বাংলা নিউজ > কর্মখালি > SSC এবং বিদ্যালয় পরিদর্শকের ভূমিকা রদ, সহজ হল শিক্ষক বদলি প্রক্রিয়া
এবার থেকে বদলির জন্য শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সরাসরি কমিশনার অব স্কুল এডুকেশনের কাছে আবেদন করতে হবে।
এবার থেকে বদলির জন্য শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সরাসরি কমিশনার অব স্কুল এডুকেশনের কাছে আবেদন করতে হবে।

SSC এবং বিদ্যালয় পরিদর্শকের ভূমিকা রদ, সহজ হল শিক্ষক বদলি প্রক্রিয়া

  • বদলির জন্য শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সরাসরি কমিশনার অব স্কুল এডুকেশনের কাছে আবেদন করতে হবে।

শিক্ষক-শিক্ষিকাদের বদলির প্রক্রিয়া অনেকটা সহজ করল স্কুল শিক্ষা দফতর। এবার বদলির জন্য শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সরাসরি কমিশনার অব স্কুল এডুকেশনের কাছে আবেদন করতে হবে। নতুন ব্যবস্থায় স্কুল সার্ভিস কমিশন (এসএসসি) এবং জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শকের দফতরের কোনও ভূমিকা থাকছে না।

এতদিন বদলির জন্য আবেদন করেও এক স্কুল থেকে অন্য স্কুলে যেতে অনেক সময়েই শিক্ষক-শিক্ষিকাদের বছরের পর বছর অপেক্ষা করে থাকতে হত। সেই সমস্যার সমাধানে আবেদন পত্র থেকে শুরু করে নতুন স্কুলে নিয়োগপত্র পাওয়া পর্যন্ত দুটি স্তর বিলোপ করা হচ্ছে। এর মধ্যে সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ হল, বদলির ক্ষেত্রে আপাতত স্কুল সার্ভিস কমিশন বা এসএসসির ভূমিকা থাকছে না।

স্কুলশিক্ষা দফতর একটি বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, নতুন ব্যবস্থায় সাধারণ বদলি, আপস-বদলি, বিশেষ বদলি-সহ যাবতীয় বদলির ক্ষেত্রে শিক্ষকের আবেদন খতিয়ে দেখে বদলির সমস্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে সেটি মধ্যশিক্ষা পর্ষদের কাছে পাঠাবে। পর্ষদ শুধু বদলির নিয়োগপত্র দেবে।

এত দিন পর্যন্ত শিক্ষকদের সমস্ত বদলির ক্ষেত্রে স্কুল সার্ভিস কমিশনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক ও শিক্ষা দফতরের সঙ্গে যোগাযোগ করে পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করত কমিশন। পুরো প্রক্রিয়াটি বেশ সময় সাপেক্ষ ছিল। শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় সম্প্রতি জানান, শিক্ষকদের বদলিতে অনেক ক্ষেত্রে দীর্ঘ সময় লাগার অভিযোগ উঠছে। তাই বদলি-প্রক্রিয়া যাতে দ্রুত হয়, তার ব্যবস্থা করা হবে। শিক্ষামন্ত্রীর সেই বক্তব্যের কিছু দিনের মধ্যেই এই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করল শিক্ষা দফতর।

শিক্ষা সূত্রের খবর, এসএসসি-তে এখন স্থায়ী চেয়ারম্যান নেই। তা ছাড়া শিক্ষক নিয়োগের অজস্র বকেয়া কাজ ও মামলার জন্য তাদের নানা রকম ব্যস্ততা রয়েছে। তাই শিক্ষক বদলির দায়িত্ব থেকে এসএসসি-কে আপাতত অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

শিক্ষক সংগঠনগুলি বদলির এই সরলীকরণ প্রক্রিয়াকে স্বাগত জানিয়ে ছে। তবে মাধ্যমিক শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমিতির নেতা অনিমেষ হালদার বলেন, ‘‘বিজ্ঞপ্তিতে কিছু ধোঁয়াশা আছে। ‘ভ্যাকেন্সি লিস্ট’ বা খালি পদের তালিকা অনলাইনে দেওয়া হবে কি না, বিজ্ঞপ্তিতে তার উল্লেখ নেই। তাই কোন শিক্ষক বদলির পরে কোন স্কুল পাবেন, সেই বিষয়ে অস্বচ্ছতা থাকার আশঙ্কা রয়েছে।" কলেজিয়াম অব অ্যাসিস্ট্যান্ট হেডমাস্টার্স অ্যান্ড অ্যাসিস্ট্যান্ট হেডমিস্ট্রেসের সম্পাদক সৌদীপ্ত দাস বলেন, বদলির ক্ষেত্রে দ্রুততার পাশাপাশি স্বচ্ছতাও জরুরি।

বন্ধ করুন