বাংলা নিউজ > কর্মখালি > অনলাইন শিক্ষাদানে প্রাণশক্তি হারাচ্ছেন শিক্ষকরা, বলছে সমীক্ষা
অনলাইন শিক্ষা পদ্ধতিতে যুক্ত ৪৫ শতাংশের বেশি শিক্ষক-শিক্ষিকা অত্যন্ত ক্লান্ত হয়ে পড়ছেন।
অনলাইন শিক্ষা পদ্ধতিতে যুক্ত ৪৫ শতাংশের বেশি শিক্ষক-শিক্ষিকা অত্যন্ত ক্লান্ত হয়ে পড়ছেন।

অনলাইন শিক্ষাদানে প্রাণশক্তি হারাচ্ছেন শিক্ষকরা, বলছে সমীক্ষা

  • ভারতের উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে যুক্ত ৪৫ শতাংশের বেশি শিক্ষক-শিক্ষিকা অত্যন্ত ক্লান্ত হয়ে পড়ছেন। তাঁদের প্রাণশক্তি (এনার্জি লেভেল) হ্রাস পাচ্ছে।

করোনা আবহে পড়াশোনা এগিয়ে নিয়ে যেতে অনলাইন পঠন-পাঠনই মূল ভরসা। এর জন্য শিক্ষক-শিক্ষিকাদের প্রতিনিয়ত ডিজিটাল দক্ষতা উন্নত করতে হচ্ছে। ফলে ভারতের উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে যুক্ত ৪৫ শতাংশের বেশি শিক্ষক-শিক্ষিকা অত্যন্ত ক্লান্ত হয়ে পড়ছেন। তাঁদের প্রাণশক্তি (এনার্জি লেভেল) হ্রাস পাচ্ছে। সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে এমন তথ্যই উঠে এসেছে।

লন্ডনের QS IGAUGE পরিচালিত ভারতের কলেজ, বিশ্ব বিদ্যালয়ের ওপর একটি সমীক্ষার ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি হয়েছে। ১৭০০ এর বেশি শিক্ষক শিক্ষিকা কে এই ফ্যাকাল্টি অ্যাকাডেমিক রিভিউ ফর এক্সেলেন্স (FARE), ২০২০ সমীক্ষায় সামিল করা হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, করোনা আবহে অনলাইন পঠন পাঠন আর তার আগের পঠন পাঠনের মধ্যে বিস্তর ফারাক রয়েছে। করোনা কালে শিক্ষকদের মধ্যে চাকরির নিরাপত্তা, আর্থিক টানাপোড়েন নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এগুলির কারণে মানসিক চাপ তৈরি হচ্ছে। পাশাপাশি, ডিজিটাল দক্ষতা বজায় রাখতে ক্রমাগত পড়াশোনা করতে হচ্ছে। যার ফলে প্রচন্ড ক্লান্ত হয় পড়ছেন তাঁরা। কমছে এনার্জি লেভেল।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্পূর্ণ নতুন ও অপরিচিত মাধ্যমে পড়াতে গিয়ে পড়ুয়াদের পড়াতে সমস্যায় পড়ছেন শিক্ষকরা। ৯% শিক্ষক জানিয়েছেন, অনলাইন ক্লাসের জন্য তাঁদের উৎকণ্ঠা ও উদ্বেগ অনেক বেড়ে গিয়েছে। ৫২% জানিয়েছেন, তাঁদের উদ্বেগ মোটামুটি বেড়েছে।

১৭.৪% শিক্ষক জানিয়েছেন, অনলাইন ক্লাসের জন্য পড়ুয়াদের সঙ্গে তাঁদের সম্পর্ক খারাপ হয়ছে। ৮% শিক্ষক জানিয়েছেন, সহকর্মীদের সঙ্গে তাঁদের সম্পর্কের অবনতি হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ৩০% শিক্ষকের প্রযুক্তি, ডিজিটাল দক্ষতা, ভার্চুয়াল পঠন-পাঠনের উপকরণ সম্পর্কে কোনও ধারণা নেই।

২৫ মার্চ থেকে দেশজুড়ে লক ডাউন শুরু হয়। স্থানীয় করোনা পরিস্থিতি বিবেচনা করে কেন্দ্রীয় সরকার প্রাথমিকভাবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি পুনরায় খোলার অনুমতি দিয়েছে। কিন্তু এখনও বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানই বন্ধ আছে। পঠন-পাঠন চলেছে অনলাইন মাধ্যমে।

বন্ধ করুন