বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > সাইকেল কারখানা গড়তে উদ্যোগ রাজ্যের, জারি হল শিল্পোন্নয়ন নিগমের বিজ্ঞাপন
সবুজ সাথী প্রকল্পের সাইকেল। ছবি সৌজন্য–এএনআই।
সবুজ সাথী প্রকল্পের সাইকেল। ছবি সৌজন্য–এএনআই।

সাইকেল কারখানা গড়তে উদ্যোগ রাজ্যের, জারি হল শিল্পোন্নয়ন নিগমের বিজ্ঞাপন

  • এই উদ্ভূত পরিস্থিতিতে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নবান্নের প্রশাসনিক কর্তাদের বিকল্প পথ বাতলে দেন।

সবুজ সাথী প্রকল্পের মাধ্যমে স্কুল পড়ুয়ারা সাইকেল পেয়ে থাকে। বাংলার ছাত্রছাত্রীদের তা উপকারেই আসে। কারণ শহরতলি বা গ্রামাঞ্চলে এই সাইকেলে করে যাতায়াতের চল আছে। কিন্তু এই সাইকেল নিজের রাজ্যে তৈরি হয় না। তা আনতে হয় বিন রাজ্য থেকে। তাতে রাজ্যের কোষাগারে খরচের চাপ বাড়ে। কারণ এই সাইকেল কিনে আনতে হয় লুধিয়ানা থেকে।

এই উদ্ভূত পরিস্থিতিতে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নবান্নের প্রশাসনিক কর্তাদের বিকল্প পথ বাতলে দেন। তিনি তাঁদের জানান, এই রাজ্যেই যদি সাইকেল কারখানা গড়ে তোলা যায় তাহলে আর ভিন রাজ্য থেকে সাইকেল কিনতে হবে না। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ মেনেই রাজ্যে সাইকেল কারখানা তৈরি করতে প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলির থেকে আগ্রহপত্র চাইল রাজ্য সরকার।

এই আগ্রহপত্র পেলেই বাকি কাজ দ্রুত শুরু হয়ে যাবে বলে নবান্ন সূত্রে খবর। সবুজসাথী প্রকল্পে নবম–দ্বাদশ শ্রেণির পড়ুয়ারা প্রতি বছর সাইকেল পেয়ে থাকে রাজ্য সরকারের কাছ থেকে। তার জন্য প্রত্যেক বছর রাজ্য ১০ লক্ষ সাইকেল কিনতে হয় লুধিয়ানা থেকে। একটি সাইকেলের দাম দাঁড়ায় ৩৪০০ টাকা। সুতরাং রাজ্যের মোট খরচ বছরে ৩৪০ কোটি টাকা।

এই পরিস্থিতিতে যদি রাজ্যেই সাইকেল প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলি কারখানা গড়তে রাজি হয় তাহলে এক ঢিলে দুই পাখি মারা যাবে। এক, বিনিয়োগ হবে। দুই, কর্মসংস্থান হবে। আবার সাইকেল যা পাচ্ছিল পড়ুয়ারা তা দিতে খরচ কমবে রাজ্য সরকারের। তাই রাজ্য শিল্পোন্নয়ন নিগম একটি বিজ্ঞাপন প্রকাশ করেছে। সেখানে বলা হয়েছে, ৬ থেকে ১৩ ডিসেম্বরের মধ্যে আগ্রহী সংস্থাগুলিকে আবেদন করতে হবে। হ্যাট্রিক করে ক্ষমতায় আসার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, এবার লক্ষ্য হবে আরও শিল্পায়ন এবং কর্মসংস্থান।

বন্ধ করুন