বাড়ি > কর্মখালি > অতিমারী পরিস্থিতির মধ্যেই ১৫ অগস্টের পরে চণ্ডীগড়ে স্কুল খোলার তোড়জোড়
১৫ অগস্টের পরে স্কুল খোলার পরিকল্পনা করছে চণ্ডীগড় সরকার, দাবি কেন্দ্রের।
১৫ অগস্টের পরে স্কুল খোলার পরিকল্পনা করছে চণ্ডীগড় সরকার, দাবি কেন্দ্রের।

অতিমারী পরিস্থিতির মধ্যেই ১৫ অগস্টের পরে চণ্ডীগড়ে স্কুল খোলার তোড়জোড়

  • পড়ুয়াদের স্বাস্থ্য নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রক।

সারা বিশ্বের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ভারতে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। তারই মধ্যে ১৫ অগস্টের পরে স্কুল খোলার পরিকল্পনা করছে চণ্ডীগড় সরকার, জানিয়েছে কেন্দ্রীয় মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রক সূত্র।

কোভিড অতিমারীর জেরে লকডাউন ঘোষণার আগে গত ১৬ মার্চ থেকে দেশজুড়ে বন্ধ রয়েছে স্কুল-কলেজ সহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি। পড়ুয়া, শিক্ষক ও অন্যান্য কর্মীদের স্বাস্থ্য নিরাপত্তার স্বার্থে স্কুল-কলেজ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। 

কেন্দ্রীয় মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রক জানিয়েছে, অতিমারী পরিস্থিতি বিবেচনা করার পরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি ফের চালু করার বিষয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক ও স্বাস্থ্য মন্ত্রকের শর্তাবলী মেনে এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানা গিয়েছে। তারই মধ্যে চণ্ডীগড়ে স্কুল খোলার প্রচেষ্টা শুরু হয়েছে। তবে স্কুল খোলার বিষয়ে পড়ুয়াদের স্বাস্থ্য নিরাপত্তাই প্রধান বিচার্য বলে জানিয়েছে মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রক।

লকডাউন পরিস্থিতিতে পড়ুয়াদের পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার উদ্দেশে অমনলাইন মাধ্যমে নিয়মিত পঠনপাঠন আগেই শুরু হয়ে গিয়েছে। 

এর আগে এনডিটিভি-র সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে কেন্দ্রীয় মানব সম্পদ উন্নয়ন ম্নত্রী রমেশ পোখরিয়াল নিশঙ্ক জানিয়েছিলেন, ‘১ জুলাই থেকে ১৫ জুলাই পরীক্ষা চলবে এবং তার পরে স্কুল খোলা হবে। তবে জুলাই মাসে পরিস্থিতি কেমন দাঁড়াবে তা আগে থেকে বলা সম্ভব নয়। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক ও স্বাস্থ্য মন্ত্রকের নির্দেশ মেনে আমরা সিদ্ধান্ত নেব। এ ক্ষেত্রে পড়ুয়াদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।’

চলতি মাসের গোড়ায় স্কুল শিক্ষা বিভাগের সচিব অনিতা কারওয়াল আভাস দেন যে, অতিমারীর জেরে ডিজিটাল পঠনপাঠন গুরুত্ব পাচ্ছে।

পিটিআই-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে স্কুল শিক্ষা সচিব বলেন, ‘আমরা এখন গোটা শিক্ষা ব্যবস্থা ঢেলে সাজানোর প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে চলেছি। শিশু পড়ুয়াদের স্কুলে ডাকার আগে সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। স্কুলে প্রবেশ ও প্রস্থানের পথ নিয়ে ভাবা হচ্ছে। শিক্ষকদের পরিবর্তিত ভূমিকা সম্পর্কে চিন্তা করা হচ্ছে। সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’

বন্ধ করুন