বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > ‘‌দলের অন্তর্ঘাতই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরাজয়ের কারণ’‌, বিস্ফোরক আবু তাহের
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফাইল ছবি
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফাইল ছবি

‘‌দলের অন্তর্ঘাতই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরাজয়ের কারণ’‌, বিস্ফোরক আবু তাহের

  • আবু তাহেরের এই মন্তব্য দলের অন্দরে গোষ্ঠীকোন্দলের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।

একুশের নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন্দীগ্রাম থেকে হেরেছিলেন। এই পরাজয় নিয়ে বিস্তর বিতর্ক রয়েছে। তা নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা পর্যন্ত হয়েছে। এবার এই হারের পিছনে দলের অন্তর্ঘাত রয়েছে বলে বিস্ফোরক দাবি করলেন নন্দীগ্রাম জমি আন্দোলনের অন্যতম নেতা এবং নন্দীগ্রাম দুই পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি আবু তাহের।

ঠিক কী বলেছেন আবু তাহের?‌ এদিন আবু তাহের বলেন, ‘‌আমার বুথ নেত্রীকে ৬২২ ভোট লিড দিয়েছে। কিন্তু স্বদেশবাবুকে তাঁর বুথে লিড কত জিজ্ঞাসা করলে তাঁর মুখ নীচু হয়ে যাবে। আমি সভাপতি হলে পদত্যাগ করতাম। ব্যর্থতা স্বীকার করে নিতাম। এত বড় নির্লজ্জ আমি দেখিনি। আর বিধানসভার কো–অর্ডিনেটর ছিলেন শেখ সুফিয়ান সাহেব। কেন আমরা হারলাম? রাজ্য এবং স্থানীয় কমিটিকে নিয়ে বসা উচিত ছিল তাঁর। আমরা কলকাতায় গিয়ে নেত্রীর পরাজয়ের কারণ অনুসন্ধানের দাবি জানিয়ে ছিলাম রাজ্য নেতৃত্বের কাছে। কিন্তু ওঁরা তো সেই দাবি জানাননি। দলের অন্তর্ঘাতই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরাজয়ের কারণ।’‌

আবু তাহেরের এই মন্তব্য দলের অন্দরে গোষ্ঠীকোন্দলের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে। ঠিক কী ঘটেছিল সেদিন?‌ নির্বাচনের পর ফলাফল প্রকাশের দিন ঘটে এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা। প্রথমে কমিশনের পক্ষ থেকে ঘোষণা করা হয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জয়ী। তার কিছুক্ষণের মধ্যেই বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এলাকায়। তারপর ফের কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয় জয়ী শুভেন্দু অধিকারী। অথচ নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে গিয়ে দেখা যায়, বেলা ১২টার পর থেকে ওই কেন্দ্রে তালিকা আপডেটই হয়নি। তারপরই এখানে কারচুপির অভিযোগে মামলা হয় কলকাতা হাইকোর্টে।

এই বিষয়ে অবশ্য রাজ্যের সেচমন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র বলেন, ‘‌আবু তাহেরের বিশ্লেষণ তাঁর ব্যাপার। তিনি কী প্রমাণ পেয়েছেন, তার ওপর ভিত্তি করে বলছেন, সেটা তাঁর ব্যাপার। এই বিষয়ে আমি বিশেষ মন্তব্য করব না। কারণ, আমি তখন ওই স্থানে ছিলাম না। আর আমি এও জানি না সেখানকার পরিস্থিতি কী ছিল। বিষয়টি এখন বিচারাধীন।’‌

বন্ধ করুন