বাংলা নিউজ > কর্মখালি > শেষের মুখে ভরতি প্রক্রিয়া, এখনও বাংলার বহু কলেজেই আসন ফাঁকা
রাজ্যের বিভিন্ন কলেজে বেশ কিছু সংরক্ষিত আসন ফাঁকা পড়ে আছে।
রাজ্যের বিভিন্ন কলেজে বেশ কিছু সংরক্ষিত আসন ফাঁকা পড়ে আছে।

শেষের মুখে ভরতি প্রক্রিয়া, এখনও বাংলার বহু কলেজেই আসন ফাঁকা

  • গত কয়েক বছরের মতো এ বারেও রাজ্যের বিভিন্ন কলেজে বেশ কিছু সংরক্ষিত আসন ফাঁকা পড়ে আছে।

রাজ্যের উচ্চশিক্ষা দফতরের নির্দেশ মতো ৩১ অক্টোবরের মধ্যে স্নাতক স্তরে ভরতি প্রক্রিয়া শেষ হচ্ছে। প্রচুর আবেদন জমা পড়লেও দেখা যাচ্ছে, গত কয়েক বছরের মতো এ বারেও রাজ্যের বিভিন্ন কলেজে বেশ কিছু সংরক্ষিত আসন ফাঁকা পড়ে আছে। খালি আছে কিছু বিষয়ের সাধারণ আসনও। ভর্তির জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে সেগুলি পূরণ হবে কি না, তা নিয়ে এখন সংশয় দেখা দিয়েছে।

বিভিন্ন কলেজ কর্তৃপক্ষ ফাঁকা পড়ে থাকা আসনগুলিকে অসংরক্ষিত ঘোষণা করার জন্য অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ দফতরে আবেদন করছেন। মণীন্দ্রচন্দ্র কলেজের অধ্যক্ষ মন্টুরাম সামন্ত জানিয়েছেন, ৫ অক্টোবর তিনি এই বিষয়ে আবেদন করেছেন। কিন্তু এখনও সম্মতি পান্নি। চলতি মাসে ভর্তি প্রক্রিয়া শেষ করতে হলে তাঁর কলেজের চার শতাধিক সংরক্ষিত ফাঁকা আসন কতটা পূরণ হবে, তা নিয়ে চিন্তায় পড়েছেন অধ্যক্ষ । 

দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিদ্যানগর কলেজের অধ্যক্ষ সূর্য আগরওয়াল জানান, তাঁর কলেজে প্রায় ১০০ সংরক্ষিত আসন ফাঁকা আছে। এই আসন পূরণের জন্য উচ্চশিক্ষা দফতরে আবেদন করবেন তিনি। ইতিমধ্যেই আবেদন করেছে সুরেন্দ্রনাথ কলেজ, নিউ আলিপুর কলেজ। সুরেন্দ্রনাথ কলেজের অধ্যক্ষ ইন্দ্রনীল কর বলেন, তাঁর কলেজে ২০০ সংরক্ষিত আসন ফাঁকা। নিউ আলিপুর কলেজেও একই আবস্থা।  প্রায় ২০০ সংরক্ষিত আসন ফাঁকা বলে জানান অধ্যক্ষ জয়দীপ ষড়ঙ্গী।

কয়েক বছর ধরেই দেখা যাচ্ছে, সংস্কৃত, দর্শন, অর্থনীতির মতো বিষয়ে আসন ফাঁকা পড়ে থাকছে । মহেশতলা কলেজের অধ্যক্ষ রুম্পা দাস জানান, তাঁর কলেজে প্রায় ২০০ সংরক্ষিত আসন এখনও খালি। সেপ্টেম্বরেই তিনি ওই সব ফাঁকা আসনকে অসংরক্ষিত করার অনুমতি চেয়ে আবেদন জানিয়েছেন। অর্থনীতি, সংস্কৃতের মতো বিষয়ের সাধারণ আসনেও খুব কম পড়ুয়া । ফাঁকা সংরক্ষিত আসন বা খালি থেকে যাওয়া সাধারণ আসন আর কতটা পূরণ হবে, সে নিয়ে সংশয় আছে। 

 

বন্ধ করুন