আনন্দপুরের হোটেলে হানা দিয়ে চোরাকারবারিদের থেকে উদ্ধার হল বাঘের এই চামড়া।
আনন্দপুরের হোটেলে হানা দিয়ে চোরাকারবারিদের থেকে উদ্ধার হল বাঘের এই চামড়া।

আনন্দপুরের হোটেল থেকে মিলল রয়্যাল বেঙ্গল বাঘের চামড়া, ধৃত ৩

  • হোটেলে হানা দিয়ে রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের চামড়া উদ্ধার করল রাজ্য বন দফতরের বন্যপ্রাণ অপরাধ দমন শাখা (WCCB)। ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তিন জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

গোপন সূত্রে পাওয়া খবরের ভিত্তিতে শহরের এক হোটেলে হানা দিয়ে রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের চামড়া উদ্ধার করল রাজ্য বন দফতরের বন্যপ্রাণ অপরাধ দমন শাখা (WCCB)। ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তিন জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

ধৃত তারক হালদারের বাড়ি উত্তর ২৪ পরগনার অশোকনগরে। ইব্রাহিম মণ্ডল ও অনিন্দ্য মুখোপাধ্যায় কলকাতার বাসিন্দা। শুক্রবার তাদের আদালতে তোলা হলে ১০ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।

জানা গিয়েছে, বাঘের চামড়াটি অনিন্দ্যর বাড়িতে রাখা ছিল। প্রথমে ইব্রাহিমকে গ্রেফতার করার পরে তার খোঁজ মেলে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

গোয়েন্দাদের দাবি, ছয় মাস আগেও বাঘের চামড়াটি পাচার করার কথা ঠিক হয়েছিল। কিন্তু সেই সময় নজরদারির কথা জানতে পেরে গা-ঢাকা দিয়েছিল দুষ্কৃতীরা।

এবার ফের চামড়া বিক্রির বিষয়ে খদ্দের ঠিক করে আন্তর্জাতিক পাচার চক্রের সঙ্গে জড়িত ইব্রাহিম। পাচার চক্রের মাথা অনিন্দ্যর সঙ্গে যোগাযোগ করার পরে আনন্দপুরের হোটেলে লেনদেন চূড়ান্ত করার ব্যবস্থা হয়। চামড়ার দাম ঠিক হয় ৫০ লাখ টাকা।

রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্য বনপাল অতনু রাহা জানিয়েছেন, ‘আমার মনে হয় না সাম্প্রতিক কোনও চোরাশিকারের জেরে ওই চামড়া জোগাড় করা হয়েছে। বাঘটি বাংলার বলেও মনে হচ্ছে না। ভারতের কোনও ক্রেতা বাঘের চামড়ার জন্য এত দাম দেবেন বলেও মনে হয় না। মনে হচ্ছে, বিদেশের কোনও খদ্দেরকেই বাঘের চামড়াটি বিক্রি করার চেষ্টা হয়েছিল।’

শুক্রবার বন দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, এই ঘটনায় জড়িত আরও ১০ জনের সন্ধানে তল্লাশি অভিযান শুরু হয়েছে।

বন্ধ করুন