বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > কী করিতে হইবে? হারের পর জানতে চাইছে আলিমুদ্দিন, পালটা প্রশ্নবাণ রেডি করছে জেলা
বিমান বসু (ফাইল ছবি)
বিমান বসু (ফাইল ছবি)

কী করিতে হইবে? হারের পর জানতে চাইছে আলিমুদ্দিন, পালটা প্রশ্নবাণ রেডি করছে জেলা

  • এবার একেবারে গো হারা অবস্থা সিপিএমের। এনিয়ে রাজ্য নেতৃত্বের উপর অসন্তোষ বাড়ছে নীচুতলার নেতা কর্মীদের।

দিনকয়েক আগে শিলিগুড়ির প্রাক্তন বিধায়ক সিপিএমের অশোক ভট্টাচার্য বলেছিলেন, ‘শিলিগুড়ির মানুষ আমাকে পুরোপুরি প্রত্যাখান করেছে।' তবে রাজনৈতিক মহলের মতে, শুধু শিলিগুড়ি নয়, গোটা বাংলা জুড়ে আসন পাওয়ার নিরিখে বামেদের কার্যত আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। তবে এসবের মধ্যেই অবশ্য বসে নেই আলিমুদ্দিন। এবার করোনা অতিমারির মধ্যেও রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলীর মনে হয়েছে, হারলাম কেন? কেনই বা মানুষ এভাবে প্রত্যাখান করল? সেই রহস্য় উদ্ঘাটন করতে একেবারে মাথা খাটিয়ে প্রশ্নমালা তৈরি করেছেন আলিমুদ্দিনের কর্তারা। একেবারে জেলা থেকে এরিয়া কমিটির কাছে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে এই প্রশ্নমালা। তার মধ্যে একটি প্রশ্নে উল্লেখ করা হয়েছে, তৃণমূল-বিজেপির বোঝাপড়ায় রাজনীতি সম্পর্কে জনগণ কি সিপিএম তথা বামেদের প্রচার গ্রহণ করেনি? এই প্রশ্ন শুনে একেবারে আকাশ থেকে পড়ছেন দলের জেলা নেতৃত্ব। রাজ্যের তাবড় নেতৃত্ব কেন ফের এইসব অবান্তর প্রশ্ন হাজির করছেন তা কিছুতেই ভেবে পাচ্ছেন না জেলা নেতৃত্ব। রাজনৈতিক মহলের মতে, আসলে ভোট বাজারে দলের উপরতলা থেকে অলীক কিছু স্লোগান হাজির করে সিপিএমের মুখ যে পুড়েছে তা হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছেন সিপিএমের নীচুতলার কর্মীরা।

 

আইএসএফের সঙ্গে জোটের প্রভাবও জানতে চেয়েছে আলিমুদ্দিন। তবে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই প্রশ্নের জবাব হিসাবে নীচুতলা থেকে যা উঠে আসছে তা আদৌ আলিমুদ্দিন হজম করতে পারবে কি না তা নিয়েও সংশয় জোরালো হচ্ছে। কেউ কেউ আবার কোনও প্রশ্নেরই উত্তর দিতে নারাজ। তবে সবথেকে মোক্ষম প্রশ্ন এবার কী করিতে হইবে? তারই পরামর্শ চেয়েছে আলিমুদ্দিন। জেলা নেতৃত্বের একাংশের মতে,যাঁরা এই পরামর্শ চাইছেন তাঁদের বলে কি আদৌ কোনও লাভ আছে? নেতৃত্বের বদল না করলে সামনের দিন আরও ভয়ঙ্কর।

 

বন্ধ করুন