেয়ে নেবে।

ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের ক্ষয়ক্ষতি খতিয়ে দেখতে প্রধানমন্ত্রীর পশ্চিমবঙ্গ সফরের আগের দিন ক্ষতিপূরণ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানালেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। বৃহস্পতিবার এক সাংবাদিক বৈঠকে ইয়াসে ক্ষতিগ্রস্তদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরাসরি কেন্দ্রীয় ক্ষতিপূরণের টাকা পাঠানোর দাবি তোলেন তিনি। জানান, আমফানের ক্ষতিপূরণের টাকা এখনো পাননি ক্ষতিগ্রস্তরা। তাই দক্ষিণ ২৪ পরগনায় মন্ত্রীকে বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়েছে। 

দিলীপবাবু বলেন, ‘কাল মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, ১৩৪টা বাঁধ ভেঙে গেছে। আমি জানি না সেই বাঁধের তালিকা আছে কি না। কীসের ভিত্তিতে তিনি একথা বলেছিলেন তার কোনও সূত্র আমরা পাইনি’।

এর পরই বাঁধ নির্মাণে দুর্নীতির অভিযোগে সরব হন তিনি। বলেন, ‘প্রতিবার ঝড়ঝঞ্ঝায় বাঁধ ভেঙে যায়। আবার মাটি দিয়ে বাঁধ তৈরি হয়, আবার ভেঙে যায়। ঘূর্ণিঝড় আয়লার পর কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্য সরকারকে প্রায় ৫,৫০০ কোটি টাকা দিয়েছিল। তখন মুখ্যমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের সরকারকে বলেছিলেন, এই রাজ্য সরকারকে টাকা দেবেন না, খেয়ে নেবে’। 

ক্ষতিপূরণে দুর্নীতির আশঙ্কায় সরব হয়ে দিলীপবাবু বলেন, ‘আমরা কেন্দ্রীয় সরকারকে ক্ষতিপূরণ দিতে মানা করছি না। আমরা চাইছি কেন্দ্রীয় সরকার টাকা দিক। রাজ্য সরকার ক্ষতিগ্রস্তদের যে তালিকা পাঠাবে তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরাসরি ক্ষতিপূরণের টাকা পাঠাক কেন্দ্রীয় সরকার। ক্ষতিপূরণ যারা পাবেন, তাদের তালিকা যেন ব্লক অফিসে বা পঞ্চায়েত অফিসে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। যাতে সবাই জানতে পারে, প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তরা ক্ষতিপূরণ পেল কি না’। 

২০০৯ সালে ঘূর্ণিঝড় আয়লার পর কেন্দ্রের মনমোহন সিং সরকারকে চিঠি দিয়ে রাজ্য সরকারকে ক্ষতিপূরণ দিতে বারণ করেছিলেন তৎকালীন রেলমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি দাবি করেছিলেন, ক্ষতিপূরণের টাকা পাঠালে তা চলে যাবে সিপিএমের পার্টি ফান্ডে।

 

বন্ধ করুন