বুধবার ইস্তানবুল বিমানবন্দরে নামার সময় পিছলে রানওয়ে অতিক্রম করে টুকরো হয়ে যায় বোয়িং-৭৩৭ বিমানটি। দুর্ঘটনায় তিন যাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। ছবি সৌজন্যে রয়টার্স। (REUTERS)
বুধবার ইস্তানবুল বিমানবন্দরে নামার সময় পিছলে রানওয়ে অতিক্রম করে টুকরো হয়ে যায় বোয়িং-৭৩৭ বিমানটি। দুর্ঘটনায় তিন যাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। ছবি সৌজন্যে রয়টার্স। (REUTERS)

ইস্তানবুলে রানওয়েতে নামার সময় পিছলে ৩ টুকরো বিমান, নিহত তিন যাত্রী

তিন যাত্রীর মৃত্যুর পাশাপাশি জখম হয়েছেন ১৭৯ জন। দুর্ঘটনায় বিমানটি তিন টুকরো হয়ে ভেঙে যাওয়ার পরে তাতে আগুন ধরে যায়।

ল্যান্ডিংয়ের সময় রানওয়েতে পিছলে গিয়ে ইস্তানবুলে দুর্ঘটনার গ্রাসে পড়ল যাত্রীবিমান। তিন যাত্রীর মৃত্যুর পাশাপাশি জখম হয়েছেন ১৭৯ জন। দুর্ঘটনায় বিমানটি তিন টুকরো হয়ে ভেঙে যাওয়ার পরে তাতে আগুন ধরে যায়।

তুরস্ক টিভি চ্যানেলে প্রচারিত ছবিতে দেখা গিয়েছে, ছিন্নভিন্ন বিমানের ফাটল থেকে বেরিয়ে পিছনে লেজ বেয়ে নেমে প্রাণ বাঁচানোর চেষ্টা করছেন হতভাগ্য যাত্রীরা।

বুধবার বন্দরশহর ইজমির থেকে থেকে রওনা হয়ে ইন্তালবুলের সাবিহা গোসেন বিমানবন্দরে এসে নামার কথা ছিল তুরস্কের কমদামী উড়ান সংস্থা পেগ্যাসাস এয়ারলাইন্সের বোয়িং ৭৩৭-এর।

মাটি ছোঁয়ার আগে জোরালো হাওয়া এবং প্রবল বৃষ্টি বিমানের উপর ক্রমাগত আঘাত হানে বলে জানিয়েছে এয়ারপোর্ট কর্তৃপক্ষ। এ দিন বিকেলে ইস্তানবুলে প্রচণ্ড বৃষ্টির মধ্যে রানওয়েতে নামার সময় বোয়িংয়ের চাকা পিছলে নিয়ন্ত্রণ হারান বিমানচালক। রানওয়ে ছেড়ে প্রায় ২০০ ফিট পিছলে গিয়ে ৩০-৪০ মিটার নীচু জমিতে গিয়ে পড়ে।

দুর্ঘটনার অভিঘাতে তিন টুকরো হয়ে যায় বিমানটি। এর মধ্যেই জ্বালানি ট্যাঙ্কে সংঘর্ষের জেরে জ্বলে ওঠে আগুন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, উদ্ধারকারী দল আসার আগে ভাঙা বিমানের ফাটল বেয়ে বেরিয়ে পড়েন কয়েক জন যাত্রী। তবে শিশু-সহ অনেকেই বিমানের ভিতরে আটকে পড়েন বলে জানিয়েছেন তুরস্কের পরিবহণমন্ত্রী মেহমেত কাহিত তারহান।

শেষ পর্যন্ত উদ্ধারকর্মী ও দমকলের চেষ্টায় আগুন আয়ত্তে আসে এবং বিমানের আটক যাত্রীদের উদ্ধার করা হয়। তবে শেষ পর্যন্ত প্রাণ বাঁচানো যায়নি হতভাগ্য তিন আরোহীর।

দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে নেমেছে তুরস্ক সরকারের গোয়েন্দা বিভাগ।

বন্ধ করুন