বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > দেবীদুর্গার চক্ষুদানে মুখ্যমন্ত্রী, ভিড় এড়াতে এবার ভার্চুয়াল পুজো উদ্বোধনেই সায়
চেতলা অগ্রণী ক্লাবে দেবীদুর্গার চক্ষুদান করছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ছবি সৌজন্য : ফেসবুক
চেতলা অগ্রণী ক্লাবে দেবীদুর্গার চক্ষুদান করছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ছবি সৌজন্য : ফেসবুক

দেবীদুর্গার চক্ষুদানে মুখ্যমন্ত্রী, ভিড় এড়াতে এবার ভার্চুয়াল পুজো উদ্বোধনেই সায়

  • মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‌যাঁরা পুজো উদ্বোধনের অনুরোধ জানিয়েছেন সে সব পুজো ভার্চুয়াল মাধ্যমে নবান্ন থেকে একসঙ্গে উদ্বোধন করে দিতে পারি। জুমের মাধ্যমে সেটা করা হবে।’‌

মায়ের চোখে তুলির টান দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার চমকহীন এক ঝটিকা সফরে এসে রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের পুজো বলে পরিচিত চেতলা অগ্রণী ক্লাবের দুর্গাপুজোর উদ্বোধন করে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী। করলেন দেবীদুর্গার চক্ষুদান। কয়েকবছর ধরেই এটি করে আসছেন তিনি। তবে এবার করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে কোনও জাঁকজমক চাননি। তাঁর ইচ্ছেমতোই সারা হল চেতলা অগ্রণীর চক্ষুদান পর্ব। যেন আজ থেকেই সেখানে শুরু হল দেবীপক্ষ।

তবে এ বছর এর পর যা সব পুজোর উদ্বোধন করবেন সেগুলি ভার্চুয়াল মাধ্যমে করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এদিন নবান্নে তিনি বলেন, ‘‌আমার কাছে প্রতি বছরের মতো এ বছর বহু পুজো উদ্বোধনের আমন্ত্রণ এসেছে।’‌ কিন্তু এই করোনা পরিস্থিতিতে ভিড় এড়াতে এবার একটু অন্যরকম ভাবে পুজো উদ্বোধনের ইচ্ছে প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘‌যাঁরা পুজো উদ্বোধনের অনুরোধ জানিয়েছেন সে সব পুজো ভার্চুয়াল মাধ্যমে নবান্ন থেকে একসঙ্গে উদ্বোধন করে দিতে পারি। জুমের মাধ্যমে সেটা করা হবে। আমার হাতে প্রদীপ থাকবে। আর সব পুজো কমিটির মেয়েদের হাতেও প্রদীপ থাকবে। তা জ্বালিয়েই হবে পুজোর উদ্বোধন।’‌

ভার্চুয়াল পুজো উদ্বোধনের দিনক্ষণও এদিন ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, ১৫ অক্টোবর, বৃহস্পতিবার সব উত্তর কলকাতার পুজো উদ্বোধন করা হবে। ১৬ অক্টোবর, শুক্রবার হবে বেহালা ও যাদবপুরের পুজো উদ্বোধন। এবং ১৭ অক্টোবর দক্ষিণ কলকাতার পুজোগুলি উদ্বোধন করবেন তিনি। প্রতিদিন বিকেল ৫টা থেকে শুরু হবে উদ্বোধনের অনুষ্ঠান। এ ব্যাপারে যে সব পুজো কমিটির সম্মতি রয়েছে তাঁরা মেল পাঠিয়ে এই আবেদন জানাতে পারবে।

বন্ধ করুন