কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের যুগ্মসচিব লব আগরওয়াল (ফাইল ছবি, মিন্ট)
কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের যুগ্মসচিব লব আগরওয়াল (ফাইল ছবি, মিন্ট)

কোনও নির্দিষ্ট এলাকায় টানা ২৮ দিন করোনা আক্রান্তের হদিশ না পাওয়ার অর্থ কী?

কেন্দ্রের বক্তব্য, লকডাউনের মাধ্যমে সামাজিক দূরত্বের ধারণায় জোর দেওয়া হচ্ছে।

টানা ২৮ দিন করোনাভাইরাস আক্রান্তের খোঁজ না মিললে কোনও এলাকার সংক্রমণের শৃঙ্খল ভেঙে গিয়েছে। এমনটাই মনে করা হয় বলে জানাল কেন্দ্র।

আরও পড়ুন : স্বাগত ১৪২৭ : 'মহামারী শেষে দেখা হোক', গৃহবন্দি নববর্ষের শুভেচ্ছায় রইল লকডাউন-সামাজিক দূরত্ব

দিন বাড়ানোয় দেশে মোট ৪০ দিন তালাবন্ধ থাকবে। সেই সময়সীমার পিছনে কোনও চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য সম্বন্ধীয় কারণে আছে কিনা, সেই সংক্রান্ত প্রশ্নের মুখে পড়েন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের যুগ্মসচিব লব আগরওয়াল। সরাসরি সে বিষয়ে উত্তর না দিলেও তিনি বলেন, 'কীভাবে সংক্রমণের শৃঙ্খল ভাঙা হবে, তা উপর নজরদারি চালানো লক্ষ্য আমাদের। কোনও নির্দিষ্ট এলাকায় শেষ করোনা আক্রান্তের রিপোর্ট নেগেটিভ আসার ২৮ দিন পর পর্যন্ত নতুন কোনও আক্রান্তের হদিশ পাওয়া না যায়, তাহলে সংক্রমণের শৃঙ্খল ভেঙে গিয়েছে বলে আমরা বিশ্বাস করব ও নতুন কোনও আক্রান্তের হদিশ পাওয়া যাবে না।'

আরও পড়ুন : ভাইরাস আক্রান্তের খোঁজ পেতে এবার গুগল ও অ্যাপল-এর যৌথ উদ্যোগ

মন্ত্রকের যুগ্মসচিব জানান, লকডাউনের মাধ্যমে সামাজিক দূরত্বের জন্য আচরণগত পরিবর্তনের ধারণার প্রচার করা হচ্ছে। সেই ধারণায় জোর দেওয়া হচ্ছে। যাতে সংক্রমণের শৃঙ্খল ভেঙে যায়।

বন্ধ করুন