ফের বিতর্কে রাজ্যপাল ধনখড়।
ফের বিতর্কে রাজ্যপাল ধনখড়।

দিল্লি হিংসা নিয়ে বিতর্কিত টুইট, বাম-কংগ্রেস তোপের মুখে ধনখড়

  • যাঁরা হিংসার মধ্যে উন্নতি ও সুযোগের সন্ধান করেন, তাঁরা সামাজিক নন। ঘৃণা সম্পর্কে পক্ষপাতদুষ্ট দৃষ্টিভঙ্গি অমানবিক।

হিংসা থেকে যাঁরা উন্নতির সম্ভাবনা খুঁজছেন এবং পক্ষপাতদুষ্ট ঘৃণা প্রকাশ করছেন, তাঁরা একেবারেই সামাজিক নন। পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের এই টুইট কেন্দ্র করে নতুন বিতর্ক তৈরি হল।

নাম না করলেও তিনি যে দিল্লি হিংসার কথাই বোঝাতে চেয়েছেন, তা স্পষ্ট। এর কয়েক ঘণ্টা আগেই শহরের পথে দু’টি আলাদা প্রতিবাদ মিছিল বের করেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্র এবং লোকসভায় কংগ্রেস দলনেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরী। দিল্লিকাণ্ডে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের পদত্যাগ দাবি করেন দুই নেতাই।

শুক্রবার রাজ্যপাল টুইট করেন, ‘যাঁরা হিংসার মধ্যে উন্নতি ও সুযোগের সন্ধান করেন, তাঁরা সামাজিক নন। চিন্তা বা কাজের মধ্যে হিংসার উপস্থিতিও নিন্দনীয়। এক রকম হিংসাকে ঘৃণা করা এবং অন্য এক ধরনের হিংসাকে এড়িয়ে যাওয়া বা সে ক্ষেত্রে নীরব থাকাও মানবতা বিরোধী অপরাধ। এমন পক্ষপাতদুষ্ট দৃষ্টিভঙ্গি অমানবিক।’

ধনখড়ের এই মন্তব্য ঘিরে এ দিন নেট দুনিয়া তোলপাড় হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে একপেশে হওয়ার অভিযোগ জানিয়েছেন অনেকে। কেউ কেউ আবার টুইটের জবাবে দিল্লির সাম্প্রতিক হিংসার ছবি পোস্ট করেছেন।

সোমেন মিত্র বলেন, ‘রাজ্যপাল যদি মানুষের বিরুদ্ধে পরক্ষপাতিত্বের অভিযোগ আনেন, তা হলে উনি কী করছেন? ওঁরই তো উচিত সংবিধান ও তার আদর্শকে তুলে ধরা। ওঁর পদত্যাগ করা উচিত।’

রাজ্যপালের মন্তব্য সম্পর্কে এ দিন সিপিএম পলিটব্যুরো সদস্য মহম্মদ সেলিম বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির পুজোয় হাজিরা দিয়ে আর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সহ্গে এক মঞ্চে বসে ওঁর পক্ষে হিংসার অর্থ বোঝা সম্ভব নয়। তা বুঝতে গেলে ওঁকে জনসাধারণের সঙ্গে পথে নামতে হবে। মনে হয়, নিজেকে মানুষ প্রমাণ করার জন্য খুব চেষ্টা করছেন ধনখড়।’

রাজ্যপালের টুই সম্পর্কে কোনও মন্তব্য করেনি তৃণমূল শিবির।

বন্ধ করুন