বাড়ি > কর্মখালি > Final Semester Exam: চূড়ান্ত টার্মের পরীক্ষা নিতে বাধ্য বিশ্ববিদ্যালয়, বাতিলের ক্ষমতা নেই রাজ্যের, হাইকোর্টে জানাল UGC
বাধ্যতামূলক চূড়ান্ত সেমেস্টার বা বর্ষের পরীক্ষার প্রতিবাদে বিক্ষোভ (ছবি সৌজন্য পিটিআই)
বাধ্যতামূলক চূড়ান্ত সেমেস্টার বা বর্ষের পরীক্ষার প্রতিবাদে বিক্ষোভ (ছবি সৌজন্য পিটিআই)

Final Semester Exam: চূড়ান্ত টার্মের পরীক্ষা নিতে বাধ্য বিশ্ববিদ্যালয়, বাতিলের ক্ষমতা নেই রাজ্যের, হাইকোর্টে জানাল UGC

  • চূড়ান্ত টার্মের পরীক্ষা নিতে বাধ্য দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়। হাইকোর্টে জানাল ইউজিসি।

কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চূড়ান্ত সেমেস্টার বা বর্ষের পরীক্ষা বাতিলের ক্ষমতা নেই মহারাষ্ট্র সরকারের। শুক্রবার বম্বে হাইকোর্টে হলফানামা দাখিল করে জানাল বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি)।

আরও পড়ুন : ফোনে জানা যাবে করোনা পরীক্ষার ফল, খরচ ৪০০ টাকা, নয়া ডিভাইস তৈরি IIT খড়্গপুরের

করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে সব পরীক্ষা বাতিলের যে সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছিল মহারাষ্ট্র সরকার, তা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেন পুণের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ধনঞ্জয় কুলকার্নি। যিনি বিশ্ববিদ্যালের সেনেটের সদস্যও ছিলেন। সেই মামলায় এই হলফনামা জমা দিয়েছে ইউজিসি।

আরও পড়ুন : ভারতে কত দাম পড়বে অক্সফোর্ডের করোনা টিকার, জানাল সেরাম ইনস্টিটিউট

গত মাসে পেশাদার এবং অপেশাদার সব কোর্সের পরীক্ষা বাতিল করার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছিল মহারাষ্ট্র সরকার। উদ্ধব ঠাকরে সরকারের তরফে জানানো হয়েছিল, মহামারী আইন এবং বিপর্যয় মোকাবিলা আইনের আওতায় সেই সিদ্ধান্ত নিতে পারে রাজ্য সরকার। কিন্তু তাতে বাধ সাধে ইউজিসি। নিয়ন্ত্রক সংস্থার তরফে পালটা দাবি করা হয়, ইউজিসি আইনের মতো বিশেষ আইনের বিধিবদ্ধ নিয়মের ক্ষেত্রে রাজ্য সরকার ওই মহামারী আইন এবং বিপর্যয় মোকাবিলা আইন প্রয়োগ করতে পারে না।

আরও পড়ুন : করোনা টেস্টের রিপোর্ট হাতে পেলেন সৌরভ

তারপর শুক্রবার ইউজিসির তরফে হলফনামায় জানানো হয়, পরীক্ষার মান নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সংস্থা ইউজিসি। হলফনামায় স্পষ্টত বলা হয়, ‘এই দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয় বা প্রতিষ্ঠান ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরের মধ্যে পরীক্ষা নিতে বাধ্য।’ আদালতে জানানো হয়েছে, পরীক্ষা সংক্রান্ত নির্দেশিকায় বিভিন্ন শিথিলতা আছে। যেমন - অনলাইন বা অফলাইন বা দু'ভাবেই পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। পাশাপাশি সেপ্টেম্বরের মধ্যে কোনও পড়ুয়া পরীক্ষায় বসতে না পারলে পরে পরীক্ষা দেওয়ারও সুযোগ রয়েছে বলে হাইকোর্টে জানিয়েছে ইউজিসি। আগামী ৩১ জুলাই সেই মামলাটি ফের শুনবে প্রধান বিচারপতি দীপঙ্কর দত্তের নেতৃত্বাধীন ডিভিশন বেঞ্চ।

বন্ধ করুন