বাংলা নিউজ > কর্মখালি > Pragyata guidelines: স্কুলের ডিজিটাল ক্লাসের সময়সীমা বেঁধে দিল কেন্দ্র

Pragyata guidelines: স্কুলের ডিজিটাল ক্লাসের সময়সীমা বেঁধে দিল কেন্দ্র

ডিজিটাল শিক্ষা পদ্ধতিতে পড়ুয়াদের জন্য নির্ধারিত স্ক্রিনটাইম, অনলাইন শিক্ষা চলাকালীন মানসিক ও শারীরিক অবসাদ কাটানোর টিপস দিল কেন্দ্রীয় মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রক।

প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত প্রতিদিন দুটি ৪৫ মিনিটের ক্লাস এবং নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত চারটি করে ৪৫ মিনিটের ক্লাস রাখা যাবে।

অনলাইন ক্লাস সম্পর্কে শর্তাবলী প্রকাশ করল কেন্দ্রীয় মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রক। এই ব্যবস্থায় বেঁধে দেওয়া হল প্রাত্যহিক ডিজিটাল ক্লাসের সময়সীমা। 

মঙ্গলবার প্রকাশিত নির্দেশাবলীতে প্রাক প্রাথমিক শ্রেণির পড়ুয়াদের রোজের ডিজিটাল ক্লাসের সময় ৩০ মিনিট ধার্য করেছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রক। সেই সঙ্গে প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত প্রতিদিন দুটি ৪৫ মিনিটের ক্লাস এবং নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত চারটি করে ৪৫ মিনিটের ক্লাস রাখা যাবে। 

এ দিন সকালে কেন্দজ্রীয় মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী রমেশ পোখরিয়াল নিশঙ্ক টুইট করে জানান, ‘চালু করা হল ‘প্রাজ্ঞতা’: স্কুলের প্রধান, শিক্ষক, অভিভাবক ও পড়ুয়াদের জন্য নির্ধারিত স্ক্রিনটাইম, অনলাইন শিক্ষা চলাকালীন মানসিক ও শারীরিক অবসাদ কাটানোর টিপস, সবিস্তারে জানার জন্য নজর রাখুন।’

প্রাজ্ঞতা নিয়ামবলীতে উল্লিখিত হয়েছে অনলাইন শিক্ষার মোট ৮টি ধাপ। এগুলি হল যথাক্রমে প্ল্যান (পরিকল্পনা), রিভিউ (পর্যালোচনা), অ্যারেঞ্জ (শৃঙ্খলাভিত্তিক সাজানো), গাইড (প্থ প্রদর্শন), অ্যাসাইন (নিয়োগ), ট্র্যাক (নজর রাখা) এবং অ্যাপ্রিশিয়েট (প্রশংসা করা)। শর্তাবলীতে রয়েছে স্কুল কর্তৃপক্ষ, স্কুলের বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক, অভিভাবক এবং পড়ুয়াদের জন্য কয়েকটি প্রস্তাব, যার মধ্যে রয়েছে: 

১) মূল্যায়ণ প্রয়োজন

২) অনলাইন শিক্ষার পরিকল্পনা করার সময় নজর রাখতে হবে তার সময়সীমা, স্ক্রিন টাইম, অংশগ্রহণ, অনলাইন ও অফলাইন কাজকর্মের মধ্যে সাযুজ্য বজায় রাখার মতো স্তরের উপরে। 

৩) হস্তক্ষেপ প্রক্রিয়াকরণ, যার মধ্যে পড়ছে পাঠ্যপ্রণালী অনুযায়ী বিষয়ভিত্তিক চয়ন, এবং স্তর অনুযায়ী পাঠ্য বিষয়ক তথ্যাদি বিতরণের মতো বিষয়। 

৪) ডিজিটাল লশিক্ষণ প্রক্রিয়া চলাকালীন শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা

৫) সাইবার নিরাপত্তা ও নীতিগত আচরণ বজায় রাখার উদ্দেশে সাবধানতা ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ

৬) বিভিন্ন উদ্যোগের সঙ্গে সহায়তা ও সাযুজ্য বজায় রাখা

এ দিন কেন্দ্রীয় মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী রমেশ পোখরিয়াল নিশঙ্ক জানান, ‘অতিমারী পরিস্থিতির আবহে স্কুলগুলিকে শুধুমাত্র শিক্ষাদান ও শিক্ষাগ্রহণ পদ্ধতি পুনর্বিবেচনা ও সংস্কার করলেই হবে না, বাড়িতে থাকা অবস্থায় পড়ুয়াদের জন্য সুবিধাজনক স্কুল ও গৃহশিক্ষার মেলবন্ধনে নতুন পদ্ধতির কথা ভাবতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের দৃষ্টিভঙ্গির ভিত্তিতে তৈরি করা শর্তাবলী লকডাউনে ঘরে থাকা পড়ুয়াদের জন্য অনলাইন, মিশ্র ও ডিজিটাল শিক্ষার গুরুত্ব বিচার করে প্রস্তুত করা হয়েছে। অনলাইন ব্যবস্থায় উন্নত শিক্ষার মান বজায় রাখার উদ্দেশে এক নির্দিষ্ট সফরসূচি তৈরির লক্ষ্যেই নিয়মাবলী তৈরি হয়েছে।’

 

বন্ধ করুন