বাড়ি > বাংলার মুখ > কলকাতা > শ্রমিকদের ফেরাতে ব্যবস্থা হচ্ছে ২৩৫টা ট্রেনের, প্রতিদিন ঢুকবে ১০টা ট্রেন: মমতা
সোমবার নবান্নে মমতা (PTI)
সোমবার নবান্নে মমতা (PTI)

শ্রমিকদের ফেরাতে ব্যবস্থা হচ্ছে ২৩৫টা ট্রেনের, প্রতিদিন ঢুকবে ১০টা ট্রেন: মমতা

  • ১০৫টি ট্রেনের পর আরও ১২০টি ট্রেনের অর্ডার দিতে চলেছে রাজ্য সরকার, জানালেন মুখ্যমন্ত্রী। 

লকডাউনের মধ্যে প্রায় ২ মাস বাইরে কাটানোর পর বাড়ি ফিরতে মরিয়া দেশের কয়েক কোটি পরিযায়ী শ্রমিক। এর মধ্যে রয়েছেন এরাজ্যের কয়েক লক্ষ শ্রমিকও। তাদের বাড়ি ফেরাতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার অনীহা দেখাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছিলেন বিরোধীরা। পালটা প্রবাসী শ্রমিকদের ফেরাতে শুধু ট্রেনের ব্যবস্থা করাই নয়, তার পুরো ভাড়াও দিয়ে দিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। সোমবার নবান্নে প্রবাসী শ্রমিকদের ফেরানোর জন্য রাজ্য সরকারের পরিকল্পনার কথা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বললেন, 'প্রতিদিন ১০টা করে ট্রেন ঢোকাতে হবে আমাদের।’

সোমবার নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এখন যখন সবাই হুড়মুড় করে আসতে চাইছেন, আমরা একটা প্ল্যান করেছি। এদের অনেককে আমরা নিয়েও এসেছি। কেউ কেউ ঘোলা জলে মাছ ধরতে নেমেছেন। প্লিজ দয়া করে নাববেন না। আমরা ক্ষমতায় আছি, আমাদের দায়বদ্ধতা ও দায়িত্ব রয়েছে। আপনারা ক্ষমতায় নেই তাই দায়বদ্ধতাও নেই। যা-তা বলে দিচ্ছেন।’ 

মমতা জানান, রাজ্যের পরিকল্পনা অনুসারে, ‘আমরা ১০৫টা ট্রেন বলেছি অলরেডি। প্লাস ১৫টা এসেছে। অর্থাৎ ১২০টা ট্রেন। ১০০টা ট্রেনের আমরা অলরেডি অর্ডার দিয়েছি। ১৫টা অলরেডি এসেছে। তার মানে ১১৫। আমরা দু’-তিন দিনের মধ্যে আরও ১২০টা ট্রেন চাইব। যাতে ১৫ দিনের মধ্যে ৫-৬টা করে ট্রেন ডেইলি নিয়ে আসতে পারি। এবং এটার খরচা টোটালটাই রাজ্য সরকার বহন করবে।’ 

এর পর সংখ্যাটা বাড়িয়ে মমতা বলেন, ‘১০টা করে ট্রেন ঢুকলেও রোজ ২৫-৩০ হাজার করে লোক ঢুকবে। শুধু ট্রেনে। বাসটাস ছেড়ে দিন। ১৫-২০ দিনের মধ্যে আমরা প্ল্যান করে রেখেছি। রোজ আমাদের ১০টা করে ট্রেন ঢোকাতে হবে। তার পর তাকে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হবে। তারপর জেলায় এগুলো ঢুকবে, ওই রাজনৈতিক বন্ধুরা যারা বড় বড় কথা বলছেন, তারা এগুলো ভেবে দেখেছেন, সেই জেলার সবাই যেন ভাল থাকে সেটাও তো দেখতে হবে। আমি যদি হাজার হাজার করোনা ঢুকিয়ে দিই, তাহলে মানুষ আমাকে ক্ষমা করবে?’

বিরোধীদের দাবি খারিজ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘কেউ বলে দিচ্ছে ২০ লাখ – ২৫ লাখ, এটা ঠিক নয়। সংখ্যাটা তো আমাদের কাছেও থাকবে। শুধু বাংলার লোকেরাই সারা ভারতবর্ষে ছিল আর ভারতবর্ষের লোকেরা আমাদের এখানে নেই, এটা ভাবা ভুল। আমার এখানেও হিন্দিভাষী লোকের সংখ্যা ৪০ শতাংশের কম নয়, এটা মাথায় রাখবেন। তারাও তো আমাদের দেশের কোনও প্রান্তের লোক। আমরা সবাই চাই এখানে থাকুক, ভাল থাকুক। তেমনি আমাদেরও পরিযায়ী শ্রমিক যাঁরা আছেন তাদের খেয়াল রাখার জন্য সব রাজ্যকে অনুরোধ করব।’ 

হাজার হাজার শ্রমিককে ঘরে ফেরাতে প্রশাসনিক সীমাবদ্ধতার কথাও এদিন মেনে নেন মমতা। বলেন, ‘একদিনে আমি অত লক্ষ লোককে আমি কী করে গ্রামে ঢোকাবো? গ্রামের লোকেরাও বাধা দিচ্ছেন কখনো কখনো। যদি একদিনে ৫টা ট্রেন আসে তার মানে ১০,০০০ লোক ঢুকল। এই ১০,০০০ লোককে গ্রামে পৌঁছনোর ব্যবস্থা কী?’ 

