বাংলা নিউজ > কর্মখালি > স্যালুট! বিমানবন্দরের সাফাই কর্মী থেকে কোটিপতি ব্যবসায়ী হলেন যুবক
ফাইল ছবি: টুইটার (Twitter)

স্যালুট! বিমানবন্দরের সাফাই কর্মী থেকে কোটিপতি ব্যবসায়ী হলেন যুবক

  • প্রায় ১০ বছর আগে, উত্তরপ্রদেশের সাহারানপুরে আমির কুতুব অস্ট্রেলিয়ায় MBA পড়তে যান। দশ বছর পরের কথা। আমির কুতুব এখন এক মাল্টি মিলিয়ন ডলার সংস্থার মালিক।

প্রায় ১০ বছর আগে, উত্তরপ্রদেশের সাহারানপুরে আমির কুতুব অস্ট্রেলিয়ায় MBA পড়তে যান। এরপর চাকরির জন্য বিভিন্ন কোম্পানিতে প্রায় ৩০০টি আবেদন জমা দেন। কিন্তু একটিও চাকরি পাননি।

দশ বছর পরের কথা। আমির কুতুব এখন এক মাল্টি মিলিয়ন ডলার সংস্থার মালিক। কিন্তু তাঁর এই কোটিপতি ব্যবসায়ী হওয়ার রাস্তাটি মসৃণ ছিল না। তিনি বলেন, 'বিদেশে যাওয়ার সময়ে খুব ভয় পেয়েছিলাম। পুরোটাই আমার কাছে একটা নতুন ব্যাপার ছিল। আমার ইংরেজিও ভালো ছিল না। অভিজ্ঞতা ছাড়া চাকরি পাওয়া কঠিন। প্রত্যেকেই চাকরির জন্য আগের কাজের অভিজ্ঞতা চাইছিল।'

অস্ট্রেলিয়ার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে এমবিএ পড়ার সময়ে আমির কুতুব ভিক্টোরিয়ার অ্যাভালন বিমানবন্দরে একজন সাফাইকর্মীর কাজ পান। কিন্তু এই কাজ যে বেশিদিন করলে চলবে না, তা তখনই বুঝে গিয়েছিলেন তিনি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনা, জনসংযোগ তৈরির চেষ্টা এবং সংবাদপত্র বিতরণ- সব সামলেই এগোতে থাকেন তিনি।

আইসিটি জিলং নামের এক সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার সময় তাঁর ভাগ্যের মোড় ঘুরে যায়। তাঁর পরিশ্রম, দক্ষতা, ক্ষুরধার বুদ্ধি নজরে আসে সংস্থার। মাত্র ১৫ দিনের মাথায় তাঁকে অপারেশন ম্যানেজারের চাকরি দেওয়া হয়।

দুই বছর পরেই তিনি সংস্থার অন্তর্বর্তীকালীন জেনারেল ম্যানেজার হয়ে যান।

সংস্থার পারফরম্যান্সে বিপুল অবদান রাখেন তিনি। আর এমন পর্যায়েই নিজের স্বাধীন ব্যবসা শুরু করার পরিকল্পনা করেন তিনি।

২০১৪ সালে, শ্যালকের গ্যারেজ থেকেই নিজের ব্যবসা শুরু করেন আমির কুতুব। বিনিয়োগ করেছিলেন মাত্র ২,০০০ ডলার। মাঙ্কি প্রোপ্রাইটর লিমিটেড নামের সংস্থার শুরু করেন তিনি। আর ৭ বছরের মাথায় তাঁর কোম্পানি 'অস্ট্রেলিয়ান স্মার্টেস্ট ইনোভেশন অফ দ্য ইয়ার' পুরস্কার পেয়েছে।

আমিরের সংস্থায় এখন ১০০ জন কর্মীর একটি দল নিযুক্ত করেছেন। 'আমি ছোট থেকেই সফল হতে চেয়েছিলাম। কিন্তু সাফল্য বলতে, আমি যেটা ভালোবাসি, সেটা নিয়েই এগোতে চেয়েছিলাম। সবার উপরে, আমার নিজের উপর একটা দৃঢ় বিশ্বাস ছিল,' বলেন আমির।

বন্ধ করুন