বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > 'কারা কোর্ট কেস করছে? এরা কারা?' উচ্চপ্রাথমিকে স্থগিতাদেশ নিয়ে প্রতিক্রিয়া মমতার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, মুখ্য়মন্ত্রী (ফাইল ছবি)
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, মুখ্য়মন্ত্রী (ফাইল ছবি)

'কারা কোর্ট কেস করছে? এরা কারা?' উচ্চপ্রাথমিকে স্থগিতাদেশ নিয়ে প্রতিক্রিয়া মমতার

  • এবার কর্মপ্রার্থীরাও অথৈ জলে পড়েছেন। তাঁদের ভবিষ্যৎ কী হবে তা নিয়ে উদ্বেগে পড়েছেন তাঁরা।

উচ্চ প্রাথমিকে ইন্টারভিউয়ের তালিকায় অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ জারি করেছে কলকাতা হাইকোর্ট। এনিয়ে নানা চর্চা শুরু হয়েছে বাংলা জুড়ে। কম নম্বর থাকা সত্ত্বেও ওই তালিকায় নাম রয়েছে এমন অভিযোগ উঠেছে। এনিয়ে এবার কর্মপ্রার্থীরাও অথৈ জলে পড়েছেন। তাঁদের ভবিষ্যৎ কী হবে তা নিয়ে উদ্বেগে পড়েছেন তাঁরা। এসবের মধ্যেই এই মামলা ও স্থগিতাদেশ নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিলেন খোদ মুখ্য়মন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। 

বুধবার মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এত ছাত্রের ভবিষ্যৎ নিয়ে খেলা করাটা ঠিক নয়। আজ তিন -চার বছর ধরে দেখছি ছেলেমেয়েগুলো অ্যাপয়ন্টমেন্ট পাচ্ছে না। কারা কোর্ট কেস করছে? এরা কারা? এরা সমাজের বন্ধু? ছাত্রছাত্রীদের বন্ধু? চাকরি পেলে  আমি কখনও দেখি না এ পাচ্ছে, কি বি পাচ্ছে, কি সি পাচ্ছে, কি ডি পাচ্ছে। চাকরি পাবে ৩৫ হাজার ছেলে মেয়ে। তাদের জন্য সব রেডি করা হল। হঠাৎ করে একটা কোর্ট কেস করে দিল। সেম জিনিস আমি দেখছি ফুড ডিপার্টমেন্টে হচ্ছে। যখনই কোনও রেশন দোকানের দুর্নীতির কেসে তাকে সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে তখনই কোর্ট কেস করে দিচ্ছে। এটা ঠিক নয়। আমি কোর্টের ব্যাপারে কোনও মন্তব্য না করেও বলব ছাত্রছাত্রীদের ভবিষ্য়তের ব্যাপারটি দেখুন।’

 

উচ্চ প্রাথমিকে ইন্টারভিউয়ের তালিকায় অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ জারি করেছে কলকাতা হাইকোর্ট। এনিয়ে নানা চর্চা শুরু হয়েছে বাংলা জুড়ে। কম নম্বর থাকা সত্ত্বেও ওই তালিকায় নাম রয়েছে এমন অভিযোগ উঠেছে। এনিয়ে এবার কর্মপ্রার্থীরাও অথৈ জলে পড়েছেন। তাঁদের ভবিষ্যৎ কী হবে তা নিয়ে উদ্বেগে পড়েছেন তাঁরা। এসবের মধ্যেই এই মামলা ও স্থগিতাদেশ নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিলেন খোদ মুখ্য়মন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। 

বুধবার মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এত ছাত্রের ভবিষ্যৎ নিয়ে খেলা করাটা ঠিক নয়। আজ তিন -চার বছর ধরে দেখছি ছেলেমেয়েগুলো অ্যাপয়ন্টমেন্ট পাচ্ছে না। কারা কোর্ট কেস করছে। এরা কারা. এরা সমাজের বন্ধু, ছাত্রছাত্রীদের বন্ধু। চাকরি পেলে  আমি কখনও দেখি না এ পাচ্ছে, কি বি পাচ্ছে, কি সি পাচ্ছে, কি ডি পাচ্ছে। চাকরি পাবে ৩৫ হাজার ছেলে মেয়ে। তাদের জন্য সব রেডি করা হল। হঠাৎ করে একটা কোর্ট কেস করে দিল। সেম জিনিস আমি দেখছি ফুড ডিপার্টমেন্টে হচ্ছে। যখনই কোনও রেশন দোকানের দুর্নীতির কেসে তাকে সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে তখনই কোর্ট কেস করে দিচ্ছে। এটা ঠিক নয়। আমি কোর্টের ব্যাপারে কোনও মন্তব্য না করেও বলব ছাত্রছাত্রীদের ভবিষ্য়তের ব্যাপারটি দেখুন।

|#+|

 

  

বন্ধ করুন