বাড়ি > বাংলার মুখ > কলকাতা > করোনা–যুদ্ধে মৃত সরকারি কর্মীদের পরিবারের একজনকে চাকরি দেবে পশ্চিমবঙ্গ সরকার
দেওয়ালচিত্রে করোনাযোদ্ধারা। ছবি সৌজন্য : এপিআই
দেওয়ালচিত্রে করোনাযোদ্ধারা। ছবি সৌজন্য : এপিআই

করোনা–যুদ্ধে মৃত সরকারি কর্মীদের পরিবারের একজনকে চাকরি দেবে পশ্চিমবঙ্গ সরকার

  • নার্স, আশাকর্মী, স্বাস্থ্যকর্মী, পার্ট টাইম স্বাস্থ্যকর্মী, প্যারা মেডিক্যাল ও জাতীয় স্বাস্থ্য মিশনের অধীনে নিযুক্ত চুক্তিবদ্ধ শ্রমিকরাও এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবেন না।

পুলিশ, চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী, সাফাইকর্মীদের মতো যাঁরা প্রতিদিন করোনা মোকাবিলায় যুদ্ধে নামছেন তাঁদের পাশে বরাবরই দাঁড়িয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। এঁরা এবং কর্মরত সরকারি কর্মীদের কেউ করোনা আক্রান্ত হলে তাঁর চিকিৎসার সম্পূর্ণ দায়ভার নিয়েছে রাজ্য। করোনার জেরে মৃত্যু হলে বিমা হিসেবে সরকার তাঁদের পরিবারকে ১০ লক্ষ টাকা দিচ্ছে। এবার করোনা–যুদ্ধে মৃত সরকারি আধিকারিক ও কর্মীদের পরিবারের একজনকে চাকরি দেওয়ার কথা ঘোষণা করল রাজ্য সরকার।

বুধবার জারি হওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে সরকারের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, করোনা আক্রান্ত হয়ে নিহত বা স্থায়ীভাবে অক্ষম কোভিড যোদ্ধাদের ওপর নির্ভরশীল পরিবারের যে কোনও একজন সদস্যকে আর্থিক সঙ্কট থেকে রক্ষা করতে সরকারি চাকরি দেওয়া হবে। এই প্রকল্পের নাম দেওয়া হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ বিশেষ সমবেদনামূলক নিয়োগ প্রকল্প (‌West Bengal Special Compassionate Appointment Scheme 2020)‌।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, রাজ্য সরকারের কর্মীদের পাশাপাশি এই সুবিধা পাবেন গ্রাম ও শহরের স্থানীয় সরকারি সংস্থা, সরকারি উদ্যোগ, বিধিবদ্ধ সংস্থা বা অনুদান সহায়তা প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের পরিবার। নার্স, আশাকর্মী, স্বাস্থ্যকর্মী, পার্ট টাইম স্বাস্থ্যকর্মী, প্যারা মেডিক্যাল ও জাতীয় স্বাস্থ্য মিশনের অধীনে নিযুক্ত চুক্তিবদ্ধ শ্রমিকরাও এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবেন না।

শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং কর্মক্ষমতা অনুযায়ী রাজ্য সরকারের গ্রুপ সি ও ডি বিভাগে বিভিন্ন শূন্যপদে কাজ করার সুযোগ পাবেন চাকরিপ্রার্থীরা। প্রার্থীর ১৮ বছর বয়স না হওয়া পর্যন্ত এই প্রকল্পের আওতায় আসতে পারবে না। ১ এপ্রিল থেকেই এই নিয়ম কার্যকর হয়ে গিয়েছে। এ সময়ের মধ্যে যে সব সরকারি কর্মচারী করোনা মোকাবিলায় প্রাণ হারিয়েছেন, তাঁদের পরিবারের সদস্যরাও চাকরির দাবিতে আবেদন করতে পারেন।

বন্ধ করুন