বাংলা নিউজ > কর্মখালি > Assistant professor recruitment: সহকারী অধ্যাপক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, বছর শেষে শূন্যপদ হতে পারে ২,০০০
সহকারী অধ্যাপক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, বছর শেষে শূন্যপদ হতে পারে ২,০০০। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য পিটিআই)
সহকারী অধ্যাপক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, বছর শেষে শূন্যপদ হতে পারে ২,০০০। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য পিটিআই)

Assistant professor recruitment: সহকারী অধ্যাপক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, বছর শেষে শূন্যপদ হতে পারে ২,০০০

  • দেখে নিন বিস্তারিত তথ্য।

সহকারী অধ্যাপক পদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করল পশ্চিমবঙ্গ কলেজ সার্ভিস কমিশন (WBCSC)। আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। অনলাইনে আবেদন করা যাবে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে।

কতগুলি শূন্যপদ রয়েছে, তা কলেজ সার্ভিস কমিশনের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়নি। কলেজ সার্ভিস কমিশন সূত্রে খবর, এখনও পর্যন্ত তাদের কাছে আগের নিয়োগ প্রক্রিয়া থেকে ৪২৭ টি শূন্যপদ রয়েছে। এই বছরের শেষে শূন্যপদের সংখ্যা ২,০০০-এর কাছাকাছি পৌঁছে যাবে বলে মনে করছেন কমিশনের আধিকারিকরা।

কলেজ সার্ভিস কমিশনের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, '২০১৮ সালের বিজ্ঞাপনের ভিত্তিতে আমরা ২৮২০টি শূন্যপদ পেয়েছিলাম। তার মধ্যে ২ হাজার ২৯৩টি শূন্যপদে আমরা প্রার্থী সুপারিশ করে দিয়েছি। ক্যাটেগরি অনুযায়ী প্রার্থী না পাওয়ায় ৪২৭টি শূন্যপদ এখনও পড়ে রয়েছে। অর্থাৎ আমাদের হাতে এখন ৪২৭টি শূন্যপদ রয়েছে।'

এই ৪২৭টি শূন্যপদের সঙ্গে আগামী এক বছরের শূন্যপদ যোগ হয়ে সেই সংখ্যা দু’হাজারের কাছাকাছি পৌঁছে যাবে বলে মনে করছেন কলেজ সার্ভিস কমিশনের আধিকারিকরা। এই প্রসঙ্গে ওই আধিকারিক বলেন, 'আমরা ৩১ ডিসেম্বর ৪৫০টি সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত কলেজকে বলেছি, আগামী এক বছরের মধ্যে যত শূন্যপদ তৈরি হবে, তা ৩১ মার্চের মধ্যে জানাতে বলেছি। আমরা আগাম প্রস্তুতি নিচ্ছি যাতে পদ ফাঁকা না পড়ে থাকে। ফলে আমরা একদিকে আবেদনগ্রহণ প্রক্রিয়া শুরু করলাম ৪২৭টি শূন্যপদ হাতে নিয়ে। সঙ্গে ৪৫০টি কলেজ থেকে আগামী এক বছরের শূন্যপদের সংখ্য়া চাইলাম। সব মিলিয়ে অন্তত দু’হাজারের মতো শূন্যপদ। তার ভিত্তিতে আমরা ২০২২ সালের জানুয়ারি থেকে সুপারিশ করা শুরু করব। ২০২১ সালে আমরা ইন্টারভিউ করব।'

এর আগে, ২০১৮ সালে ৫২টি বিষয়ে সহকারী অধ্যাপক পদে নিয়োগের বিজ্ঞাপন দিয়েছিল কলেজ সার্ভিস কমিশন। তার মধ্যে চারটি বিষয়ে কোনও শূন্যপদ ছিল না। তাই ৪৭টি বিষয়ে নির্বাচনী প্রক্রিয়ার পর ৪৪টি বিষয়ে নিয়োগের প্যানেল প্রকাশ করেছিল কমিশন। বাকি তিনটি বিষয়ের জন্য প্রার্থী পাওয়া যায়নি সেই সময়। ২০১৯ সালের জানুয়ারি মাস থেকে ২০২০ সালের মার্চ পর্যন্ত চলেছিল ইন্টারভিউ, প্যানেল প্রকাশ, কাউন্সেলিং ও সুপারিশ করার প্রক্রিয়া। তারপরে বাকি থাকা শূন্যপদের ভিত্তিতে চলে রি-কাউন্সেলিং প্রক্রিয়া। ৩১ ডিসেম্বর ৪৪টির মধ্যে ৪১টি বিষয়ের প্যানেলের মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছে। বাকি তিনটি বিষয়ের প্যানেলের বৈধতা রয়েছে মার্চ মাস পর্যন্ত । তাই সেগুলির জন্য রি-কাউন্সেলিং প্রক্রিয়া মার্চ মাস পর্যন্ত চলবে বলে জানা গিয়েছে।

বন্ধ করুন