বাংলা নিউজ > কর্মখালি > Pristyn Care: ইন্টারভিউয়ের নামে ‘হেনস্থা’? সংস্থার বসের পোস্টে বিতর্ক
কর্মী নিয়োগের আজব উপায় দিলেন প্রিস্টিন কেয়ারের সহ-প্রতিষ্ঠাতা। ছবি- টুইটার (Twitter)

Pristyn Care: ইন্টারভিউয়ের নামে ‘হেনস্থা’? সংস্থার বসের পোস্টে বিতর্ক

  • স্টিন কেয়ারের সহ-প্রতিষ্ঠাতা হরসিমারবীর সিংয়ের পোস্ট ঘিরে তুঙ্গে বিতর্ক। আজব সব নিদান দিয়েছেন তিনি। কখনও বলেছেন, ইন্টারভিউ দিতে আসা প্রার্থীদের ৬-৮ ঘণ্টা বসিয়ে রেখেছিলাম। তাতে নাকি ধৈর্য্য পরীক্ষা হবে। আবার আরেক 'হ্যাক'-এ বলেছেন, রবিবার বা মাঝরাতে ইন্টারভিউ দিতে ডাকতে।

সম্প্রতি যুবসমাজকে কর্মজীবনের শুরুতে দিনে ১৮ ঘণ্টা করে কাজ করার পরামর্শ দিয়েছিলেন বম্বে শেভিং কোম্পানির সিইও শান্তনু দেশপান্ডে। তাঁর সেই পোস্টের জেরে প্রতিবাদের ঝড় উঠেছিল সোশ্যাল মিডিয়ায়। আর তার রেশ কাটার আগেই আরও এক বোমা। এবার সেটা ফাটালেন আরও এক ভারতীয় সংস্থার কর্তা। প্রিস্টিন কেয়ারের সহ-প্রতিষ্ঠাতা হরসিমারবীর সিংয়ের পোস্ট ঘিরে তুঙ্গে বিতর্ক। কী বলেছিলেন তিনি?

কীভাবে উপযুক্ত কর্মীদের নিয়োগ করেছিলেন তিনি? তাঁদের ইন্টারভিউ করার কিছু 'হ্যাক' শেয়ার করেছেন হরসিমারবীর। আর তা দেখেই চক্ষু চড়কগাছ সকলের। আজব সব নিদান দিয়েছেন তিনি। কখনও বলেছেন, ইন্টারভিউ দিতে আসা প্রার্থীদের ৬-৮ ঘণ্টা বসিয়ে রেখেছিলাম। তাতে নাকি ধৈর্য্য পরীক্ষা হবে। আবার আরেক 'হ্যাক'-এ বলেছেন, রবিবার বা অনেক রাতে ইন্টারভিউ দিতে ডাকতেন। এমনকি দূরে থাকা প্রার্থীদের হঠাত্ করে আগামিদিন ইন্টারভিউ দিতে আসতে বলার কথাও বলেছেন হরসিমারবীর।

কিন্তু এমনভাবে চাকরিপ্রার্থীদের হেনস্থা করার কারণ কী? স্টার্ট আপ কর্তার দাবি, এর ফলে যোগ্য প্রার্থীদের আলাদা করে বেছে নেওয়া গিয়েছে। তাঁদের কাজের প্রতি নিষ্ঠা, কর্তব্যপরায়ণতা, পরিশ্রম করার ক্ষমতা, ধৈর্য্য ইত্যাদি যাচাই করে নিতে পেরেছেন তাঁরা।

হরসিমারবীরের পোস্টের পর পরই তুমুল বিতর্কে ভরে যায় কমেন্ট সেকশন। '১৮ ঘণ্টা'র রেশ তো ছিলই। ফলে আরও একটি আগুন জ্বলে উঠতে বেশি সময় লাগেনি। বহু সংস্থার কর্তারা এভাবে কর্মীদের নাজেহাল করেন বলে দাবি তোলেন লিঙ্কডইন ব্যবহারকারীরা।

বেগতিক দেখে পরে নিজের সেই পোস্টই ডিলিট করে দেন হরসিমারবীর। তবে ততক্ষণে অনেকেই তার স্ক্রিনশট তুলে নেন। পরে সেটিই শেয়ার হতে শুরু করে।

দেখুন ঠিক কী পোস্ট করেছিলেন তিনি:

ছবি: টুইটার
ছবি: টুইটার (Twitter)

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি ১৮ ঘণ্টা করে কাজ করার পরামর্শ দিয়ে ক্ষোভের মুখে পড়েন বম্বে শেভিং কোম্পানির সিইও শান্তনু দেশপান্ডে। পরে এক টিভি সাক্ষাত্কারে শান্তনু বলেন, আমার পোস্টটি যাঁদের অনুভূতিতে আঘাত করেছে, তাঁদের কাছে আমি ক্ষমাপ্রার্থী। আমি আসলে আমার ভাবনাটা হয় তো সঠিকভাবে ব্যাখ্যা করতে পারিনি। একটি পোস্টের মাধ্যমে তিনি লিঙ্কডইন ছাড়ার কথাও জানান।

বন্ধ করুন