বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > Murder: বালিশ চাপা দিয়ে নিজের দাদাকে খুন! থানায় গিয়ে নিজেই খুনের কথা জানাল ভাই
দাদাকে খুনের অভিযোগ। প্রতীকী ছবি।

Murder: বালিশ চাপা দিয়ে নিজের দাদাকে খুন! থানায় গিয়ে নিজেই খুনের কথা জানাল ভাই

  • পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল রাতে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ নিশ্চিত যে দেবাশিসকে শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়েছে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মাসখানেক আগেই তারা নিরঞ্জন পল্লীর ওই বাড়ি ভাড়া নিয়েছিল মা এবং দুই ভাই ওই বাড়িতে ভাড়া থাকত।

দাদাকে খুন করল ভাই! কলকাতার বাঁশদ্রোণীতে বালিশ চাপা দিয়ে দাদাকে ভাই খুন করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি বাঁশদ্রোণীর নিরঞ্জনপল্লী এলাকার। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। মৃতের নাম দেবাশিস চক্রবর্তী (৪৮)। তাকে খুনের অভিযোগে তার ভাই শুভাশিস চক্রবর্তীকে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করেছে পুলিশ। জানা গিয়েছে, রাতে দাদাকে খুন করার পর ভোরে নিজেই থানায় গিয়ে আত্নসমর্পণ করে ভাই। কী কারণে এই খুনের ঘটনা পুলিশ তা খতিয়ে দেখছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল রাতে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ নিশ্চিত যে দেবাশিসকে শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়েছে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মাসখানেক আগেই তারা নিরঞ্জন পল্লীর ওই বাড়ি ভাড়া নিয়েছিল মা এবং দুই ভাই ওই বাড়িতে ভাড়া থাকত। মাসখানেক আগে মা মারা যাওয়ার পর দুই ভাই থাকছিল ওই বাড়িতে। মাঝেমধ্যে দুই ভাইয়ের মধ্যে বচসা হত। দুই ভাইয়ের মধ্যে অশান্তি লেগেই থাকত। সেই বচসার জেরে তাকে খুন করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে অনুমান। তবে বচসার পরেই তাকে খুন করা হয়েছে নাকি রাতে ঘুমিয়ে থাকার সময় তাকে খুন করা হয়েছে তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে পুলিশ।

অন্যদিকে, অভিযুক্তের মানসিক ভারসাম্য নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে স্থানীয়রা। স্থানীয় এক বাসিন্দা জানান, বড় ভাই দেবাশিস একটু বোকা ছিল আর ছোট ভাই একটু চালাক। তবে তার মাথার সমস্যা ছিল। দুজনে প্রতিদিনই মদ্যপান করত। তাদের মধ্যে প্রতিদিন ঝামেলা হত তবে কী কারনে দেবাশিসকে খুন করেছে ভাই সে বিষয়টি স্থানীয়দের কাছেও স্পষ্ট নয়। ধৃত ভাইকে আজ আদালতে তুলে নিজেদের হেফাজতে চেয়ে আবেদন জানাবে পুলিশ। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে খুনের আসল কারণ জানার চেষ্টা করা হবে বলে পুলিশ জানিয়েছে। গতকাল গভীর রাতে খুনের বিষয়টি জানার পরে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ গিয়ে মৃতদেহটি উদ্ধার করে এবং অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে।

বন্ধ করুন