লকডাউনের মধ্যে প্রায় ২ মাস বাইরে কাটানোর পর বাড়ি ফিরতে মরিয়া দেশের কয়েক কোটি পরিযায়ী শ্রমিক। এর মধ্যে রয়েছেন এরাজ্যের কয়েক লক্ষ শ্রমিকও। তাদের বাড়ি ফেরাতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার অনীহা দেখাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছিলেন বিরোধীরা। পালটা প্রবাসী শ্রমিকদের ফেরাতে শুধু ট্রেনের ব্যবস্থা করাই নয়, তার পুরো ভাড়াও দিয়ে দিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। সোমবার নবান্নে প্রবাসী শ্রমিকদের ফেরানোর জন্য রাজ্য সরকারের পরিকল্পনার কথা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বললেন, 'প্রতিদিন ১০টা করে ট্রেন ঢোকাতে হবে আমাদের।’

সোমবার নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এখন যখন সবাই হুড়মুড় করে আসতে চাইছেন, আমরা একটা প্ল্যান করেছি। এদের অনেককে আমরা নিয়েও এসেছি। কেউ কেউ ঘোলা জলে মাছ ধরতে নেমেছেন। প্লিজ দয়া করে নাববেন না। আমরা ক্ষমতায় আছি, আমাদের দায়বদ্ধতা ও দায়িত্ব রয়েছে। আপনারা ক্ষমতায় নেই তাই দায়বদ্ধতাও নেই। যা-তা বলে দিচ্ছেন।’ 

মমতা জানান, রাজ্যের পরিকল্পনা অনুসারে, ‘আমরা ১০৫টা ট্রেন বলেছি অলরেডি। প্লাস ১৫টা এসেছে। অর্থাৎ ১২০টা ট্রেন। ১০০টা ট্রেনের আমরা অলরেডি অর্ডার দিয়েছি। ১৫টা অলরেডি এসেছে। তার মানে ১১৫। আমরা দু’-তিন দিনের মধ্যে আরও ১২০টা ট্রেন চাইব। যাতে ১৫ দিনের মধ্যে ৫-৬টা করে ট্রেন ডেইলি নিয়ে আসতে পারি। এবং এটার খরচা টোটালটাই রাজ্য সরকার বহন করবে।’ 

এর পর সংখ্যাটা বাড়িয়ে মমতা বলেন, ‘১০টা করে ট্রেন ঢুকলেও রোজ ২৫-৩০ হাজার করে লোক ঢুকবে। শুধু ট্রেনে। বাসটাস ছেড়ে দিন। ১৫-২০ দিনের মধ্যে আমরা প্ল্যান করে রেখেছি। রোজ আমাদের ১০টা করে ট্রেন ঢোকাতে হবে। তার পর তাকে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হবে। তারপর জেলায় এগুলো ঢুকবে, ওই রাজনৈতিক বন্ধুরা যারা বড় বড় কথা বলছেন, তারা এগুলো ভেবে দেখেছেন, সেই জেলার সবাই যেন ভাল থাকে সেটাও তো দেখতে হবে। আমি যদি হাজার হাজার করোনা ঢুকিয়ে দিই, তাহলে মানুষ আমাকে ক্ষমা করবে?’

বিরোধীদের দাবি খারিজ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘কেউ বলে দিচ্ছে ২০ লাখ – ২৫ লাখ, এটা ঠিক নয়। সংখ্যাটা তো আমাদের কাছেও থাকবে। শুধু বাংলার লোকেরাই সারা ভারতবর্ষে ছিল আর ভারতবর্ষের লোকেরা আমাদের এখানে নেই, এটা ভাবা ভুল। আমার এখানেও হিন্দিভাষী লোকের সংখ্যা ৪০ শতাংশের কম নয়, এটা মাথায় রাখবেন। তারাও তো আমাদের দেশের কোনও প্রান্তের লোক। আমরা সবাই চাই এখানে থাকুক, ভাল থাকুক। তেমনি আমাদেরও পরিযায়ী শ্রমিক যাঁরা আছেন তাদের খেয়াল রাখার জন্য সব রাজ্যকে অনুরোধ করব।’ 

হাজার হাজার শ্রমিককে ঘরে ফেরাতে প্রশাসনিক সীমাবদ্ধতার কথাও এদিন মেনে নেন মমতা। বলেন, ‘একদিনে আমি অত লক্ষ লোককে আমি কী করে গ্রামে ঢোকাবো? গ্রামের লোকেরাও বাধা দিচ্ছেন কখনো কখনো। যদি একদিনে ৫টা ট্রেন আসে তার মানে ১০,০০০ লোক ঢুকল। এই ১০,০০০ লোককে গ্রামে পৌঁছনোর ব্যবস্থা কী?’ 

 

 

 

বন্ধ করুন