বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > কেন্দ্রের কৃষি আইনের বিরুদ্ধে প্রস্তাব পাশ করতে দু’‌দিনের বিধানসভা অধিবেশন
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা ভবন। ছবি : সংগৃহীত
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা ভবন। ছবি : সংগৃহীত

কেন্দ্রের কৃষি আইনের বিরুদ্ধে প্রস্তাব পাশ করতে দু’‌দিনের বিধানসভা অধিবেশন

  • চলতি মাসের ২৭–২৮ তারিখে বসছে রাজ্য বিধানসভার অধিবেশন। সেই অধিবেশনে মোদী সরকারের আনা ফার্মার্স প্রডিউস ট্রেডস এন্ড কমার্স অ্যাক্ট ২০২০’‌র বিরোধিতা করে প্রস্তাব পাশ করাবে রাজ্য সরকার।

দেশজুড়ে চলছে কৃষক আন্দোলন। সেই আন্দোলনের পাশে ছিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পাঠিয়েছিলেন দলের সাংসদদের। কথা বলেছিলেন কৃষকদের সঙ্গে। তাঁরা নেত্রীকে পাশে চেয়েছিলেন। এবার কেন্দ্রীয় সরকারের আনা কৃষি আইনের বিরোধিতা করে প্রস্তাব পাশ করা হবে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায়। তাই চলতি মাসের ২৭–২৮ তারিখে বসছে রাজ্য বিধানসভার অধিবেশন। সেই অধিবেশনে মোদী সরকারের আনা ফার্মার্স প্রডিউস ট্রেডস এন্ড কমার্স অ্যাক্ট ২০২০’‌র বিরোধিতা করে প্রস্তাব পাশ করাবে রাজ্য সরকার। এমনকী দিল্লিতে চলা কৃষক আন্দোলনকেও পরিষদীয় ভাষায় স্বীকৃতি দেবে।

বিধানসভা নির্বাচনের আগে এটা আরও বড় মাস্টারস্ট্রোক বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা। কারণ ইতিমধ্যে রাজস্থান, পাঞ্জাব এবং কেরল এই ধরনের প্রস্তাব পাশ করেছে। শুক্রবার বিধানসভায় স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় ও পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের মধ্যে এই বিষয়ে আলোচনা হয়। পরে পরিষদীয় মন্ত্রী জানিয়েছেন, ২৭ তারিখে অধিবেশন শুরুর জন্য স্পিকারের কাছে চিঠি জমা দিয়ে গেলাম।

কিসের চিঠি?‌ মূলত দুটি বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে। প্রথম কেন্দ্রীয় কৃষি আইন বাতিলের দাবিতে একটি সর্বদলীয় প্রস্তাব আনা হবে। আর কৃষকদের স্বার্থে আইনগুলি বাতিলের দাবি করবে রাজ্য। দ্বিতীয়ত, জিএসটি খাতে ক্ষতিপূরণ বৃদ্ধির দাবিতেও একটি প্রস্তাব আনা হবে। তবে বাজেট অধিবেশন নিয়ে পরে আলোচনা সাপেক্ষে জানাবে বলে জানিয়েছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। আপাতত ২৭–২৮ তারিখেই বসবে অধিবেশন।

উল্লেখ্য, বামফ্রন্ট ও কংগ্রেস দু’‌পক্ষই কৃষি আইনের বিরোধিতা করে বিধানসভায় প্রস্তাব পাশের দাবি দীর্ঘদিন ধরে করে আসছিল। এবার তা হতে চলেছে। তবে বাম–কংগ্রেস পরিষদীয় দল যে অনাস্থা আনার দাবি তুলেছে তা নাকচ করে দিয়েছেন তিনি। তাঁর কথায়, ‘‌সমুদ্র থেকে দু’‌ঘটি জল তুলে নিয়ে গেলে যেমন ক্ষতি হয় না। তেমনই কয়েকজন দল ছেড়ে গেলে অনাস্থা আনার কোনও প্রয়োজন নেই।’‌

বন্ধ করুন