বাংলা নিউজ > কর্মখালি > করোনার প্রকোপে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন নিয়ে তৈরি অনিশ্চয়তা
করোনার প্রকোপে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন নিয়ে তৈরি অনিশ্চয়তা (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য ফেসবুক)
করোনার প্রকোপে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন নিয়ে তৈরি অনিশ্চয়তা (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য ফেসবুক)

করোনার প্রকোপে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন নিয়ে তৈরি অনিশ্চয়তা

  • করোনার কারণে আইআইটি খড়্গপুর, আইআইটি বম্বে, আইআইটি মাদ্রাসের মতো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভার্চুয়াল সমাবর্তনের আয়োজন করা হয়েছিল।

প্রতি বছর পুজোর ছুটির পর সমাবর্তনের তোড়জোড় চলে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে। কিন্তু এবার করোনাভাইরাসে জেরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হল। সমাবর্তন স্থগিত রাখা হবে, নাকি ভার্চুয়াল হবে, তা নিয়ে এখনও কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

অন্যান্য বার সমাবর্তনের জন্য ৫০০ টাকা নেওয়া হয়। বিশেষ পোশাক, ল্যামিনেটেড শংসাপত্র প্রভৃতির জন্য সমাবর্তনে ডিগ্রি প্রাপকদের কাছ থেকে ওই ৫০০ টাকা ধার্য হয়। প্রতি বছর ২৪ ডিসেম্বর যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তাঙ্গণে এই সমাবর্তন হয়। তার প্রস্তুতি শুরু হয় মাসদুয়েক-তিনেক আগে থেকে। কিন্তু এবার অতিমারির জন্য চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

এবার স্নাতক, স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি স্তরে প্রায় ৪,০০০ জনের সম্মানিত হওয়ার কথা। কিন্তু করোনার জন্য কর্তৃপক্ষ কোনও ঝুঁকি নিতে চাইছে না। টাকা না নেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন উপাচার্য সুরঞ্জন দাস।

তাহলে কীভাবে প্রাপকদের শংসাপত্র দেওয়া হবে? সে প্রসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক আধিকারিক বলেন, ‘আবহাওয়া এবং অন্য কারণে আগামিদিনে করোনার প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের সুপারিশ মেনে পরিস্থিতি দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। করোনার জন্য গত মার্চ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে সাধারণভাবে ক্লাস হচ্ছে না। পঠনপাঠন চলছে অনলাইনে।’

উল্লেখ্য, করোনার কারণে আইআইটি খড়্গপুর, আইআইটি বম্বে, আইআইটি মাদ্রাসের মতো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভার্চুয়াল সমাবর্তনের আয়োজন করা হয়েছিল। সেভাবেই  প্রাপকদের হাতে শংসাপত্র তুলে দেওয়া হয়েছিল। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ও সেই পথ বেছে নেয় কিনা, এখন সেটাই দেখার।

বন্ধ করুন