বাড়ি > বাংলার মুখ > কলকাতা > নোনা জলেই ফলবে ধান, কী করে? জানালেন মুখ্যমন্ত্রী
ফাইল ছবি
ফাইল ছবি

নোনা জলেই ফলবে ধান, কী করে? জানালেন মুখ্যমন্ত্রী

  • মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ‘এখনো পর্যন্ত রাজ্য সরকারের কাছে ৫০ টন ধানের বীজ রয়েছে।’

নোনা জলেও হবে ধান চাষ। সুন্দরবনে বাঁধ ভেঙে জমিতে নোনা জল ঢুকে চাষের ক্ষতি হওয়ার সমস্যার সমাধান হবে স্থায়ী ভাবে। বুধবার নবান্ন সভাঘরে জেলাশাসকদের সঙ্গে বৈঠকে এমনটাই জানালেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। 

মুখ্যমন্ত্রীরা জানিয়েছেন, বাংলার কৃষি বিজ্ঞানীরা এটা ‘আবিষ্কার’ করেছেন। এবার থেকে নোনা জলেও হবে ধান চাষ। তবে তা থেকে উৎপন্ন চালে স্বাদ হবে সাধারণ চালেরই মতো। মুখ্যমন্ত্রীর কৃষি উপদেষ্টা প্রদীপ মজুমদার তাঁকে একথা জানিয়েছেন বলে জানান মমতা। মুখ্যমন্ত্রী এই প্রজাতির নাম দিয়েছেন ‘নোনা স্বর্ণ’।

বলে রাখি, বিভিন্ন সময় সুন্দরবনে নদীবাঁধ ভেঙে প্লাবিত হয় বিপুল কৃষিজমি। নোনা জল ঢুকে পড়ায় সেই জমিতে দীর্ঘদিন চাষ সম্ভব হয় না। নোনা জলে চাষ করা যায় এমন ধানের প্রজাতি আবিষ্কার হওয়ায় সেই সমস্যার স্থায়ী সমাধান হল। 

মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ‘এখনো পর্যন্ত রাজ্য সরকারের কাছে ৫০ টন ধানের বীজ রয়েছে। গোসাবায় কৃষিবিজ্ঞানীরা গবেষণা করে এই প্রজাতি আবিষ্কার করেছেন।’ তিনি দুর্গত এলাকাল চাষিদের এই বীজ বিলি করতে দিতে উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দেন। 

একই সঙ্গে রাজ্য মৎস দফতর নোনা জলে চাষ করা যায় এমন কিছু মাছের প্রজাতি খুঁজে বার করেছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, যে সব এলাকায় পুকুরে নোনা জল ঢুকেছে সেখানে এই মাছের চারা বিলি করা হবে। এর মধ্যে রয়েছে ভেটকি।

 

নোনা জলেও হবে ধান চাষ। সুন্দরবনে বাঁধ ভেঙে জমিতে নোনা জল ঢুকে চাষের ক্ষতি হওয়ার সমস্যার সমাধান হবে স্থায়ী ভাবে। বুধবার নবান্ন সভাঘরে জেলাশাসকদের সঙ্গে বৈঠকে এমনটাই জানালেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। 

মুখ্যমন্ত্রীরা জানিয়েছেন, বাংলার কৃষি বিজ্ঞানীরা এটা ‘আবিষ্কার’ করেছেন। এবার থেকে নোনা জলেও হবে ধান চাষ। তবে তা থেকে উৎপন্ন চালে স্বাদ হবে সাধারণ চালেরই মতো। মুখ্যমন্ত্রীর কৃষি উপদেষ্টা প্রদীপ মজুমদার তাঁকে একথা জানিয়েছেন বলে জানান মমতা। মুখ্যমন্ত্রী এই প্রজাতির নাম দিয়েছেন ‘নোনা স্বর্ণ’।

বলে রাখি, বিভিন্ন সময় সুন্দরবনে নদীবাঁধ ভেঙে প্লাবিত হয় বিপুল কৃষিজমি। নোনা জল ঢুকে পড়ায় সেই জমিতে দীর্ঘদিন চাষ সম্ভব হয় না। নোনা জলে চাষ করা যায় এমন ধানের প্রজাতি আবিষ্কার হওয়ায় সেই সমস্যার স্থায়ী সমাধান হল। 

মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ‘এখনো পর্যন্ত রাজ্য সরকারের কাছে ৫০ টন ধানের বীজ রয়েছে।’ তিনি দুর্গত এলাকাল চাষিদের এই বীজ বিলি করতে দিতে উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দেন। 

একই সঙ্গে রাজ্য মৎস দফতর নোনা জলে চাষ করা যায় এমন কিছু মাছের প্রজাতি খুঁজে বার করেছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, যে সব এলাকায় পুকুরে নোনা জল ঢুকেছে সেখানে এই মাছের চারা বিলি করা হবে। এর মধ্যে রয়েছে ভেটকি।

 

বন্ধ করুন