বাংলা নিউজ > কর্মখালি > জানুয়ারি থেকে আংশিকভাবে স্কুল খোলার আর্জি জানিয়ে রাজ্যগুলিকে চিঠি CISCE-র
আংশিকভাবে স্কুল খোলার আর্জি জানিয়ে রাজ্যগুলিকে চিঠি CISCE-র (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য পিটিআই)
আংশিকভাবে স্কুল খোলার আর্জি জানিয়ে রাজ্যগুলিকে চিঠি CISCE-র (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য পিটিআই)

জানুয়ারি থেকে আংশিকভাবে স্কুল খোলার আর্জি জানিয়ে রাজ্যগুলিকে চিঠি CISCE-র

  • বোর্ড পরীক্ষার বিষয়ে ভাবনাচিন্তা করা হয়েছে।

আংশিকভাবে স্কুল খোলার আর্জি জানিয়ে সব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের চিঠি দিল কাউন্সিল ফর দি ইন্ডিয়ান স্কুল সার্টিফিকেট এগজামিনেশনস (CISCE)। প্র্যাক্টিক্যাল ও প্রজেক্ট ওয়ার্কের মতো বিষয়গুলি মাথায় রেখেই এই আবেদন করা হয়েছে। আগামী ৪ জানুয়ারি থেকে পড়ুয়ারা যাতে স্কুলে উপস্থিত হয়ে ক্লাস করতে পারে, সেজন্য এই আবেদন।

কাউন্সিল একটি বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, কোভিড বিধি মেনেই স্কুল খোলা হবে। আগামী বছর বাংলা-সহ কয়েকটি রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। সেজন্য CISCE এবং CBSE বোর্ডের পরীক্ষা পিছিয়ে যাবে কিনা, তা নিয়েও অনিশ্চয়তা দেখছে কাউন্সিল। তাই মুখ্যমন্ত্রীদের পাশাপাশি মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের কাছেও চিঠি লিখেছে কাউন্সিল। তাতে আগামী বছরের এপ্রিল এবং মে মাসের মধ্যে কোথায়, কবে নির্বাচন রয়েছে তা জানতে চাওয়া হয়েছে।

প্রেস বিবৃতিতে CISCE–র সচিব জেরি অ্যারাথুন স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন, দশম এবং দ্বাদশ শ্রেণি অর্থাৎ যারা আগামী বছর বোর্ড পরীক্ষায় বসতে চলেছে, তাদের ওয়ার্ক এডুকেশন বা ফিজিক্যাল এডুকেশনের প্র্যাক্টিক্যাল ক্লাস অনলাইনে করানো সম্ভব নয়। তাদের কথা ভেবে স্কুলে আসতে দেওয়া হোক। এছাড়া অনলাইন ক্লাসের পরও নানা বিষয় নিয়ে অনেকের বোঝার সমস্যা থেকে যাচ্ছে। তাদের সেই সংশয় দূর করার জন্যও স্কুলে আসা প্রয়োজন। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে শিক্ষকরাও এবার স্কুলে আসুক। কোভিডবিধি মেনে ক্লাস হওয়ার বিষয়ে স্কুলগুলিকে দায়িত্ব নিতে হবে বলেও মত তাঁর। 

করোনাভাইরাসের সংক্রমণে রুখতে গত ২৫ মার্চ লকডাউন ঘোষণার পর থেকেই বন্ধ দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি। পঠনপাঠন চলছে অনলাইনে। পশ্চিমবঙ্গে অবশ্য এবছর স্কুল, কলেজ খুলবে না বলে জানিয়েছে শিক্ষা দফতর।

বন্ধ করুন